বাগমারা (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ রাজশাহীর বাগমারার গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের রামরামা গ্রামে। এরশাদ আলী (৩৫) নামের এক যুবকের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্নহত্যার বিষয়টি রহস্যজনক মনে করছেন এলাকার লোকজন । এতে এলাকাবাসির মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিবেসীরা বলছেন, স্ত্রীর পরকীয়ার কারনে তাকে হত্যা করা হতে পারে। গতকাল ১ই জুন খরাদীপাড়া গ্রামে এই রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
এরশাদ আলীর জন্মস্থান রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার তেবিলা গ্রামে হলেও তিনি বাগমারা উপজেলার গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের রামরামা গ্রামে বড় হয়েছেন।
বাগমারা থানার পুলিশ ও এলাকার লোকজন জানান, অল্প বয়সে এরশাদ আলী তার মা-বাবাকে হারিয়ে দুর্গাপুর তেবিলা গ্রাম থেকে বাগমারার খরাদীপাড়ায় বোনের বাড়িতে বসবাস করেন। এরশাদ আলীর বোন ও জামাই মিলে অাট বছর পূর্বে পুঠিয়া উপজেলার নিমপাড়া হলহলা গ্রামের জনৈক ব্যক্তির কন্যার সাথে বিবাহ দেয়। বিয়ের পর তাদের ঘরে দুইটি পুত্র সন্তান জন্ম নেয়। স্বামী এরশাদ আলী পেশায় ইট ভাটার শ্রমিক।
ঘটনাসূত্রে জানা যায়, খরাদীপাড়া এলাকার জনৈক ব্যক্তি এরশাদের স্ত্রীর সাথে জোরপূর্বক পরোকিয়ার সম্পর্ক গড়ে তোলে বলে জানায় নিহতের স্ত্রী। এরপর নিয়মিত এই কুকর্ম চলতে থাকে।
বিষয়টি স্বামী এরশাদ আলীর নজরে আসলে তিনি স্ত্রীকে শাসন করেন। অভিমানে তার স্ত্রী পাশ্ববর্তী এরশাদের বোনের বাড়িতে চলে যায়। এরশাদ আলী নিতে গেলে স্ত্রী আসবেনা বলে তাকে সাফ জানিয়ে দেয়। সেখান থেকে ফিরে এসে সবার অজান্তে এরশাদ আলী তার রামরামার বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্নহত্যা করে। গলায় ফাঁস দিয়ে লাশটি ঝুলে থাকার দৃশ্য দেখে এলাকার লোকজন ও পুলিশের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে । অনেকেই ধারনা করছেন, এরশাদ আলীকে হত্যা করে লাশটি কেউ তার বাড়িতে ঝুলিয়ে রেখে গেছে । খবর পেয়ে বাগমারা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এরশাদ আলীর লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। ময়না তদন্ত শেষে লাশ রামরামার খরাদীপাড়া পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে বাগমারা থানার ওসি মোস্তাক আহম্মেদ বলেন,গলায় ফাঁস দিয়ে এরশাদ আলীর মৃত্যু হয়েছে , নাকি হত্যা ? সেটা ময়না তদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে জানা যাবে।

মোঃ আশরাফুল ইসলাম ফরাসি ,বাগমারা, 
























