বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজস্ব বোর্ডকে সেবাধর্মী, জনবান্ধব ও করদাতাবান্ধব করেছে সরকার

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের সরকার সামাজিক ন্যায়বিচার ও সমতা আনয়নের লক্ষ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে একটি সেবাধর্মী, জনবান্ধব ও করদাতাবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছে। ফলে করদাতারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কর প্রদান করে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সরাসরি সম্পৃক্ত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) ‘জাতীয় আয়কর দিবস-২০২১’ উপলক্ষ্যে দেওয়া বাণীতে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের উদ্যোগে ৩০ নভেম্বর জাতীয় আয়কর দিবস পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষ্যে আমি দেশের সম্মানিত সকল করদাতা এবং আয়কর বিভাগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। পাশাপাশি যারা এ বছর সেরা করদাতার সম্মাননা পাচ্ছেন তাদের আমি অভিনন্দন জানাচ্ছি।
তিনি বলেন, ‘মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার, সবাই মিলে দেব কর’- স্লোগানকে সামনে রেখে এবারের আয়কর দিবসের প্রতিপাদ্য- ‘কর আহরণে করদাতাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন’- যথার্থ হয়েছে বলে আমি মনে করি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি রাষ্ট্রের রাজস্ব ভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করার মাধ্যমে সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। দেশে রাজস্ববান্ধব সংস্কৃতি গড়ার লক্ষ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিভিন্ন উদ্ভাবনী কর্মসূচির ছোঁয়া জাতীয় পর্যায় থেকে গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। করদাতাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী দেশের সকল কর অফিসসমূহে একযোগে নভেম্বর মাসব্যাপী করসেবা প্রদান করা হয়েছে। আমাদের সরকার সামাজিক ন্যায়বিচার ও সমতা আনয়নের লক্ষ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে একটি সেবাধর্মী, জনবান্ধব ও করদাতাবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছে। ফলে করদাতারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কর প্রদান করে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সরাসরি সম্পৃক্ত হয়েছেন।
শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের রূপকল্প-২০২১ ও রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাজেট লক্ষ্যমাত্রা অর্জন অত্যাবশ্যক। করদাতাদের সার্বিক সহযোগিতা ও অংশগ্রহণের মাধ্যমেই কেবল সে লক্ষ্য অর্জন সম্ভব। উৎসবমুখর পরিবেশে কর প্রদান, ওয়ান স্টপ সার্ভিস, তাৎক্ষণিক ই-টিআইএন প্রদান, অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল, আয়কর রিটার্ন পূরণে সহায়তা ইত্যাদির মাধ্যমে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে করদাতা ও সর্বসাধারণের সরাসরি সংযোগে দেশে আজ এক হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় এবং মুজিববর্ষের অঙ্গীকার সফল বাস্তবায়নের পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক কর ব্যবস্থাপনাকে গণমুখী ও অধিকতর তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর করার জন্য সবাই আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করছি।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আয়কর প্রদানকে সামাজিক মর্যাদার প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে এবং করদাতাদের স্বপ্রণোদিতভাবে কর প্রদানে আগ্রহী ও অনুপ্রাণিত করতে ‘জাতীয় ট্যাক্স কার্ড নীতিমালা, ২০১০ (সংশোধিত)’ অনুযায়ী এবার ১৪১ জন দীর্ঘমেয়াদী করদাতাসহ সারাদেশে ৬৬৬ জন সর্বোচ্চ করদাতাকে সম্মাননা ও ট্যাক্স কার্ড প্রদান করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। আমি ‘জাতীয় আয়কর দিবস-২০২১’- এর সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

রাজস্ব বোর্ডকে সেবাধর্মী, জনবান্ধব ও করদাতাবান্ধব করেছে সরকার

প্রকাশিত সময় : ০৯:৩৪:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের সরকার সামাজিক ন্যায়বিচার ও সমতা আনয়নের লক্ষ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে একটি সেবাধর্মী, জনবান্ধব ও করদাতাবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছে। ফলে করদাতারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কর প্রদান করে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সরাসরি সম্পৃক্ত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) ‘জাতীয় আয়কর দিবস-২০২১’ উপলক্ষ্যে দেওয়া বাণীতে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের উদ্যোগে ৩০ নভেম্বর জাতীয় আয়কর দিবস পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষ্যে আমি দেশের সম্মানিত সকল করদাতা এবং আয়কর বিভাগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। পাশাপাশি যারা এ বছর সেরা করদাতার সম্মাননা পাচ্ছেন তাদের আমি অভিনন্দন জানাচ্ছি।
তিনি বলেন, ‘মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার, সবাই মিলে দেব কর’- স্লোগানকে সামনে রেখে এবারের আয়কর দিবসের প্রতিপাদ্য- ‘কর আহরণে করদাতাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন’- যথার্থ হয়েছে বলে আমি মনে করি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি রাষ্ট্রের রাজস্ব ভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করার মাধ্যমে সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। দেশে রাজস্ববান্ধব সংস্কৃতি গড়ার লক্ষ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিভিন্ন উদ্ভাবনী কর্মসূচির ছোঁয়া জাতীয় পর্যায় থেকে গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। করদাতাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী দেশের সকল কর অফিসসমূহে একযোগে নভেম্বর মাসব্যাপী করসেবা প্রদান করা হয়েছে। আমাদের সরকার সামাজিক ন্যায়বিচার ও সমতা আনয়নের লক্ষ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে একটি সেবাধর্মী, জনবান্ধব ও করদাতাবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছে। ফলে করদাতারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কর প্রদান করে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সরাসরি সম্পৃক্ত হয়েছেন।
শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের রূপকল্প-২০২১ ও রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাজেট লক্ষ্যমাত্রা অর্জন অত্যাবশ্যক। করদাতাদের সার্বিক সহযোগিতা ও অংশগ্রহণের মাধ্যমেই কেবল সে লক্ষ্য অর্জন সম্ভব। উৎসবমুখর পরিবেশে কর প্রদান, ওয়ান স্টপ সার্ভিস, তাৎক্ষণিক ই-টিআইএন প্রদান, অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল, আয়কর রিটার্ন পূরণে সহায়তা ইত্যাদির মাধ্যমে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে করদাতা ও সর্বসাধারণের সরাসরি সংযোগে দেশে আজ এক হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় এবং মুজিববর্ষের অঙ্গীকার সফল বাস্তবায়নের পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক কর ব্যবস্থাপনাকে গণমুখী ও অধিকতর তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর করার জন্য সবাই আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করছি।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আয়কর প্রদানকে সামাজিক মর্যাদার প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে এবং করদাতাদের স্বপ্রণোদিতভাবে কর প্রদানে আগ্রহী ও অনুপ্রাণিত করতে ‘জাতীয় ট্যাক্স কার্ড নীতিমালা, ২০১০ (সংশোধিত)’ অনুযায়ী এবার ১৪১ জন দীর্ঘমেয়াদী করদাতাসহ সারাদেশে ৬৬৬ জন সর্বোচ্চ করদাতাকে সম্মাননা ও ট্যাক্স কার্ড প্রদান করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। আমি ‘জাতীয় আয়কর দিবস-২০২১’- এর সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।