মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দেশে টিকার বুস্টার ডোজ দেয়া শুরু

দেশে দেশে করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন ছড়ানোর প্রেক্ষাপটের মধ্যে বাংলাদেশে কোভিড-১৯ টিকার তৃতীয় বা বুস্টার ডোজের প্রয়োগ শুরু হয়েছে।

মহাখালীর বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (বিসিপিএসএ) মিলনায়তনে রোববার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

দেশে প্রথম বুস্টার ডোজ পেয়েছেন কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের নার্স রুনু ভেরোনিকা কস্তা। চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি এই নার্সকেই প্রথম ডোজ দিয়ে বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের টিকাদান শুরু হয়েছিল।  যাদের বয়স ৬০ বছরের বেশি এবং যারা কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সামনের সারিতে আছেন, তাদেরকে এই টিকার বুস্টার ডোজ দেওয়া হবে।

টিকার দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার ছয় মাস পর বুস্টার ডোজ নেয়া যাবে। সেজন্য নতুন করে নিবন্ধনের প্রয়োজন হবে না। যারা তৃতীয় ডোজ পাওয়ার যোগ্য, তাদেরকে এসএমএসে জানানো হবে।

কোভিড টিকার সুরক্ষা দুর্বল হয়ে আসায় কিছু দেশ বাড়তি আরেক ডোজ টিকা দিচ্ছে নাগরিকদের, যাকে বলা হচ্ছে বুস্টার ডোজ।

কয়েক সপ্তাহ আগে দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনাভাইরাসের অতি সংক্রামক নতুন ধরন ওমিক্রন শনাক্ত হওয়ার পর বাংলাদেশেও বুস্টার ডোজ দেওয়ার পরামর্শ দেয় কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরী পরামর্শক কমিটি।

গবেষকরা বলছেন, দুই ডোজ টিকা ওমিক্রনের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দিতে পারে না, সেজন্যই বুস্টার ডোজ প্রয়োজন।

প্রথমদিন জাতীয় অধ্যাপক ডা. শায়লা খাতুন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবিএম খুরশীদ আলম, পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকও কোভিড টিকার তৃতীয় ডোজ নিয়েছেন।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, বুস্টার ডোজের জন্য সরকারের সুরক্ষা ওয়েবসাইটে আপগ্রেড করতে ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় লাগবে। এরপর সারাদেশে শুরু হবে বুস্টার ডোজ দেয়া।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

দেশে টিকার বুস্টার ডোজ দেয়া শুরু

প্রকাশিত সময় : ১০:১৮:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২১

দেশে দেশে করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন ছড়ানোর প্রেক্ষাপটের মধ্যে বাংলাদেশে কোভিড-১৯ টিকার তৃতীয় বা বুস্টার ডোজের প্রয়োগ শুরু হয়েছে।

মহাখালীর বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (বিসিপিএসএ) মিলনায়তনে রোববার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

দেশে প্রথম বুস্টার ডোজ পেয়েছেন কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের নার্স রুনু ভেরোনিকা কস্তা। চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি এই নার্সকেই প্রথম ডোজ দিয়ে বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের টিকাদান শুরু হয়েছিল।  যাদের বয়স ৬০ বছরের বেশি এবং যারা কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সামনের সারিতে আছেন, তাদেরকে এই টিকার বুস্টার ডোজ দেওয়া হবে।

টিকার দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার ছয় মাস পর বুস্টার ডোজ নেয়া যাবে। সেজন্য নতুন করে নিবন্ধনের প্রয়োজন হবে না। যারা তৃতীয় ডোজ পাওয়ার যোগ্য, তাদেরকে এসএমএসে জানানো হবে।

কোভিড টিকার সুরক্ষা দুর্বল হয়ে আসায় কিছু দেশ বাড়তি আরেক ডোজ টিকা দিচ্ছে নাগরিকদের, যাকে বলা হচ্ছে বুস্টার ডোজ।

কয়েক সপ্তাহ আগে দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনাভাইরাসের অতি সংক্রামক নতুন ধরন ওমিক্রন শনাক্ত হওয়ার পর বাংলাদেশেও বুস্টার ডোজ দেওয়ার পরামর্শ দেয় কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরী পরামর্শক কমিটি।

গবেষকরা বলছেন, দুই ডোজ টিকা ওমিক্রনের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দিতে পারে না, সেজন্যই বুস্টার ডোজ প্রয়োজন।

প্রথমদিন জাতীয় অধ্যাপক ডা. শায়লা খাতুন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবিএম খুরশীদ আলম, পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকও কোভিড টিকার তৃতীয় ডোজ নিয়েছেন।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, বুস্টার ডোজের জন্য সরকারের সুরক্ষা ওয়েবসাইটে আপগ্রেড করতে ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় লাগবে। এরপর সারাদেশে শুরু হবে বুস্টার ডোজ দেয়া।