নির্বাচন কমিশন গঠনের আগে একটি নিরপেক্ষ সরকার চায় বিএনপি। দলটি মনে করে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন করা সম্ভব। আর তেমন একটি নির্বাচন কমিশনের অধীনেই অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট হতে পারে। না হলে আওয়ামী লীগ সার্চ কমিটি করুক বা নতুন আইনই করুক, তাতে একটি গ্রহণযোগ্য ইসি গঠন হবে না। সুষ্ঠু ভোটের পথ সুগম হবে না।
দলীয় সূত্রমতে, নির্বাচনকালীন সরকার ও নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বসতে চায় বিএনপি। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠক হলে সেখানে নিরপেক্ষ সরকারের প্রস্তাবের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন গঠনের প্রস্তাব তুলে ধরবেন দলের নীতিনির্ধারকরা। এর আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও বিশিষ্ট নাগরিকদের সঙ্গে সংলাপের চিন্তাভাবনা করছে বিএনপি। নিরপেক্ষ সরকার ও নির্বাচন কমিশন গঠন ইস্যুতে রাজনৈতিক দলগুলোকে চিঠি দেওয়া হবে। এসব বিষয়ে দলীয় অবস্থান তুলে ধরে শিগগিরই সংবাদ সম্মেলন করবেন বিএনপির নীতিনির্ধারকরা।
সর্বশেষ ২০১৭ সালে সার্চ কমিটির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়। আগামী বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের এ কমিশনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এর আগেই নতুন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারদের নাম চূড়ান্ত করতে হবে। বর্তমান নির্বাচন কমিশন গঠনের আগে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি দিয়েছিল বিএনপি। পরে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপেও বসেছিল তারা। যদিও ওই বৈঠক ফলপ্রসূ হয়নি দাবি বিএনপির।
এ প্রসঙ্গে গতকাল বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আমরা নির্বাচন কমিশন গঠন ইস্যুতে স্থায়ী সমাধান চাই। তবে এর আগে নিরপেক্ষ সরকার চাই যাদের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে। সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানে এ সমাধান হতে হবে। এজন্য দেশের গণতান্ত্রিক সব রাজনৈতিক দল ও বিশিষ্ট নাগরিকদের মতামত নিতে হবে। কাজটি এমনভাবে করতে হবে যা সবার কাছেই গ্রহণযোগ্য হয়। বিগত দিনের মতো একতরফা হলে কেউ মেনে নেবে না।’

দৈনিক দেশ নিউজ বিডি ডটকম ডেস্ক 




















