রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কাজ শুরু তদন্ত কমিটির

ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে যাত্রীবোঝাই লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি কাজ শুরু করেছে। দুর্ঘটনায় এ পর্যন্ত ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন বেশ কিছু যাত্রী।

শনিবার সকালে লঞ্চটি পরিদর্শনে যায় তদন্ত কমিটির সদস্যরা।  তদন্ত কমিটির সদস্য ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো, নাজমুল আলম বলেন, “সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আমরা পরিদর্শনে এসেছি। এখন পর্যন্ত পরিদর্শনে আছি। ইঞ্জিনরুমসহ পুরো লঞ্চটি দেখা হচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শীসহ সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলছি।

ঢাকা থেকে বরগুনার উদ্দেশে যাওয়া লঞ্চটিতে বৃহস্পতিবার ভোররাত ৩টায় ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে থাকা অবস্থায় আগুন লাগে। ইঞ্জিন রুম থেকে লঞ্চে আগুনের সূত্রপাত বলে জানিয়েছে প্রত্যক্ষদর্শীরা।

এই ঘটনার তদন্তে শুক্রবার তদন্ত কমিটি করে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। এতে আহ্বায়ক করা হয় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (বন্দর) মো. তোফায়েল ইসলামকে।

এ ছাড়া কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- বরিশাল অঞ্চলের পুলিশ সুপার (নৌ পুলিশ) মো. কফিল উদ্দিন, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার এন্ড শীপ সার্ভেয়ার তাইফুর আহম্মেদ ভূইয়া, ফয়ার সার্ভিসের উপপরিচালক মো. কামাল উদ্দিন ভুইয়া, বাংলাদেশ আভ্যন্তরীণ নৌচলাচল (যাপ) সংস্থার পরিচালক মামুন-অর-রশিদ ও বিআইডব্লিউটিএ’র অতিরিক্ত পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম।

এ কমিটিকে তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

অভিযান-১০ লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪১ জনে। মৃতদের মধ্যে ৩৭ জনই বরগুনা জেলার বাসিন্দা। আহত ৮১ জনকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। এর মধ্যে ৪৬ জনের চিকিৎসা চলছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কাজ শুরু তদন্ত কমিটির

প্রকাশিত সময় : ০৪:০২:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২১

ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে যাত্রীবোঝাই লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি কাজ শুরু করেছে। দুর্ঘটনায় এ পর্যন্ত ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন বেশ কিছু যাত্রী।

শনিবার সকালে লঞ্চটি পরিদর্শনে যায় তদন্ত কমিটির সদস্যরা।  তদন্ত কমিটির সদস্য ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো, নাজমুল আলম বলেন, “সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আমরা পরিদর্শনে এসেছি। এখন পর্যন্ত পরিদর্শনে আছি। ইঞ্জিনরুমসহ পুরো লঞ্চটি দেখা হচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শীসহ সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলছি।

ঢাকা থেকে বরগুনার উদ্দেশে যাওয়া লঞ্চটিতে বৃহস্পতিবার ভোররাত ৩টায় ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে থাকা অবস্থায় আগুন লাগে। ইঞ্জিন রুম থেকে লঞ্চে আগুনের সূত্রপাত বলে জানিয়েছে প্রত্যক্ষদর্শীরা।

এই ঘটনার তদন্তে শুক্রবার তদন্ত কমিটি করে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। এতে আহ্বায়ক করা হয় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (বন্দর) মো. তোফায়েল ইসলামকে।

এ ছাড়া কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- বরিশাল অঞ্চলের পুলিশ সুপার (নৌ পুলিশ) মো. কফিল উদ্দিন, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার এন্ড শীপ সার্ভেয়ার তাইফুর আহম্মেদ ভূইয়া, ফয়ার সার্ভিসের উপপরিচালক মো. কামাল উদ্দিন ভুইয়া, বাংলাদেশ আভ্যন্তরীণ নৌচলাচল (যাপ) সংস্থার পরিচালক মামুন-অর-রশিদ ও বিআইডব্লিউটিএ’র অতিরিক্ত পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম।

এ কমিটিকে তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

অভিযান-১০ লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪১ জনে। মৃতদের মধ্যে ৩৭ জনই বরগুনা জেলার বাসিন্দা। আহত ৮১ জনকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। এর মধ্যে ৪৬ জনের চিকিৎসা চলছে।