প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে বাংলাদেশে প্রযুক্তিনির্ভর কাজের সংখ্যা বেড়েছে। কিন্তু সে তুলনায় প্রযুক্তিনির্ভর কর্মীর সংখ্যা খুব কম। যেহেতু পলিটেকনিক প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাক্রম, তাই একজন শিক্ষার্থীর প্রযুক্তি নির্ভর জ্ঞান বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। যার কারিগরি দক্ষতা আছে, তাকে বেকারত্ব স্পর্শ করতে পারে না। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে লক্ষ্যে বর্তমান ও ভবিষ্যতে দেশে কারিগরি দক্ষতাই বড় ভূমিকা রাখতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) সকালে রাজশাহী মহিলা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে নিরাপদ অভিবাসন ও দক্ষতা উন্নয়ন শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলেন তিনি।
জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল আরো বলেন, অবৈধভাবে বিদেশ গেলে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। বিদেশ যাওয়ার পূর্বে অবশ্যই কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ হতে হবে। দক্ষ জনশক্তিই দেশের সম্পদ। এ ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশের জনসম্পদ হিসেবে নিজেকে তৈরি করতে হবে। তারপর বৈধভাবে জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসে নাম রেজিস্ট্রেশন করে বিদেশ যেতে হবে।
তিনি আরো জানান, সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে ডিগ্রি অর্জনের পর তরুণদের নাম লেখাতে হচ্ছে শিক্ষিত বেকারের তালিকায়। পলিটেকনিক শিক্ষাব্যবস্থার অন্যতম একটি দিক হচ্ছে, এখানে সেশনজট নেই এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শিক্ষাক্রম সম্পন্ন হয়। কিন্তু অধিকাংশ অভিভাবকের পলিটেকনিক শিক্ষাব্যবস্থা সম্পর্কে খুব একটা ধারণা নেই। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পলিটেকনিক বা কারিগরি শিক্ষাব্যবস্থার অভিভাবকদের সচেতনতা হতে হবে।
রাজশাহী মহিলা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম এঁর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, পবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) লসমী চাকমা, রাজশাহী কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রকৌশলী এসএম ইমদাদুল হক অধ্যক্ষ, জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের সহকারি পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান।
মহিলা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের জেনারেল শিক্ষক শামীমা ডেইজি’র সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন মহিলা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সিনিয়র ইন্সট্রাক্টর মো. সাইফুল ইসলাম।

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

























