রবিবার দুপুরে উপজেলার বাহ্রা ইউনিয়নের বলমন্ত চর সেতুর ঢালে হযরত আলীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে হযরত আলী ও তার স্ত্রী জহুরা বেগম পলাতক রয়েছেন।
আহত পপি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার ডহর মন্ডল গ্রামের মহরম আলীর মেয়ে ও নিজামুদ্দিনের স্ত্রী বলে জানা গেছে। নিহত রুনা একই উপজেলার বাসিন্দা। তাৎক্ষণিকভাবে তার বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানায়, হযরত আলীর স্ত্রী জহুরা বেগম রবিবার সকালে করোনার টিকা দিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের লাইনে দাঁড়ান। ভিড়ের মধ্যে বেলা ১১টার দিকে জহুরা বেগম তার গলায় থাকা স্বর্ণের চেন দেখতে না পেয়ে পাশে দাঁড়ানো দুই নারীকে সন্দেহজনকভাবে আটক করেন। জহুরা বেগম তার স্বামী হযরত আলীকে খবর দিলে ওই দুই নারীকে ধরে বাড়ি নিয়ে যান। এ ঘটনায় বাড়িতে আরো লোকজন জড়ো হয়ে দলবদ্ধ পিটুনির একপর্যায়ে এক নারী ঘটনাস্থলে মারা যান। অন্যজনের অবস্থা খারাপ হলে তাকে দ্রুত নবাবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করা হয়।
সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ও থানার অন্যান্য কর্মকর্তারা। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক মৃত্যুঞ্জয় কির্তনীয়া জানান, সুরতহাল শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠানো প্রক্রিয়াধীন। নিহত ও আহত নারী একই এলাকার বাসিন্দা। নিহতের নাম জানা গেলেও বিস্তারিত জানা যায়নি। এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান।

দৈনিক দেশ নিউজ বিডি ডটকম ডেস্ক 




















