আগামী ১৯ জুন থেকে ফাইজার-সিনোফার্মের টিকা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, আগামী ১৯ জুন থেকে দেশে চীনের সিনোফার্ম ও বেলজিয়ামের তৈরি ফাইজারের টিকাদান শুরু হবে।
সোমবার (১৪ জুন) মহাখালীতে মায়ের মৃত্যুতে দোয়া মাহফিলে অংশ নেওয়ার পর স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য দেন।
এর আগে, একই দিন মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদফতরে সাংবাদিকদের কাছে অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম বলেন, দেশে আগামী সপ্তাহ থেকে ফাইজার-বায়োএনটেক এবং সিনোফার্মের তৈরি করোনার টিকা দেওয়া শুরু হবে। টিকার জন্য ইতোমধ্যে যারা নিবন্ধন করেছেন, তাদেরই এ টিকা দেওয়া হবে। টিকা দেওয়ার সময় এবং তারিখ মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। টিকার জন্য নিবন্ধন আপাতত বন্ধই থাকবে। পর্যাপ্ত টিকা হাতে এলে তখন আবার নতুনদের নিবন্ধন শুরু হবে।
টিকার আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম কোভ্যাক্স থেকে মার্কিন ওষুধ কোম্পানি ফাইজার ও জার্মান জৈবপ্রযুক্তি কোম্পানি বায়োএনটেকের তৈরি ফাইজারের ১ লাখ ৬২০ ডোজের টিকা চালান দেশে এসেছে গত ৩১ মে। আর চীনের উপহার হিসেবে পাঠানো ১১ লাখ ডোজ সিনোফার্মের টিকা ১২ মে এবং ১৩ জুনের দুই চালানে বাংলাদেশে পৌঁছায়।
স্বাস্থ্য অধিদফতর মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম বলেন, নির্দিষ্ট তারিখ আমরা এখনও ঘোষণা করি নাই। প্ল্যানটা করে নিই, আশা করছি আগামী সপ্তাহ থেকে এই টিকা দেওয়া শুরু করতে পারব।
তিনি জানান, আইসিটি একটা বিশেষ ব্যবস্থা করবে, যাতে মেডিকেল শিক্ষার্থীদেরকে জাতীয় সুরক্ষা সিস্টেমে রেজিস্ট্রেশন করানো যায়। বিষয়টি নিয়ে উনারা কাজ করছেন। আমরা আশা করছি এটা হয়ে যাবে।
গত ৭ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড টিকা দিয়ে গণটিকাদান শুরু হয়। ভারত থেকে এ পর্যন্ত ১ কোটি ২ লাখ ডোজ টিকা এসেছে বাংলাদেশে। তিন কোটি ডোজ টিকা আসার কথা থাকলেও মার্চে টিকা রপ্তানি বন্ধ করে দেয় ভারত। পর্যাপ্ত টিকা না থাকায় দেশে প্রথম ডোজ দেওয়া বন্ধ রয়েছে।
ইতোমধ্যে যারা প্রথম ডোজ পেয়েছেন, তাদের সবাইকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার মতো অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকাও হাতে নেই। কোভ্যাক্স থেকে শিগগিরই ১০ লাখের বেশি অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা আসবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

দৈনিক দেশ নিউজ বিডি ডটকম ডেস্ক 





















