শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মেয়র আব্বাসের অবৈধ দুই মার্কেট উচ্ছেদ

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সকাল ৯টার মধ্যেই উচ্ছেদ কার্যক্রমে অংশ নেয়ার জন্য চলে আসে জেলা প্রশাসন। শ্রমিক ও বুলডোজার দিয়ে ভাঙা শুরু হয়। কিছু শ্রমিককে হাতুড়ি দিয়ে ভাঙতে দেখা গেছে।

এই খবরে কাটাখালী বাজারে মানুষের ভিড় লেগে যায়।

ভবনটি এমন সময়ে ভাঙা শুরু হল যখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় মেয়র আব্বাস আলী কারাগারে।

বছরখানেক আগে জলাবদ্ধতা নিরসনে কাটাখালী পৌরসভার ওপর দিয়ে যাওয়া খালটি ১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ পুনঃখনন করে। গত এপ্রিলের দিকে কাটাখালীর মেয়র সরকারি এই খালের ওপর ভবন নির্মাণ শুরু করেন।

ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে সরকারি ব্রিজের দক্ষিণ প্রান্ত থেকে খালের ওপর প্রায় ১ হাজার ১৪৪ বর্গফুট জায়গাজুড়ে একটি তিনতলা ভবন নির্মাণ শুরু হয়। এখানে ইতিমধ্যে দুইতলা ভবন উঠে গেছে। এই ভবনে দোকান হবে ২১টি।

অন্যদিকে, ব্রিজের উত্তরপাশে খালের ওপর আরেকটি ভবনের দুইতলা উঠে গেছে। এই ভবনে দোকান হবে মোট ছয়টি।

সরকারি খালের ওপর ভবন নির্মাণের অভিযোগ করেন পৌরসভার কয়েকজন কাউন্সিলর। এই অভিযোগের ভিত্তিতে গত আগস্ট মাসে পবা উপজেলার ভূমি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশ দেন। এরপর কয়েক দিন কাজ বন্ধ থাকলেও পরে আবার জোরেশোরে নির্মাণ কাজ শুরু হয়।

প্রসঙ্গত, গত ১০ অক্টোবর এ বিষয়ে জরুরি পদক্ষেপের জন্য চিঠি দেয় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ। চিঠি দেওয়ার প্রায় দুই মাস পর ভবনটি ভাঙা শুরু করল প্রশাসন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

মেয়র আব্বাসের অবৈধ দুই মার্কেট উচ্ছেদ

প্রকাশিত সময় : ০৬:০৮:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২১

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সকাল ৯টার মধ্যেই উচ্ছেদ কার্যক্রমে অংশ নেয়ার জন্য চলে আসে জেলা প্রশাসন। শ্রমিক ও বুলডোজার দিয়ে ভাঙা শুরু হয়। কিছু শ্রমিককে হাতুড়ি দিয়ে ভাঙতে দেখা গেছে।

এই খবরে কাটাখালী বাজারে মানুষের ভিড় লেগে যায়।

ভবনটি এমন সময়ে ভাঙা শুরু হল যখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় মেয়র আব্বাস আলী কারাগারে।

বছরখানেক আগে জলাবদ্ধতা নিরসনে কাটাখালী পৌরসভার ওপর দিয়ে যাওয়া খালটি ১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ পুনঃখনন করে। গত এপ্রিলের দিকে কাটাখালীর মেয়র সরকারি এই খালের ওপর ভবন নির্মাণ শুরু করেন।

ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে সরকারি ব্রিজের দক্ষিণ প্রান্ত থেকে খালের ওপর প্রায় ১ হাজার ১৪৪ বর্গফুট জায়গাজুড়ে একটি তিনতলা ভবন নির্মাণ শুরু হয়। এখানে ইতিমধ্যে দুইতলা ভবন উঠে গেছে। এই ভবনে দোকান হবে ২১টি।

অন্যদিকে, ব্রিজের উত্তরপাশে খালের ওপর আরেকটি ভবনের দুইতলা উঠে গেছে। এই ভবনে দোকান হবে মোট ছয়টি।

সরকারি খালের ওপর ভবন নির্মাণের অভিযোগ করেন পৌরসভার কয়েকজন কাউন্সিলর। এই অভিযোগের ভিত্তিতে গত আগস্ট মাসে পবা উপজেলার ভূমি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশ দেন। এরপর কয়েক দিন কাজ বন্ধ থাকলেও পরে আবার জোরেশোরে নির্মাণ কাজ শুরু হয়।

প্রসঙ্গত, গত ১০ অক্টোবর এ বিষয়ে জরুরি পদক্ষেপের জন্য চিঠি দেয় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ। চিঠি দেওয়ার প্রায় দুই মাস পর ভবনটি ভাঙা শুরু করল প্রশাসন।