সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মাশরাফির কথা রাখলেন না এলাকাবাসী, বাড়িঘর ভাংচুরের অভিযোগ

এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার পাংখারচর গ্রামে বাড়িঘর ভাংচুর এবং টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকার দ্বন্দ্ব-সংঘাত নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মতুর্জা। কিন্তু তার কথা রাখেনি এলাকাবাসী।

রোববার রাত ১২টার দিকে পাংখারচর গ্রামের বুলবুল কাজী গ্রুপের পাঁচটি বাড়িতে প্রতিপক্ষের লোকজন ব্যাপক ভাংচুর এবং লুটপাট চালায় বলে অভিযোগ করেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

বুলবুল কাজীসহ তার লোকজন জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে প্রতিপক্ষ লিচু কাজীর লোকজন রাতের আঁধারে তাদের বাড়িঘরে হামলা চালায়। এ হামলায় পাঁচটি করে ফ্রিজ, টেলিভিশন ও ড্রেসিংটেবিল, চারটি শোকেস, দুটি করে আলমারি ও সোফাসেট ভাংচুর করা হয়। এছাড়া বুলবুল কাজীর ঘর থেকে দুই লাখ টাকা ও দুই ভরি স্বর্ণালংকার, লুলু কাজীর ঘর থেকে ৮৩ হাজার ৩০০ টাকা এবং চার ভরি স্বর্ণালংকার লুট করা হয়।

তবে বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাটের বিষয়টি অস্বীকার করে প্রতিপক্ষ বলেন, বুলবুল কাজীর লোকজন তাদের বাড়িঘর ভাংচুর করেছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসীরা জানান, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার ইতনা ইউনিয়নের পাংখারচর গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে বুলবুল কাজী ও লিচু কাজী গ্রুপের লোকজনের মধ্যে দ্বন্দ্ব-সংঘাত চলে আসছিল।
এই সংঘাত মেটাতে গত ১৮ মে বিকেলে ওই এলাকায় যান নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মতুর্জা। দু’পক্ষের লোকজনের উপস্থিতিতে এলাকার দ্বন্দ্ব-সংঘাত নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দেন তিনি। মাশরাফির সেই বক্তব্য বিভিন্ন গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এরপর মাত্র ১৩ দিনের ব্যবধানে নড়াইলের পাংখারচর এলাকায় আবার বাড়িঘর ভাংচুরের ঘটনা ঘটল।

এ ব্যাপারে লোহাগড়া থানার ওসি সৈয়দ আশিকুর রহমান বলেন, নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্যের উপস্থিতিতে আমরা পাংখারচর গ্রামের দ্বন্দ্ব-সংঘাত মেটাতে চেষ্টা করি। তবুও দু’পক্ষের মধ্যে বাড়িঘর ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে।

এ ঘটনায় সোমবার দুপুর পর্যন্ত থানায় কেউ অভিযোগ করেনি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

মাশরাফির কথা রাখলেন না এলাকাবাসী, বাড়িঘর ভাংচুরের অভিযোগ

প্রকাশিত সময় : ০৪:১০:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ মে ২০২১

এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার পাংখারচর গ্রামে বাড়িঘর ভাংচুর এবং টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকার দ্বন্দ্ব-সংঘাত নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মতুর্জা। কিন্তু তার কথা রাখেনি এলাকাবাসী।

রোববার রাত ১২টার দিকে পাংখারচর গ্রামের বুলবুল কাজী গ্রুপের পাঁচটি বাড়িতে প্রতিপক্ষের লোকজন ব্যাপক ভাংচুর এবং লুটপাট চালায় বলে অভিযোগ করেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

বুলবুল কাজীসহ তার লোকজন জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে প্রতিপক্ষ লিচু কাজীর লোকজন রাতের আঁধারে তাদের বাড়িঘরে হামলা চালায়। এ হামলায় পাঁচটি করে ফ্রিজ, টেলিভিশন ও ড্রেসিংটেবিল, চারটি শোকেস, দুটি করে আলমারি ও সোফাসেট ভাংচুর করা হয়। এছাড়া বুলবুল কাজীর ঘর থেকে দুই লাখ টাকা ও দুই ভরি স্বর্ণালংকার, লুলু কাজীর ঘর থেকে ৮৩ হাজার ৩০০ টাকা এবং চার ভরি স্বর্ণালংকার লুট করা হয়।

তবে বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাটের বিষয়টি অস্বীকার করে প্রতিপক্ষ বলেন, বুলবুল কাজীর লোকজন তাদের বাড়িঘর ভাংচুর করেছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসীরা জানান, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার ইতনা ইউনিয়নের পাংখারচর গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে বুলবুল কাজী ও লিচু কাজী গ্রুপের লোকজনের মধ্যে দ্বন্দ্ব-সংঘাত চলে আসছিল।
এই সংঘাত মেটাতে গত ১৮ মে বিকেলে ওই এলাকায় যান নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মতুর্জা। দু’পক্ষের লোকজনের উপস্থিতিতে এলাকার দ্বন্দ্ব-সংঘাত নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দেন তিনি। মাশরাফির সেই বক্তব্য বিভিন্ন গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এরপর মাত্র ১৩ দিনের ব্যবধানে নড়াইলের পাংখারচর এলাকায় আবার বাড়িঘর ভাংচুরের ঘটনা ঘটল।

এ ব্যাপারে লোহাগড়া থানার ওসি সৈয়দ আশিকুর রহমান বলেন, নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্যের উপস্থিতিতে আমরা পাংখারচর গ্রামের দ্বন্দ্ব-সংঘাত মেটাতে চেষ্টা করি। তবুও দু’পক্ষের মধ্যে বাড়িঘর ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে।

এ ঘটনায় সোমবার দুপুর পর্যন্ত থানায় কেউ অভিযোগ করেনি।