বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ভাস্বর বঙ্গবন্ধুর সংবিধান ফিরিয়ে দিন ‘মওদুদিবাদ’,

ওহাবিবাদ’ ও ধর্মের নামে রাজনীতি অবিলম্বে বন্ধ করুন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নের লক্ষে অবিলম্বে ‘সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন’ ও জাতীয় সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন গঠন করুন। এ সকল দাবী কে সামনে রেখে দেশব্যাপী পরিকল্পিত সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটি রাজশাহী জেলা ও মহানগর আজ ২৪এ অক্টোবর, বিকাল ৪টা ৩০মিনিট এ রাজশাহী সাহেব বাজার জিরোপয়েন্টে মানববন্ধন ও সমাবেশ কর্মসূচি পালন করে।
একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটি রাজশাহী মহানগরের নির্বাহী সভাপতি সুজিত সরকারের সভাপতিত্বে ও মহানগর নির্বাহী সদস্য ছাত্র নেতা তামিম শিরাজীর সঞ্চালনায় সমাবেশ টি পরিচালিত হয়। সমাবেশে বক্তারা বলেন, “বাংলাদেশ আজ যখন একটি মর্যাদাশীল জাতি হিসেবে বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে তখন একাত্তরে পরাজিত শক্তি ও জনগণের প্রত্যাখ্যাত একটি মহল বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন ছিল একটি অসম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও বৈষাম্যহীন বাংলাদেশ, যেখানে প্রতিটি মানুষ তার সমান অধিকার ও মর্যাদা নিয়ে বসবাস করবে। বক্তারা আরও বলেন, “সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিষদাঁত ভেঙে দেওয়া হবে, এদেশে তাদের মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দেওয়া হবে না। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে’৭২ এর সংবিধানের অপরিহার্যতা অনিস্বীকার্য।
এই চেতনা বাস্তবায়নে’৭২ এর সংবিধানের চার মূলনীতি গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, বাঙ্গালী জাতীয়বাদ ও সমাজতন্ত্র পূনঃপ্রতিষ্ঠা করার কোনো বিকল্প নেই।” সমাবেশে বক্তব্য রাখেন: একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটি, কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ কামরুজ্জামান, বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি, রাজশাহী জেলার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাক্ষ রাজকুমার সরকার, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটি রাজশাহী জেলার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান আলী বরজাহান, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের রাজশাহী মহানগরের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল ঘোষ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট রাজশাহীর সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার ঘোষ, রাজশাহী প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি সিদ্ধার্থ শংকর সাহা, সেক্টর কমান্ডার ফোরাম রাজশাহী মহানগর এর সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান উজ্জ্বল, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ রাজশাহী জেলার সাধারণ সম্পাদক অন্জনা সরকার, স্টুডেন্ট ফ্রন্ট নির্মুল কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইখতিয়ার প্রামানিক। এ ছাড়াও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, নির্মুল কমিটির মহিলা ইউনিট এর সাধারণ সম্পাদক আয়েশা ইসলাম মুন্নী, নির্মুল কমিটির নেতা নাফিউল হক নাফিউ, রনি সরকার, মিলন, হ্যাপি, আলামিন সহ আরও অনেকে।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ভাস্বর বঙ্গবন্ধুর সংবিধান ফিরিয়ে দিন ‘মওদুদিবাদ’,

প্রকাশিত সময় : ১১:৩৬:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১
ওহাবিবাদ’ ও ধর্মের নামে রাজনীতি অবিলম্বে বন্ধ করুন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নের লক্ষে অবিলম্বে ‘সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন’ ও জাতীয় সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন গঠন করুন। এ সকল দাবী কে সামনে রেখে দেশব্যাপী পরিকল্পিত সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটি রাজশাহী জেলা ও মহানগর আজ ২৪এ অক্টোবর, বিকাল ৪টা ৩০মিনিট এ রাজশাহী সাহেব বাজার জিরোপয়েন্টে মানববন্ধন ও সমাবেশ কর্মসূচি পালন করে।
একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটি রাজশাহী মহানগরের নির্বাহী সভাপতি সুজিত সরকারের সভাপতিত্বে ও মহানগর নির্বাহী সদস্য ছাত্র নেতা তামিম শিরাজীর সঞ্চালনায় সমাবেশ টি পরিচালিত হয়। সমাবেশে বক্তারা বলেন, “বাংলাদেশ আজ যখন একটি মর্যাদাশীল জাতি হিসেবে বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে তখন একাত্তরে পরাজিত শক্তি ও জনগণের প্রত্যাখ্যাত একটি মহল বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন ছিল একটি অসম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও বৈষাম্যহীন বাংলাদেশ, যেখানে প্রতিটি মানুষ তার সমান অধিকার ও মর্যাদা নিয়ে বসবাস করবে। বক্তারা আরও বলেন, “সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিষদাঁত ভেঙে দেওয়া হবে, এদেশে তাদের মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দেওয়া হবে না। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে’৭২ এর সংবিধানের অপরিহার্যতা অনিস্বীকার্য।
এই চেতনা বাস্তবায়নে’৭২ এর সংবিধানের চার মূলনীতি গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, বাঙ্গালী জাতীয়বাদ ও সমাজতন্ত্র পূনঃপ্রতিষ্ঠা করার কোনো বিকল্প নেই।” সমাবেশে বক্তব্য রাখেন: একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটি, কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ কামরুজ্জামান, বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি, রাজশাহী জেলার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাক্ষ রাজকুমার সরকার, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটি রাজশাহী জেলার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান আলী বরজাহান, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের রাজশাহী মহানগরের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল ঘোষ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট রাজশাহীর সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার ঘোষ, রাজশাহী প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি সিদ্ধার্থ শংকর সাহা, সেক্টর কমান্ডার ফোরাম রাজশাহী মহানগর এর সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান উজ্জ্বল, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ রাজশাহী জেলার সাধারণ সম্পাদক অন্জনা সরকার, স্টুডেন্ট ফ্রন্ট নির্মুল কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইখতিয়ার প্রামানিক। এ ছাড়াও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, নির্মুল কমিটির মহিলা ইউনিট এর সাধারণ সম্পাদক আয়েশা ইসলাম মুন্নী, নির্মুল কমিটির নেতা নাফিউল হক নাফিউ, রনি সরকার, মিলন, হ্যাপি, আলামিন সহ আরও অনেকে।