সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আজ দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতেও জয় চাই বাংলাদেশের

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আজ দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মাঠে নামবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে বিকাল ৪টায় ম্যাচটি শুরু হবে।

টি স্পোর্টস এবং গাজী টিভি সরাসরি ম্যাচটি সম্প্রচার করবে। প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ডকে ৭ উইকেটে হারিয়ে ৫ ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডকে হারানোর সুবাদে টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ে ১০ থেকে ৭ তে উন্নতি করেছে রাসেল ডমিঙ্গোর শিষ্যরা। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪-১ গোলে জয়ী বাংলাদেশ এবার টি-টোয়েন্টি সিরিজে কিউইদের হোয়াইটওয়াশ করতে পারলে প্রথমবারের মতো যে কোনো ফরমেটের র‌্যাঙ্কিংয়ে পাঁচে উঠে আসবে। র‌্যাঙ্কিংয়ের উন্নতির জন্য প্রতিপক্ষকে ঘায়েলের জন্য স্লো উইকেট তৈরি করায় অনেকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সমালোচনা করেন। আগামী ১৭ অক্টোবর সংযুক্ত আরব আমিরাতে হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। সংযুক্ত আরব সংযুক্ত আরব আমিরাতের

প্রধান তিনটি ভেন্যু দুবাই, আবুধাবি এবং শারজার উইকেট স্পোর্টিং। বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে স্পোর্টিং উইকেট তৈরি করলে টাইগারদের প্রস্তুতি ভালো হতো বলে অনেকে মন্তব্য করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র জুনায়েদ হোসেন বলেন, টি-টোয়েন্টি ম্যাচ মানে চার-ছয়ের খেলা। ধুমধাড়াক্কা ম্যাচ। রান উঠবে দুইশ প্লাস। মিরপুরে আমরা কি দেখছি অস্ট্রেলিয়া ৬০ রানে নিউজিল্যান্ড ৬২ রানে গুঁড়িয়ে গেছে। টাইগাররা ৬০ রানের জবাবে খেলতে নেমে ৩ উইকেট হারিয়ে বসছে। স্লো উইকেটে এমনটি ঘটবে। নিউজিল্যান্ড যে দলটি পাঠিয়েছে তাদের বিপক্ষে স্পোর্টিং উইকেটে খেলা হলে টাইগাররা সিরিজ জয়ের সঙ্গে বিশ্বকাপের প্রস্তুতিও নিতে পারত।

এবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে বাছাই পর্বের বাধা পেরিয়ে মূল পর্বে খেলতে হবে। ওমানে ১৭ সেপ্টেম্বর বাছাইপর্বের নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে, ১৯ সেপ্টেম্বর স্বাগতিক ওমান এবং ২১ সেপ্টেম্বর পাপুয়া নিউগিনির মোকাবিলা করবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। টাইগাররা শতভাগ নিশ্চিত তারা বাছাইপর্বের বাধা পেরিয়ে বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলবে। মূলপর্বে ভালো ফলাফল করার প্রত্যয় আগামী ১৭ অক্টোবর সংযুক্ত আরব আমিরাতে হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আসরে অংশ নিতে আগামী ৪ অক্টোবর দেশ ছাড়বে টাইগাররা। বিশ্বকাপের মূলপর্বে নামার আগে টাইগাররা দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবেন বলে জানিয়েছেন বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান আকরাম খান। গতকাল তিনি জানান, আমরা ৪ অক্টোবর ওমানে যাব। সেখানে অনুশীলন করব। ওমান থেকে দুবাইয়ে এসে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলব। সবকিছু ঠিক আছে। প্রস্তুতি ম্যাচের প্রতিপক্ষ নিয়ে আকরাম বলেন, একটি দল শ্রীলঙ্কা। আরেকটি দল দেখতে হবে। দুইটি প্রস্তুতি ম্যাচ আমরা খেলছি, আইসিসির সূচি অনুযায়ীই।

মিরপুরের উইকেট সম্পর্কে জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার এবং নির্বাচক আবদুর রাজ্জাক বলেন, ঘরের মাঠে উইকেটের সুবিধা নেয় প্রতিটি দেশ। কন্ডিশনের সুবিধা নেয়া অন্যায় নয়। আমরা যখন দেশের বাইরে খেলতে যাই আমাদের প্রতিপক্ষরা তখন তাদের অনুকূলে উইকেট বানায়। তখন কেউ কোনো কথা বলে না।

বেসরকারি ব্যাংকে চাকরিজীবী আমিনুল ইসলাম বলেন, ২০ ওভারের ম্যাচে ১৫০ থেকে ২০০ রান না হলে ম্যাচ দেখে তৃপ্তি পাওয়া যায় না। টি-টোয়েন্টির মজাই হলো চার-ছক্কা। মারমুখী ব্যাটিং দেখে সমর্থকরা আনন্দ পায়। ঘরের মাঠে টাইগাররা জয় পাচ্ছে ঠিকই কিন্তু রান পাচ্ছে না। স্পোর্টিং উইকেট হলে রানের ফোয়ারা ছুটতো। স্লো উইকেট বানানোর দায়ে মিরপুরের হেড কিউরেটর গামিনি ডি সিলভাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো উচিত।

মিরপুরের উইকেট নিয়ে যখন এত কথা তখন বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান বলেন, ‘সমস্যা হচ্ছে একই মাঠে খেলায়। আমরা চেয়েছিলাম দুইটি ভেন্যুতে যাতে খেলা হয়। ওরাই চেয়েছে একটা ভেন্যুতে খেলতে। ওরা এখানেই খেলবে, এর বাইরে যাবে না। কিছু দিন আগে অস্ট্রেলিয়া খেলে গেছে, এখন নিউজিল্যান্ড খেলছে। উইকেটেরও তো বিশ্রামের প্রয়োজন আছে। সবকিছু বিবেচনায় রাখতে হবে। আমরা অনুরোধ করেছি আরো ভালো উইকেট রাখার।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ষষ্ঠ বারের মতো হাল্ট প্রাইজ’র গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত

আজ দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতেও জয় চাই বাংলাদেশের

প্রকাশিত সময় : ১০:৫৬:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আজ দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মাঠে নামবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে বিকাল ৪টায় ম্যাচটি শুরু হবে।

টি স্পোর্টস এবং গাজী টিভি সরাসরি ম্যাচটি সম্প্রচার করবে। প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ডকে ৭ উইকেটে হারিয়ে ৫ ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডকে হারানোর সুবাদে টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ে ১০ থেকে ৭ তে উন্নতি করেছে রাসেল ডমিঙ্গোর শিষ্যরা। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪-১ গোলে জয়ী বাংলাদেশ এবার টি-টোয়েন্টি সিরিজে কিউইদের হোয়াইটওয়াশ করতে পারলে প্রথমবারের মতো যে কোনো ফরমেটের র‌্যাঙ্কিংয়ে পাঁচে উঠে আসবে। র‌্যাঙ্কিংয়ের উন্নতির জন্য প্রতিপক্ষকে ঘায়েলের জন্য স্লো উইকেট তৈরি করায় অনেকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সমালোচনা করেন। আগামী ১৭ অক্টোবর সংযুক্ত আরব আমিরাতে হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। সংযুক্ত আরব সংযুক্ত আরব আমিরাতের

প্রধান তিনটি ভেন্যু দুবাই, আবুধাবি এবং শারজার উইকেট স্পোর্টিং। বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে স্পোর্টিং উইকেট তৈরি করলে টাইগারদের প্রস্তুতি ভালো হতো বলে অনেকে মন্তব্য করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র জুনায়েদ হোসেন বলেন, টি-টোয়েন্টি ম্যাচ মানে চার-ছয়ের খেলা। ধুমধাড়াক্কা ম্যাচ। রান উঠবে দুইশ প্লাস। মিরপুরে আমরা কি দেখছি অস্ট্রেলিয়া ৬০ রানে নিউজিল্যান্ড ৬২ রানে গুঁড়িয়ে গেছে। টাইগাররা ৬০ রানের জবাবে খেলতে নেমে ৩ উইকেট হারিয়ে বসছে। স্লো উইকেটে এমনটি ঘটবে। নিউজিল্যান্ড যে দলটি পাঠিয়েছে তাদের বিপক্ষে স্পোর্টিং উইকেটে খেলা হলে টাইগাররা সিরিজ জয়ের সঙ্গে বিশ্বকাপের প্রস্তুতিও নিতে পারত।

এবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে বাছাই পর্বের বাধা পেরিয়ে মূল পর্বে খেলতে হবে। ওমানে ১৭ সেপ্টেম্বর বাছাইপর্বের নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে, ১৯ সেপ্টেম্বর স্বাগতিক ওমান এবং ২১ সেপ্টেম্বর পাপুয়া নিউগিনির মোকাবিলা করবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। টাইগাররা শতভাগ নিশ্চিত তারা বাছাইপর্বের বাধা পেরিয়ে বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলবে। মূলপর্বে ভালো ফলাফল করার প্রত্যয় আগামী ১৭ অক্টোবর সংযুক্ত আরব আমিরাতে হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আসরে অংশ নিতে আগামী ৪ অক্টোবর দেশ ছাড়বে টাইগাররা। বিশ্বকাপের মূলপর্বে নামার আগে টাইগাররা দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবেন বলে জানিয়েছেন বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান আকরাম খান। গতকাল তিনি জানান, আমরা ৪ অক্টোবর ওমানে যাব। সেখানে অনুশীলন করব। ওমান থেকে দুবাইয়ে এসে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলব। সবকিছু ঠিক আছে। প্রস্তুতি ম্যাচের প্রতিপক্ষ নিয়ে আকরাম বলেন, একটি দল শ্রীলঙ্কা। আরেকটি দল দেখতে হবে। দুইটি প্রস্তুতি ম্যাচ আমরা খেলছি, আইসিসির সূচি অনুযায়ীই।

মিরপুরের উইকেট সম্পর্কে জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার এবং নির্বাচক আবদুর রাজ্জাক বলেন, ঘরের মাঠে উইকেটের সুবিধা নেয় প্রতিটি দেশ। কন্ডিশনের সুবিধা নেয়া অন্যায় নয়। আমরা যখন দেশের বাইরে খেলতে যাই আমাদের প্রতিপক্ষরা তখন তাদের অনুকূলে উইকেট বানায়। তখন কেউ কোনো কথা বলে না।

বেসরকারি ব্যাংকে চাকরিজীবী আমিনুল ইসলাম বলেন, ২০ ওভারের ম্যাচে ১৫০ থেকে ২০০ রান না হলে ম্যাচ দেখে তৃপ্তি পাওয়া যায় না। টি-টোয়েন্টির মজাই হলো চার-ছক্কা। মারমুখী ব্যাটিং দেখে সমর্থকরা আনন্দ পায়। ঘরের মাঠে টাইগাররা জয় পাচ্ছে ঠিকই কিন্তু রান পাচ্ছে না। স্পোর্টিং উইকেট হলে রানের ফোয়ারা ছুটতো। স্লো উইকেট বানানোর দায়ে মিরপুরের হেড কিউরেটর গামিনি ডি সিলভাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো উচিত।

মিরপুরের উইকেট নিয়ে যখন এত কথা তখন বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান বলেন, ‘সমস্যা হচ্ছে একই মাঠে খেলায়। আমরা চেয়েছিলাম দুইটি ভেন্যুতে যাতে খেলা হয়। ওরাই চেয়েছে একটা ভেন্যুতে খেলতে। ওরা এখানেই খেলবে, এর বাইরে যাবে না। কিছু দিন আগে অস্ট্রেলিয়া খেলে গেছে, এখন নিউজিল্যান্ড খেলছে। উইকেটেরও তো বিশ্রামের প্রয়োজন আছে। সবকিছু বিবেচনায় রাখতে হবে। আমরা অনুরোধ করেছি আরো ভালো উইকেট রাখার।