শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বীরগঞ্জে ম্যাজিস্ট্রেট ঠেকালেন বাল্যবিবাহ, জরিমানা আদায়

বীরগঞ্জে ম্যাজিস্ট্রেট ঠেকালেন বাল্যবিবাহ, জরিমানা আদায়

দিনাজপুরের বীরগঞ্জে ম্যাজিস্ট্রেট বাড়িতে গিয়ে বাল্যবিবাহ বন্ধ করেছেন।

কিশোরীর বিয়ের আয়োজন করায় বরের মুচলেকা ও উভয় পক্ষের ৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ডালিম সরকার শুক্রবার সন্ধ্যা ৬ টার দিকে পুলিশের একটি দল নিয়ে নাবালিকার বাল্যবিবাহটি বন্ধ করেন।

নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট মো. ডালিম সরকার জানায়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল কাদের স্যারের কাছে খবর আসে একটি বাড়িতে বাল্যবিবাহের প্রস্তুতির।

এ সময় আমি বীরগঞ্জ থানার পুলিশের একটি দল গিয়ে ভোগনগর ইউনিয়নের দক্ষিণ প্রাণনগর এলাকায় অপ্রাপ্তবয়স্ক এক মেয়েকে বিয়ে দেয়া হচ্ছে। অল্প সময়ের মধ্যে সেই বাড়িতে গিয়ে তাৎক্ষণিক বাল্য বিবাহটি বন্ধ করা হয়।

এ সময় উভয় পক্ষের নিকট থেকে ৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় এবং কনে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিবাহ না করার জন্য বর পাল্টাপুর ইউনিয়নের মধুবনপুর গ্রামের আব্দুল কালামের ছেলে মাইউদ্দীনের কাছ থেকে মুচলেকা নেয়া হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বীরগঞ্জে ম্যাজিস্ট্রেট ঠেকালেন বাল্যবিবাহ, জরিমানা আদায়

প্রকাশিত সময় : ০৭:৪৮:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুন ২০২১

দিনাজপুরের বীরগঞ্জে ম্যাজিস্ট্রেট বাড়িতে গিয়ে বাল্যবিবাহ বন্ধ করেছেন।

কিশোরীর বিয়ের আয়োজন করায় বরের মুচলেকা ও উভয় পক্ষের ৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ডালিম সরকার শুক্রবার সন্ধ্যা ৬ টার দিকে পুলিশের একটি দল নিয়ে নাবালিকার বাল্যবিবাহটি বন্ধ করেন।

নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট মো. ডালিম সরকার জানায়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল কাদের স্যারের কাছে খবর আসে একটি বাড়িতে বাল্যবিবাহের প্রস্তুতির।

এ সময় আমি বীরগঞ্জ থানার পুলিশের একটি দল গিয়ে ভোগনগর ইউনিয়নের দক্ষিণ প্রাণনগর এলাকায় অপ্রাপ্তবয়স্ক এক মেয়েকে বিয়ে দেয়া হচ্ছে। অল্প সময়ের মধ্যে সেই বাড়িতে গিয়ে তাৎক্ষণিক বাল্য বিবাহটি বন্ধ করা হয়।

এ সময় উভয় পক্ষের নিকট থেকে ৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় এবং কনে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিবাহ না করার জন্য বর পাল্টাপুর ইউনিয়নের মধুবনপুর গ্রামের আব্দুল কালামের ছেলে মাইউদ্দীনের কাছ থেকে মুচলেকা নেয়া হয়।