মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের ডাক পত্রিকার শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি ইমাম হোসেন সোহেলের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে গণমাধ্যম কর্মীরা। শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাব ও শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লাবের যৌথ উদ্যোগে শুক্রবার (৭ জানুয়ারি) বিকালে স্থানীয় চৌমোহনা চত্বরে অনুষ্ঠিত মানবন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সভাপতি বিশ্বজ্যোতি চৌধুরী।
বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক মো. কাওছার ইকবাল, দীপংকর ভট্টাচার্য্য লিটন, মুমিনুল হোসেন সোহেল, সৈয়দ আমিরুজ্জামান, সৈয়দ আবু জাফর সালাউদ্দিন, আনিসুল ইসলাম আশরাফী, কাওছার আহমদ রিয়ন, সঞ্জয় দেব, ইমন দেব চৌধুরী ও শফিকুল ইসলাম রুম্মন, নিরাপদ সড়ক চাই এর শ্রীমঙ্গল শাখার সভাপতি আমজাদ হোসেন রনি, যুবলীগ নেতা বদরুল আলম শিপলু, অঙ্গিকার সাহিত্য ও সামাজিক সংগঠনের সারোয়ার জাহান জুয়েল, আসক ফাউন্ডেশনের সাংবাদিক আমজাদ হোসেন বাচ্চু, ইন্টারন্যাশনাল ডায়লগ এইড ফাউন্ডেশনের শ্রীমঙ্গল সভাপতি সাইদুল ইসলাম সবুজ, আলোর শক্তি সামাজিক সংগঠনের সভাপতি তসলিম আহমেদ, ইন্টারন্যাশনাল ডায়লগ এইড ফাউন্ডেশন এর সভাপতি সাইদুল ইসলাম সবুজ, ব্লাডম্যান শ্রীমঙ্গল এর জহির রহমান ইয়েন,আইন সহায়তা কেন্দ্র আসক ফাউনেশনের সহ-সাধারণ সম্পাদিক ইনাম উল্লাহ খাঁন,পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবেদ হোসেন প্রমুখ।
বিকুল চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সমাবেশ কর্মসূচিতে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম, অনলাইন প্রেসক্লাব, আসক ফাউন্ডেশন, নিরাপদ সড়ক চাই, ব্লাডম্যান শ্রীমঙ্গল, সাকসেস হিউম্যান রাইটস সোসাইটি, ইন্টারন্যাশনাল ডায়লগ এইড ফাউন্ডেশন, এশিয়ান জার্নালিস্ট চেরিটেবল সোসাইটি, আলোর শক্তি সামাজিক সংগঠন, অনলাইন স্কুল শ্রীমঙ্গলসহ বিভিন্ন সংগঠন ও শ্রেণিপেশার মানুষ একাত্মতা প্রকাশ করেন।
প্রতিবাদ সমাবেশে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর মসুদ আহমেদ৷ সাংবাদিক এম এ রকিব, শামিম আক্তার হোসেন, চৌধুরী ভাস্কর হোম, আবুজার বাবলা, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মসুদ মিয়া, সাংবাদিক ইসমাইল মাহমুদ, আলতাব খান, নান্টু রায়, শুকুর প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ২ জানুয়ারি রাতে কমলগঞ্জের মুন্সীবাজারে শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ আসনের এমপি উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালায় দুষ্কৃতকারীরা। এমপি আব্দুস শহীদকে রক্ষায় এগিয়ে এলে হামলার শিকার হন শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইমাম হোসেন সোহেলসহ ৬ জন।
সাংবাদিক নেতা ইমাম হোসেন সোহেলকে প্রাণ নাশের উদ্দেশ্যে দা দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে সন্ত্রাসীরা। পরে তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসকরা তার মাথায় ২৫টি সেলাই দেয়। বর্বরোচিত এই হামলার ক্ষত নিয়ে তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সাংবাদিক নেতা ইমাম হোসেন সোহেলের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় পুলিশ প্রশাসনের ভুমিকার সমালোচনা করে বলেন, দেখেছি প্রশাসন বিভিন্ন সময় অতি অল্প সময়ের মধ্যেই ক্লুলেস ঘটনায় জড়িত সন্দেহভাজন দোষীদের আইনের আওতায় আনতে। কিন্তু একজন নির্বাচিত ও জননন্দিত সাংসদ ও তার সফরসঙ্গী সাংবাদিক যিনি তার পেশাগত দায়িত্ব পালন করছিলেন তাদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা হলো৷ অথচ চিহ্নিত অপরাধীদেরকে এখন পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়নি। বক্তারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবি জানান।
বক্তারা হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, বর্বরোচিত এ ঘটনায় প্রসাশন আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তির আওতায় আনতে ব্যর্থ হলে সাংবাদিক সমাজও ছেড়ে কথা বলবে না। প্রয়োজনে সারাদেশের সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধ ভাবে কঠোর কর্মসূচি পালন করবে।

মোঃ তাজুদুর রহমান, মৌলভীবাজার 

























