শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীতে শেখ রাসেল দিবস উদযাপন

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শুধু শিশু রাসেলকে হত্যা করা হয়নি, সেদিন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের স্বপ্নকে হত্যা করা হয়েছে। ঘাতকরা চেয়েছিল এ দেশে যেন আর কখনো মুক্তিযুদ্ধের কথা, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও চেতনার কথা উচ্চারণ করা না হয়। আমরা শিশু রাসেলকে হারিয়েছি, কিন্তু তাঁর স্বপ্নকে হারিয়ে যেতে দেব না। আজকে শেখ রাসেলের জন্মদিবসে আমরা সেই শপথ নিই।’

সোমবার(১৮ অক্টোবর) জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে শেখ রাসেল দিবস  উদযাপন উপলক্ষে রাজশাহী বিভাগীয় প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথি বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. হুমায়ুন কবীর এসব কথা বলেন।

বিভাগীয় কমিশনার বলেন, আগামীর স্বপ্নের সোনার বাংলা যাদের মাধ্যমে রচিত হবে, তাদেরকে নিরাপদ রাখতে হবে। তাদের জন্য নিরাপদ, উন্নত ও বাসযোগ্য একটি বাংলাদেশ রেখে যেতে হবে।

এ বছরে প্রথমবারের মত উদযাপিত শেখ রাসেল দিবসের প্রতিপাদ্য হল- ‘শেখ রাসেল দীপ্ত জয়োল্লাস, অদম্য আত্মবিশ্বাস। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শাহ্ আজম।

জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো. আব্দুল বাতেন, বিপিএম, পিপিএম; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. মজিদ আলী, বিপিএম; অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আশরাফ আলী, রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহীন আক্তার রেণী ও বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক এ.কে.এম সরোয়ার জাহান।

 

সেমিনারের পাশািপাশি শেখ রাসেল দিবস ২০২১ উদযাপনে বিভাগীয় প্রশাসনের ছিল নানা কর্মসূচি। দিনের শুরুতে জেলা শিল্পকলা একাডেমী প্রাঙ্গণে স্থাপিত শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন দপ্তর ও সরকারি-বেসরকারি সংগঠনের পক্ষ থেকে পুস্পস্তবক অর্পন করা হয়। এরপর বিভাগীয় কমিশনার শিশুদের নিয়ে শেখ রাসেলের জন্মদিনের কেক কাটেন।

পরে দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসন আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। শেষে ছোট সোনামণিদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে বিভিন্ন সরকারি -বেসরকারি দপ্তরের প্রধানগণ, সুধীজন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক- শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

রাজশাহীতে শেখ রাসেল দিবস উদযাপন

প্রকাশিত সময় : ০৯:১৯:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শুধু শিশু রাসেলকে হত্যা করা হয়নি, সেদিন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের স্বপ্নকে হত্যা করা হয়েছে। ঘাতকরা চেয়েছিল এ দেশে যেন আর কখনো মুক্তিযুদ্ধের কথা, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও চেতনার কথা উচ্চারণ করা না হয়। আমরা শিশু রাসেলকে হারিয়েছি, কিন্তু তাঁর স্বপ্নকে হারিয়ে যেতে দেব না। আজকে শেখ রাসেলের জন্মদিবসে আমরা সেই শপথ নিই।’

সোমবার(১৮ অক্টোবর) জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে শেখ রাসেল দিবস  উদযাপন উপলক্ষে রাজশাহী বিভাগীয় প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথি বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. হুমায়ুন কবীর এসব কথা বলেন।

বিভাগীয় কমিশনার বলেন, আগামীর স্বপ্নের সোনার বাংলা যাদের মাধ্যমে রচিত হবে, তাদেরকে নিরাপদ রাখতে হবে। তাদের জন্য নিরাপদ, উন্নত ও বাসযোগ্য একটি বাংলাদেশ রেখে যেতে হবে।

এ বছরে প্রথমবারের মত উদযাপিত শেখ রাসেল দিবসের প্রতিপাদ্য হল- ‘শেখ রাসেল দীপ্ত জয়োল্লাস, অদম্য আত্মবিশ্বাস। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শাহ্ আজম।

জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো. আব্দুল বাতেন, বিপিএম, পিপিএম; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. মজিদ আলী, বিপিএম; অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আশরাফ আলী, রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহীন আক্তার রেণী ও বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক এ.কে.এম সরোয়ার জাহান।

 

সেমিনারের পাশািপাশি শেখ রাসেল দিবস ২০২১ উদযাপনে বিভাগীয় প্রশাসনের ছিল নানা কর্মসূচি। দিনের শুরুতে জেলা শিল্পকলা একাডেমী প্রাঙ্গণে স্থাপিত শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন দপ্তর ও সরকারি-বেসরকারি সংগঠনের পক্ষ থেকে পুস্পস্তবক অর্পন করা হয়। এরপর বিভাগীয় কমিশনার শিশুদের নিয়ে শেখ রাসেলের জন্মদিনের কেক কাটেন।

পরে দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসন আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। শেষে ছোট সোনামণিদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে বিভিন্ন সরকারি -বেসরকারি দপ্তরের প্রধানগণ, সুধীজন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক- শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।