সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পদ্মপাড়ে বাংলাদেশ-ভারত ৫ম সাংস্কৃতিক মিলনমেলা শুরু শুক্রবার

পদ্মপাড়ে বাংলাদেশ-ভারত ৫ম সাংস্কৃতিক মিলনমেলা শুরু শুক্রবার

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ, বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রীর ৫০ বছর পূর্তিতে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশের উদ্যোগে শুরু হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত সাংস্কৃতিক মিলনমেলা-২০২২, রাজশাহী। ২৫ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি চার দিনব্যাপী এই সাংস্কৃতিক মিলনমেলা উপলক্ষে রাজশাহীকে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাজশাহী কলেজ মাঠ সহ অনুষ্ঠান আয়োজনের বিভিন্ন ভেন্যু পরিদর্শন করেছেন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশের সমন্বয়ক শামসুল আরেফিন, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক, রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ আলী কামাল, সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ দারা, সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ও রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ডা. আনিকা ফারিহা জামান অর্ণা প্রমুখ। এদিকে চার দিনের সাংস্কৃতিক মিলনমেলা উপলক্ষে রাজশাহীকে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে। ব্যানার-ফেস্টুন, রঙিন পতাকা স্থাপন, রাজশাহী কলেজের সামনে থেকে জাদুঘর মোড় পর্যন্ত সড়ক আলোকায়ন, নগর ভবন, রাজশাহী কলেজ সহ, নগর বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি ভবন ও নগরীর সকল গুরুত্বপূর্ণ মোড় আলোকায়ন, আলপনা, রাস্তার ডিভাইভারগুলোতে রঙের কাজ সহ রাজশাহীকে নতুনভাবে সাজানো হয়েছে। রাজশাহীতে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

চার দিনবাপী কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, ২৫ ফেব্রুয়ারি ভারতীয় অতিথিবৃন্দের আগমন, ২৬ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টায় সিএন্ডবি মোড়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে শ্রদ্ধা নিবেদন, সকাল ১০টায় জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন। আমন্ত্রিত অতিথিদের অংশগ্রহণে সকাল সাড়ে ১১টায় নগরভবন গ্রিন প্লাজায় নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। বিকেল সাড়ে ৪টায় আলোচনা সভা, সন্ধ্যা ৭টায় রাজশাহী কলেজ মাঠে বাংলাদেশ ও ভারতের খ্যাতিমান শিল্পীবৃন্দের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানটি সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। ২৭ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টায় বরেন্দ্র রিসার্চ মিউজিয়াম ও পুঠিয়া রাজবাড়ি পরিদর্শন, সকাল ১০টায় নাটোর উত্তরা গণভবনে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ।

সন্ধ্যা ৭টায় রাজশাহী কলেজ মাঠে জাতীয় ও স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন, ১০টায় তাহেরপুরে দুর্গামন্দির পরিদর্শন, দুপুর ১টায় বাঘা শাহী মসজিদ ও দরগা পরিদর্শন, বিকেল ৪টায় রাজশাহীতে প্রত্যাবর্তন ও চা চক্রে অংশগ্রহণ। ২৫ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রিজের সহযোগিতায় রাজশাহী কলেজ মাঠে মেলার আয়োজন করা হয়েছে। চার দিনব্যাপি সাংস্কৃতিক মিলনমেলায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও ত্রিপুরা রাজ্য সরকার, মাননীয় মন্ত্রী, রাজনৈতিক নেতা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তি, দেশের মাননীয় মন্ত্রী, সাংসদ, রাজনৈতিক-সামাজিক-সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, সরকারি কর্মকর্তা ও বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করবেন। এই সাংস্কৃতিক উৎসবের মধ্যে দিয়ে দুই দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

পদ্মপাড়ে বাংলাদেশ-ভারত ৫ম সাংস্কৃতিক মিলনমেলা শুরু শুক্রবার

প্রকাশিত সময় : ১১:৪৫:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২২

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ, বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রীর ৫০ বছর পূর্তিতে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশের উদ্যোগে শুরু হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত সাংস্কৃতিক মিলনমেলা-২০২২, রাজশাহী। ২৫ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি চার দিনব্যাপী এই সাংস্কৃতিক মিলনমেলা উপলক্ষে রাজশাহীকে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাজশাহী কলেজ মাঠ সহ অনুষ্ঠান আয়োজনের বিভিন্ন ভেন্যু পরিদর্শন করেছেন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশের সমন্বয়ক শামসুল আরেফিন, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক, রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ আলী কামাল, সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ দারা, সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ও রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ডা. আনিকা ফারিহা জামান অর্ণা প্রমুখ। এদিকে চার দিনের সাংস্কৃতিক মিলনমেলা উপলক্ষে রাজশাহীকে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে। ব্যানার-ফেস্টুন, রঙিন পতাকা স্থাপন, রাজশাহী কলেজের সামনে থেকে জাদুঘর মোড় পর্যন্ত সড়ক আলোকায়ন, নগর ভবন, রাজশাহী কলেজ সহ, নগর বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি ভবন ও নগরীর সকল গুরুত্বপূর্ণ মোড় আলোকায়ন, আলপনা, রাস্তার ডিভাইভারগুলোতে রঙের কাজ সহ রাজশাহীকে নতুনভাবে সাজানো হয়েছে। রাজশাহীতে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

চার দিনবাপী কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, ২৫ ফেব্রুয়ারি ভারতীয় অতিথিবৃন্দের আগমন, ২৬ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টায় সিএন্ডবি মোড়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে শ্রদ্ধা নিবেদন, সকাল ১০টায় জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন। আমন্ত্রিত অতিথিদের অংশগ্রহণে সকাল সাড়ে ১১টায় নগরভবন গ্রিন প্লাজায় নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। বিকেল সাড়ে ৪টায় আলোচনা সভা, সন্ধ্যা ৭টায় রাজশাহী কলেজ মাঠে বাংলাদেশ ও ভারতের খ্যাতিমান শিল্পীবৃন্দের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানটি সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। ২৭ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টায় বরেন্দ্র রিসার্চ মিউজিয়াম ও পুঠিয়া রাজবাড়ি পরিদর্শন, সকাল ১০টায় নাটোর উত্তরা গণভবনে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ।

সন্ধ্যা ৭টায় রাজশাহী কলেজ মাঠে জাতীয় ও স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন, ১০টায় তাহেরপুরে দুর্গামন্দির পরিদর্শন, দুপুর ১টায় বাঘা শাহী মসজিদ ও দরগা পরিদর্শন, বিকেল ৪টায় রাজশাহীতে প্রত্যাবর্তন ও চা চক্রে অংশগ্রহণ। ২৫ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রিজের সহযোগিতায় রাজশাহী কলেজ মাঠে মেলার আয়োজন করা হয়েছে। চার দিনব্যাপি সাংস্কৃতিক মিলনমেলায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও ত্রিপুরা রাজ্য সরকার, মাননীয় মন্ত্রী, রাজনৈতিক নেতা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তি, দেশের মাননীয় মন্ত্রী, সাংসদ, রাজনৈতিক-সামাজিক-সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, সরকারি কর্মকর্তা ও বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করবেন। এই সাংস্কৃতিক উৎসবের মধ্যে দিয়ে দুই দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।