রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীতে দ্বিতীয় বিয়ে করতে চাওয়ায় বাবাকে গলাকেটে হত্যা

দ্বিতীয় বিয়ে করতে চাওয়ায় ঘুমন্ত বাবাকে গলাকেটে হত্যা হত্যার পর টয়লেটের সেফটিক ট্যাঙ্কিতে লাশ পুঁতে রাখে সন্তান। ঘটনাটি ঘটে রাজশাহী নগরীর দামকুড়া থানা এলাকা। বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশ ওই বাবার লাশ উদ্ধার করে। তার নাম সাজ্জাদ হোসেন (৬৫)। তার সন্তান স্বপন (৩২) গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত বারোটার দিকে গলাকেটে হত্যা করে সাজ্জাদকে।

নগরীর দামকুড়া থানার ওসি মাহবুব আলম জানান, মঙ্গলবার রাত থেকে সাজ্জাদ হোসেন নিখোঁজের ঘটনায় তার আরেক ছেলে আব্দুল হাদী থানায় একটি জিডি করেন। ওই জিডির সূত্র ধরে পুলিশ অপর ছেলে স্বপনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এরপর স্বপন স্বীকারোক্তি দেন, তিনি তার বাবা সাজ্জাদকে প্রথমে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করেন। এতে ব্যর্থ হয়ে পরে গলাকেটে হত্যা করেন। হত্যার পর বাবা সাজ্জাদ হোসেনের লাশ বাড়ির টয়লেটের সেফটিক ট্যাঙ্কিতে ভরে রাখেন স্বপন।

স্বপন আরও স্বীকার করেন,  এক বছর আগে তার মা মারা যান। এরপর বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করার কথা বলছিলেন বাসায়। দ্বিতীয় বিয়ে করলে সম্পত্তি ভাগ হয়ে যাবে- এই চিন্তা ধারণা থেকে স্বপন তার বাবার সাজ্জাদ কে হত্যা করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

রাজশাহীতে দ্বিতীয় বিয়ে করতে চাওয়ায় বাবাকে গলাকেটে হত্যা

প্রকাশিত সময় : ০২:৫৪:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জানুয়ারী ২০২২

দ্বিতীয় বিয়ে করতে চাওয়ায় ঘুমন্ত বাবাকে গলাকেটে হত্যা হত্যার পর টয়লেটের সেফটিক ট্যাঙ্কিতে লাশ পুঁতে রাখে সন্তান। ঘটনাটি ঘটে রাজশাহী নগরীর দামকুড়া থানা এলাকা। বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশ ওই বাবার লাশ উদ্ধার করে। তার নাম সাজ্জাদ হোসেন (৬৫)। তার সন্তান স্বপন (৩২) গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত বারোটার দিকে গলাকেটে হত্যা করে সাজ্জাদকে।

নগরীর দামকুড়া থানার ওসি মাহবুব আলম জানান, মঙ্গলবার রাত থেকে সাজ্জাদ হোসেন নিখোঁজের ঘটনায় তার আরেক ছেলে আব্দুল হাদী থানায় একটি জিডি করেন। ওই জিডির সূত্র ধরে পুলিশ অপর ছেলে স্বপনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এরপর স্বপন স্বীকারোক্তি দেন, তিনি তার বাবা সাজ্জাদকে প্রথমে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করেন। এতে ব্যর্থ হয়ে পরে গলাকেটে হত্যা করেন। হত্যার পর বাবা সাজ্জাদ হোসেনের লাশ বাড়ির টয়লেটের সেফটিক ট্যাঙ্কিতে ভরে রাখেন স্বপন।

স্বপন আরও স্বীকার করেন,  এক বছর আগে তার মা মারা যান। এরপর বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করার কথা বলছিলেন বাসায়। দ্বিতীয় বিয়ে করলে সম্পত্তি ভাগ হয়ে যাবে- এই চিন্তা ধারণা থেকে স্বপন তার বাবার সাজ্জাদ কে হত্যা করেন।