সিলেটে দফায় দফায় মৃদু ভূমিকম্পেই হেলে পড়েছে ৬ তলার দুইটি আবাসিক ভবন। নগরীর পাঠানটুলার দর্জিপাড়ায় অবস্থিত ওই বাসা দুইটিতে বসবাসকারীদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে।
হেলে পড়ার খবর পেয়ে সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীসহ পুলিশ কর্মকর্তারা সরেজমিনে ভবন দুইটি পরিদর্শন করেছেন।
সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী রবিবার দুপুরে দেশ রূপান্তরকে বলেন, ভবন দুইটি দুই ফুটের মতো কাত হয়েছে। বাসিন্দাদের দ্রুত বাসা ছাড়তে বলা হয়েছে। বাসা দুইটি নির্মাণের অনুমতিসহ কাগজপত্র পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। বাসা দুইটি আগে থেকেই কাত ছিল না-কি ভূমিকম্পে কাত হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে, শনিবার ৪ দফা মৃদু ভূমিকম্পের পর রবিবার ভোরেও ভূকম্পন হয়েছে সিলেটে। ভোর ৪টা ৩৫ মিনিটে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ২ দশমিক ৮। লোকজন ঘুমে থাকায় এবং মৃদু ভূমিকম্প হওয়ায় অনেকে তা টের পাননি।
তবে যারা বুঝতে পেরেছেন তারা আগের দিনের দফায় দফায় ভূমিকম্পের পর ফের ভূমিকম্প শুরু হওয়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।
নগরীর আম্বরখানা এলাকার বদরুল ইসলাম বলেন, ফজরের নামাজের প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। এ সময় হালকা ঝাঁকুনি টের পাই। এরপর বুঝতে পারি ভূমিকম্প হচ্ছে।
তিনি বলেন, আগের দিন ৪ বার ভূমিকম্প হয়েছে। তাই ফের ভূমিকম্প টের পেয়েই আতঙ্কিত হয়ে বাসার সবাইকে ডেকে তুলি।
শনিবার দিনের বেলা ৪ দফা ভূমিকম্পের পর রাতে নগরীর পাঠানটুলা দর্জিপাড়ার পল্লবী ব্লক-সি এর ১৬ নম্বর ও ব্লক বি এর ৩ নম্বর বাসা কাত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।
বাসা দুইটি সামান্য কাত হলেও ভেতরে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
এ ব্যাপারে এসএমপির উপ-কমিশনার আজবাহার আলী শেখ জানান, বাসিন্দাদের অন্যত্র চলে যেতে বলা হয়েছে। এছাড়া ওই এলাকায় পুলিশের একটি টিমও সার্বক্ষণিক নজরদারি করছে।

দৈনিক দেশ নিউজ বিডি ডটকম ডেস্ক 

























