গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে কারো মৃত্যু হয়নি। এ যাবত করোনায় মোট মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ১২৭ জনের। এছাড়া একই সময়ে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩০ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৫২ হাজার ৬৭৪ জনে। শুক্রবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনা বিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন ১৯ জন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঢাকা সিটিসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল ও বাড়িতে উপসর্গবিহীন রোগীসহ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৩২৬ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৮ লাখ ৯৫ হাজার ১৪৬ জন। সারাদেশে সরকারি-বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৮৭৯টি ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৪ হাজার ৭৬২টি এবং মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৪ হাজার ৭৫৪টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১ কোটি ৩৯ লাখ ৮৭ হাজার ৫২৮টি। এতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৬৩ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ০৫ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪৯ শতাংশ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৬ জন আইসোলেশনে এসেছেন এবং আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩০ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৬৯৪ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৪ লাখ ১২ হাজার ৬৬১ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ৩১ হাজার ৩৩ জন। এছাড়া ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী বিশ্বজুড়ে মহামারি করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ২ হাজার ৫৫৭ জন। একই সময়ে ভাইরাসটিতে নতুন রোগী হিসেবে করোনা শনাক্ত হয়েছে৬ লাখ ২৮ হাজার ৪২৯ জন।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ২০২০ সালের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনাকে ‘বৈশ্বিক মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে একই বছরের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে সংস্থাটি।

দৈনিক দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 






















