রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছিন্নমূল মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য অর্থের চেয়ে বেশি প্রয়োজন হচ্ছে ইচ্ছাশক্তি

ছিন্নমূল মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য অর্থের চেয়ে বেশি প্রয়োজন হচ্ছে ইচ্ছাশক্তি

রাজশাহীতে হাড় কাঁপানো শীতে ফুটপাতে ছন্নছাড়াভাবে বসবাস করা অসহায়-শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বরেন্দ্র সচেতন সমাজ (ভিএসএস)।

শনিবার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নগরীর সাহেব বাজার,শিরোইল বাস টার্মিনাল ও রেলস্টেশন, ভদ্রা,রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, কাজলা,বিনোদনপুর বাজার, এলাকায় ফুটপাতে রাত্রীযাপন করা ঘরবাড়িহীন প্রায় অর্ধশতাধিক শীতার্ত মানুষের মাঝে এ শীতবন্ত্র বিতরণ করে সংগঠনটি।

এ সময় অন্যান্যের মাঝে বরেন্দ্র সচেতন সমাজের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রায়হান রোহান,উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আসমাউল হুসনা রিও সহ সভাপতি আনাম ইকবাল সৌরভ, সাবেক সহ: সভাপতি সাথীয়া শেখ, যুগ্ম সম্পাদক সম্পাদক আল-আমীন,অর্থ বিষয়ক সম্পাদক আফসানা জাহিন নাইস, বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক আরাবি হাসান সদস্য মনিরাজ,হাফিজুল ইসলাম,শফিকুল ইসলামসহ আরও উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রায়হান রোহান বলেন,করোনাকালে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছিলাম সংগঠনের সদস্যদের নিজস্ব অর্থায়নে।অতীতে বন্যার্তদের পাশে থাকা ছাড়াও মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দিয়েছে শিক্ষাসামগ্রী।শীতকালেও চেষ্টা করছি অসহায়দের পাশে দাঁড়ানোর।শীতে সবচেয়ে কষ্টে থাকেন রেলস্টেশন এলাকার ছিন্নমূল মানুষেরা। খোলা জায়গায় রাত্রীযাপন করেন তারা।সেজন্য তাদের খুঁজে খুঁজে এ শীতবস্ত্র বিতরণ করেছি।

তিনি আরও বলেন, অসহায় দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো এক অসাধারণ অনুভূতি কাজ করছে নিজের মধ্যে । তবে ভবিষ্যতে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারবো বলে আমরা আশাবাদী।ছিন্নমূল মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য অর্থের চেয়ে বেশি প্রয়োজন, হচ্ছে ইচ্ছাশক্তি যা আমাদের সবার মধ্যে আছে বলে,প্রতিটি কাজ মহান আল্লাহ তাআ’লা রহমতে সুন্দর ভাবে পরিচালনা করতে পেরেছি এবং ভবিষ্যতে পারবো ইনশাআল্লাহ।তবে সমাজের।প্রত্যেক সামর্থ্যবানদের এগিয়ে আসা উচিত।

উল্লেখ্য,২০১৯ সালের ১০ অক্টোবর শিক্ষানগরীর একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে আত্মপ্রকাশ ঘটে ভিএসএস‘র।এরপর থেকে স্বেচ্ছাসেবামূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন সংগঠনটির সদস্যরা। বর্তমানে সংগঠনটির সদস্য সংখ্যা ৪১০ জন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ছিন্নমূল মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য অর্থের চেয়ে বেশি প্রয়োজন হচ্ছে ইচ্ছাশক্তি

প্রকাশিত সময় : ০৯:০১:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২২

রাজশাহীতে হাড় কাঁপানো শীতে ফুটপাতে ছন্নছাড়াভাবে বসবাস করা অসহায়-শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বরেন্দ্র সচেতন সমাজ (ভিএসএস)।

শনিবার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নগরীর সাহেব বাজার,শিরোইল বাস টার্মিনাল ও রেলস্টেশন, ভদ্রা,রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, কাজলা,বিনোদনপুর বাজার, এলাকায় ফুটপাতে রাত্রীযাপন করা ঘরবাড়িহীন প্রায় অর্ধশতাধিক শীতার্ত মানুষের মাঝে এ শীতবন্ত্র বিতরণ করে সংগঠনটি।

এ সময় অন্যান্যের মাঝে বরেন্দ্র সচেতন সমাজের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রায়হান রোহান,উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আসমাউল হুসনা রিও সহ সভাপতি আনাম ইকবাল সৌরভ, সাবেক সহ: সভাপতি সাথীয়া শেখ, যুগ্ম সম্পাদক সম্পাদক আল-আমীন,অর্থ বিষয়ক সম্পাদক আফসানা জাহিন নাইস, বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক আরাবি হাসান সদস্য মনিরাজ,হাফিজুল ইসলাম,শফিকুল ইসলামসহ আরও উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রায়হান রোহান বলেন,করোনাকালে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছিলাম সংগঠনের সদস্যদের নিজস্ব অর্থায়নে।অতীতে বন্যার্তদের পাশে থাকা ছাড়াও মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দিয়েছে শিক্ষাসামগ্রী।শীতকালেও চেষ্টা করছি অসহায়দের পাশে দাঁড়ানোর।শীতে সবচেয়ে কষ্টে থাকেন রেলস্টেশন এলাকার ছিন্নমূল মানুষেরা। খোলা জায়গায় রাত্রীযাপন করেন তারা।সেজন্য তাদের খুঁজে খুঁজে এ শীতবস্ত্র বিতরণ করেছি।

তিনি আরও বলেন, অসহায় দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো এক অসাধারণ অনুভূতি কাজ করছে নিজের মধ্যে । তবে ভবিষ্যতে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারবো বলে আমরা আশাবাদী।ছিন্নমূল মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য অর্থের চেয়ে বেশি প্রয়োজন, হচ্ছে ইচ্ছাশক্তি যা আমাদের সবার মধ্যে আছে বলে,প্রতিটি কাজ মহান আল্লাহ তাআ’লা রহমতে সুন্দর ভাবে পরিচালনা করতে পেরেছি এবং ভবিষ্যতে পারবো ইনশাআল্লাহ।তবে সমাজের।প্রত্যেক সামর্থ্যবানদের এগিয়ে আসা উচিত।

উল্লেখ্য,২০১৯ সালের ১০ অক্টোবর শিক্ষানগরীর একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে আত্মপ্রকাশ ঘটে ভিএসএস‘র।এরপর থেকে স্বেচ্ছাসেবামূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন সংগঠনটির সদস্যরা। বর্তমানে সংগঠনটির সদস্য সংখ্যা ৪১০ জন।