সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

করোনা ভাইরাস সংস্পর্শে এলেই জ্বলে উঠবে মাস্ক

করোনা ভাইরাসের দাপটে কার্যত বিপর্যস্ত সারাবিশ্ব। এরই মধ্যে জাপানের প্রযুক্তি এক যুগান্তকারী আবিষ্কারের মাধ্যমে তাক লাগালো বিশ্ববাসীকে। করোনা ভাইরাস সংস্পর্শে এলেই জ্বলে উঠবে মাস্ক। জাপানের কিয়োটো পারফেকচারাল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের এই আবিষ্কার কোভিড মোকাবিলায় দারুণ কার্যকরী হবে বলে আশাবাদী বিশেষজ্ঞরা।

জানা গেছে, মাস্কের ভেতরে রয়েছে একটি ফিল্টার। এতে আছে ফ্লুরোসেন্ট ডাই। আর সেই ফিল্টারটি ৮ ঘণ্টা পর মাস্ক থেকে বের করে একটি বিশেষ কেমিক্যাল দিয়ে স্প্রে করতে হবে। ফিল্টারে যদি করোনা ভাইরাস থাকে, তবে আল্ট্রা ভায়োলেট লাইট বা অতিবেগুনি রশ্মির নিচে ফিল্টারটি রাখলে তা জ্বলে উঠবে। ফ্লুরোসেন্টের পাশাপাশি এই মাস্কটিতে রয়েছে আরও একটি বিশেষ উপাদান। সেটা হলো উটপাখির ডিমের অ্যান্টিবডি।

কিয়োটো পারফেকচারাল বিশ্ববিদ্যালয় গবেষক ইয়াশুহিরো সুকামোতো এবং তার টিম মিলে এই মাস্ক তৈরি করছেন। সব ঠিক থাকলে এবং সরকারি অনুমোদন মিললেই ২০২২ সালেই বাজারে আসতে পারে এই বিশেষ মাস্ক। এই মাস্কের সাহায্যে আগে থেকেই মানুষ বুঝতে পারবেন করোনায় সংক্রমিত কিনা। ফলে সচেতন হতে পারবেন মানুষজন।

এদিকে ক্রমশই বিশ্বজুড়ে বেড়ে চলছে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা। বুস্টার ডোজ নিয়েও মিলছে না রেহাই। তার মধ্যে জাপানের এই আবিষ্কার নতুন আশার আলো দেখাতে পারে বলে মত গবেষকদের।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

করোনা ভাইরাস সংস্পর্শে এলেই জ্বলে উঠবে মাস্ক

প্রকাশিত সময় : ০৩:৪৩:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২১

করোনা ভাইরাসের দাপটে কার্যত বিপর্যস্ত সারাবিশ্ব। এরই মধ্যে জাপানের প্রযুক্তি এক যুগান্তকারী আবিষ্কারের মাধ্যমে তাক লাগালো বিশ্ববাসীকে। করোনা ভাইরাস সংস্পর্শে এলেই জ্বলে উঠবে মাস্ক। জাপানের কিয়োটো পারফেকচারাল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের এই আবিষ্কার কোভিড মোকাবিলায় দারুণ কার্যকরী হবে বলে আশাবাদী বিশেষজ্ঞরা।

জানা গেছে, মাস্কের ভেতরে রয়েছে একটি ফিল্টার। এতে আছে ফ্লুরোসেন্ট ডাই। আর সেই ফিল্টারটি ৮ ঘণ্টা পর মাস্ক থেকে বের করে একটি বিশেষ কেমিক্যাল দিয়ে স্প্রে করতে হবে। ফিল্টারে যদি করোনা ভাইরাস থাকে, তবে আল্ট্রা ভায়োলেট লাইট বা অতিবেগুনি রশ্মির নিচে ফিল্টারটি রাখলে তা জ্বলে উঠবে। ফ্লুরোসেন্টের পাশাপাশি এই মাস্কটিতে রয়েছে আরও একটি বিশেষ উপাদান। সেটা হলো উটপাখির ডিমের অ্যান্টিবডি।

কিয়োটো পারফেকচারাল বিশ্ববিদ্যালয় গবেষক ইয়াশুহিরো সুকামোতো এবং তার টিম মিলে এই মাস্ক তৈরি করছেন। সব ঠিক থাকলে এবং সরকারি অনুমোদন মিললেই ২০২২ সালেই বাজারে আসতে পারে এই বিশেষ মাস্ক। এই মাস্কের সাহায্যে আগে থেকেই মানুষ বুঝতে পারবেন করোনায় সংক্রমিত কিনা। ফলে সচেতন হতে পারবেন মানুষজন।

এদিকে ক্রমশই বিশ্বজুড়ে বেড়ে চলছে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা। বুস্টার ডোজ নিয়েও মিলছে না রেহাই। তার মধ্যে জাপানের এই আবিষ্কার নতুন আশার আলো দেখাতে পারে বলে মত গবেষকদের।