সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, আগামী মাস থেকে দেশের প্রতিটি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আশা করা যায়, এর ফলে আগামী মে-জুনের মধ্যেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণে সক্ষম হবো।

বুধবার রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড-ইডিসিএলের এজিএম ও বোর্ড সভায় তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ইতোমধ্যেই ৩১ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন জোগানের ব্যবস্থা করেছি। এই ভ্যাকসিন থেকে প্রতি মাসেই প্রয়োজনীয় পরিমাণে ভ্যাকসিন হাতে চলে আসছে। এর মধ্যেই ৭ কোটি প্রথম ডোজ, ৫ কোটি ডাবল ডোজসহ মোট ১২ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভব হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য পূরণ করতে বুস্টার ডোজসহ মোট ২৮ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন প্রয়োজন হবে। সেক্ষেত্রে সরকারের ৩১ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন হাতে পাওয়ার সংস্থান করা গেছে। কাজেই বুস্টার ডোজসহ লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ২৮ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন লাগলেও হাতে আরও ৩ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন থেকে যাবে।’

জাহিদ মালেক বলেন, ‘ইতোমধ্যে আমরা স্কুল পর্যায়সহ বস্তিতে গিয়েও ভ্যাকসিন দিয়েছি। আগামী মাস থেকে প্রতি মাসে আমরা অন্তত ৪ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ শুরু করছি।’

এ সময় তিনি বলেন, দেশে ইডিসিএলের নানারকম ওষুধের উৎপাদন চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলছে। দেশের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে নানারকম ওষুধের উৎপাদনের চাহিদাও পাচ্ছে ইডিসিএল। কিন্তু সে তুলনায় ইডিসিএল স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, অবকাঠামো দুর্বলতা, যন্ত্রপাতির ঘাটতি, ফ্যাক্টরির জায়গা স্বল্পতাসহ এখানে নানারকম সমস্যা রয়েছে। এজন্য ইডিসিএলের জন্য একটি অত্যাধুনিক মানের কারখানা নির্মাণের বিল এখন একনেকে রয়েছে। এটি দ্রুতই সম্পন্ন হয়ে যাবে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, সামনে ওমিক্রনে আবার চাপ বাড়তে পারে। সেক্ষেত্রে শুধু ভ্যাকসিন ওমিক্রন ঠেকাবে না। আমাদের স্বাস্থ্যবিধি যথার্থ নিয়মে মানতে হবে। তাহলেই ওমিক্রন ছড়াবে না।

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়ার সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক শারফুদ্দিন আহমেদ, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সাহান আরা বানু, ডিজিডিএ মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান, ইডিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. এহসানুল কবির প্রমুখ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ষষ্ঠ বারের মতো হাল্ট প্রাইজ’র গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত

ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত সময় : ১১:০৩:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২১

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, আগামী মাস থেকে দেশের প্রতিটি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আশা করা যায়, এর ফলে আগামী মে-জুনের মধ্যেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণে সক্ষম হবো।

বুধবার রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড-ইডিসিএলের এজিএম ও বোর্ড সভায় তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ইতোমধ্যেই ৩১ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন জোগানের ব্যবস্থা করেছি। এই ভ্যাকসিন থেকে প্রতি মাসেই প্রয়োজনীয় পরিমাণে ভ্যাকসিন হাতে চলে আসছে। এর মধ্যেই ৭ কোটি প্রথম ডোজ, ৫ কোটি ডাবল ডোজসহ মোট ১২ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভব হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য পূরণ করতে বুস্টার ডোজসহ মোট ২৮ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন প্রয়োজন হবে। সেক্ষেত্রে সরকারের ৩১ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন হাতে পাওয়ার সংস্থান করা গেছে। কাজেই বুস্টার ডোজসহ লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ২৮ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন লাগলেও হাতে আরও ৩ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন থেকে যাবে।’

জাহিদ মালেক বলেন, ‘ইতোমধ্যে আমরা স্কুল পর্যায়সহ বস্তিতে গিয়েও ভ্যাকসিন দিয়েছি। আগামী মাস থেকে প্রতি মাসে আমরা অন্তত ৪ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ শুরু করছি।’

এ সময় তিনি বলেন, দেশে ইডিসিএলের নানারকম ওষুধের উৎপাদন চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলছে। দেশের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে নানারকম ওষুধের উৎপাদনের চাহিদাও পাচ্ছে ইডিসিএল। কিন্তু সে তুলনায় ইডিসিএল স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, অবকাঠামো দুর্বলতা, যন্ত্রপাতির ঘাটতি, ফ্যাক্টরির জায়গা স্বল্পতাসহ এখানে নানারকম সমস্যা রয়েছে। এজন্য ইডিসিএলের জন্য একটি অত্যাধুনিক মানের কারখানা নির্মাণের বিল এখন একনেকে রয়েছে। এটি দ্রুতই সম্পন্ন হয়ে যাবে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, সামনে ওমিক্রনে আবার চাপ বাড়তে পারে। সেক্ষেত্রে শুধু ভ্যাকসিন ওমিক্রন ঠেকাবে না। আমাদের স্বাস্থ্যবিধি যথার্থ নিয়মে মানতে হবে। তাহলেই ওমিক্রন ছড়াবে না।

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়ার সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক শারফুদ্দিন আহমেদ, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সাহান আরা বানু, ডিজিডিএ মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান, ইডিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. এহসানুল কবির প্রমুখ।