শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নির্বাচনি সহিংসতায় পাবনায় স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী নিহত

পাবনা সদর উপজেলা ভাড়ারা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ইয়াছিন আলী (৩৫) নামের একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন। এ সময় সংঘর্ষে আহত হয়েছেন ১০ জন। আহতদের পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার (১১ ডিসেম্বর) সকাল ৯টার সময় উপজেলার ভাঁড়ারার কোলাদি চারা বটতলায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ইয়াছিন আলী সদর উপজেলার ভাঁড়ারা গ্রামের মোজাম্মেল হোসেনের ছেলে ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সুলতান মাহমুদের চাচাতো ভাই এবং তিনি নিজেও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিলেন।

সদর থানা পুলিশ ও প্রত্যদর্শীরা জানায়, ভাঁড়ারা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনি প্রচারণা নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী সুলতান মাহামুদ খানের সমর্থক ও নৌকা প্রতিকের আবু সাঈদ খানের সমর্থকদের মধ্যে পোস্টার লাগানো নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়। এসময় উভয় পক্ষের ১০ জন গুলিবিদ্ধ হন। আশংকাজনক অবস্থায় ইয়াছিনকে পাবনা থেকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।এ ব্যাপারে পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এখন পযন্ত কেউ অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

নির্বাচনি সহিংসতায় পাবনায় স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী নিহত

প্রকাশিত সময় : ০৩:২৭:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২১

পাবনা সদর উপজেলা ভাড়ারা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ইয়াছিন আলী (৩৫) নামের একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন। এ সময় সংঘর্ষে আহত হয়েছেন ১০ জন। আহতদের পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার (১১ ডিসেম্বর) সকাল ৯টার সময় উপজেলার ভাঁড়ারার কোলাদি চারা বটতলায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ইয়াছিন আলী সদর উপজেলার ভাঁড়ারা গ্রামের মোজাম্মেল হোসেনের ছেলে ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সুলতান মাহমুদের চাচাতো ভাই এবং তিনি নিজেও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিলেন।

সদর থানা পুলিশ ও প্রত্যদর্শীরা জানায়, ভাঁড়ারা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনি প্রচারণা নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী সুলতান মাহামুদ খানের সমর্থক ও নৌকা প্রতিকের আবু সাঈদ খানের সমর্থকদের মধ্যে পোস্টার লাগানো নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়। এসময় উভয় পক্ষের ১০ জন গুলিবিদ্ধ হন। আশংকাজনক অবস্থায় ইয়াছিনকে পাবনা থেকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।এ ব্যাপারে পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এখন পযন্ত কেউ অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।