মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীতে ধসে পড়েছে চারতলা ভবন

রাজশাহীতে ধসে পড়েছে চারতলা ভবন

রাজশাহী মহানগরীতে ভেঙ্গে মাটিতে মিশে গেছে একটি নির্মাণাধীন চারতলা ভবন। আজ রোববার বেলা ৩টার দিকে নগরীর কয়েরদাঁড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভবনটিতে কেউ না থাকায় হতাহতের কোন ঘটনা ঘটেনি। তবে চাপা পড়েছে কয়েকটি প্রাইভেটকার।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের রাজশাহী সদর স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আবদুর রউফ জানান, ভবনটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৮০ ফুট। প্রস্থে ছিল ৪০ ফুট। চারতলা পর্যন্ত নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছিল। ওপরে আরেকতলা তোলার জন্য বিম ওঠানো হয়েছিল। অত্যন্ত নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে ভবনটি নির্মাণ করা হচ্ছিল। এ কারণে ভবনটি ভেঙ্গে পড়েছে।
জানা গেছে, ভবনটির মালিক ছিলেন আক্তারুজ্জামান বাবলু নামের এক ব্যবসায়ী। প্রায় এক বছর আগে তিনি মারা গেছেন। এখন ভবনের মালিকানায় আছেন তার ছোট ভাই নুরুজ্জামান পিটার। তবে আক্তারুজ্জামান বাবলুর মৃত্যুর পর থেকে ভবনটিতে আর কাজ হয়নি।
ভবন মালিকের ব্যবস্থাপক তোফাজ্জল হোসেন মডি দাবি করেন, ভালমানের সামগ্রীই ব্যবহার করা হয়েছিল। তিনি বলেন, ভবন আগেই নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু কেউ থাকত না।’ রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (আরডিএ) কাছ থেকে এই ভবনটির নকশার অনুমোদন নেয়া হয়েছিল কিনা তা তিনি জানেন না।
ফায়ার সার্ভিসের রাজশাহী স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আবদুর রউফ বলেন, ভবনের নকশা অনুমোদন ছিল কিনা, কোন ধরনের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার হয়েছিল- এসব তারা তদন্ত করে দেখবেন।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

রাজশাহীতে ধসে পড়েছে চারতলা ভবন

প্রকাশিত সময় : ০৫:৩২:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ জুন ২০২১
রাজশাহী মহানগরীতে ভেঙ্গে মাটিতে মিশে গেছে একটি নির্মাণাধীন চারতলা ভবন। আজ রোববার বেলা ৩টার দিকে নগরীর কয়েরদাঁড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভবনটিতে কেউ না থাকায় হতাহতের কোন ঘটনা ঘটেনি। তবে চাপা পড়েছে কয়েকটি প্রাইভেটকার।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের রাজশাহী সদর স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আবদুর রউফ জানান, ভবনটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৮০ ফুট। প্রস্থে ছিল ৪০ ফুট। চারতলা পর্যন্ত নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছিল। ওপরে আরেকতলা তোলার জন্য বিম ওঠানো হয়েছিল। অত্যন্ত নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে ভবনটি নির্মাণ করা হচ্ছিল। এ কারণে ভবনটি ভেঙ্গে পড়েছে।
জানা গেছে, ভবনটির মালিক ছিলেন আক্তারুজ্জামান বাবলু নামের এক ব্যবসায়ী। প্রায় এক বছর আগে তিনি মারা গেছেন। এখন ভবনের মালিকানায় আছেন তার ছোট ভাই নুরুজ্জামান পিটার। তবে আক্তারুজ্জামান বাবলুর মৃত্যুর পর থেকে ভবনটিতে আর কাজ হয়নি।
ভবন মালিকের ব্যবস্থাপক তোফাজ্জল হোসেন মডি দাবি করেন, ভালমানের সামগ্রীই ব্যবহার করা হয়েছিল। তিনি বলেন, ভবন আগেই নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু কেউ থাকত না।’ রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (আরডিএ) কাছ থেকে এই ভবনটির নকশার অনুমোদন নেয়া হয়েছিল কিনা তা তিনি জানেন না।
ফায়ার সার্ভিসের রাজশাহী স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আবদুর রউফ বলেন, ভবনের নকশা অনুমোদন ছিল কিনা, কোন ধরনের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার হয়েছিল- এসব তারা তদন্ত করে দেখবেন।