রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় চোর সন্দেহে কিশোরকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহরাওয়ার্দী হোসেন।
তিনি বলেন, শনিবার সকালে নির্যাতনের শিকার ছেলেটির বাবা তিনজনের নামে মামলা করেছেন। মারধরের ভিডিও দেখে চিহ্নিত তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ছেলেটিকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- উপজেলার গোটিয়া গ্রামের আব্দুল বারিক, বিদ্যুৎ কুমার ও জিতেন ধর। নির্যাতনের শিকার কিশোরের নাম দোয়েল। সে ভালুকগাছি ইউনিয়নের টোনাপাড়া গ্রামের সাইদুর রহমানের ছেলে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহিনুর রহমান জানান, গ্রামের আদিবাসীরা প্রতিদিনের মতো গত বৃহস্পতিবার ঘরে তালা দিয়ে কাজে বের হন। দুপুরের দিকে আদিবাসী পরেশ সর্দার বাড়ি ফিরে দেখেন তার ঘরের তালা ভাঙা। সেই সময় দোয়েলকে তার বাড়ি থেকে দৌঁড়ে পালাতে দেখেন। তখন তিনি চোর বলে চিৎকার দেন। এরপর কয়েকজন মিলে দোয়েলকে আটক করে মারধর করেন।
দোয়েলের বাবা সাইদুর রহমান বলেন, ‘বৃহস্পতিবার আমার ছেলে গোটিয়া গ্রামে এক আত্মীয়র বাড়ি বেড়াতে যাচ্ছিল। সে সময় কিছু লোকজন তাকে চোর আখ্যা দেন। এরপর তাকে হাত-পা বেঁধে এলোপাথাড়ি পেটাতে থাকে। এতে সে গুরুতর আহত হয়েছে। খবর পেয়ে আমরা তাকে উদ্ধার করে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা করাচ্ছি। এর মধ্যে সেই মারধরের একটি ভিডিও তারা ফেসবুকে ছেড়ে দেয়।’

নিজস্ব প্রতিবেদক: 





















