শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দুই ডোজ টিকা পেয়েছেন ১১ কোটি ৬৪ লাখ মানুষ

দেশে করোনা প্রতিরোধে টিকার কমপক্ষে দুটি ডোজ পেয়েছেন এমন লোকের সংখ্যা ১১ কোটি ৬৪ লাখ ৬৬ হাজার ৮৩১ জন মানুষ। প্রথম ডোজ নিয়েছেন ১২ কোটি ৮৫ লাখ ৭৯ হাজার ৪৯৪ জন। এ ছাড়াও এখন পর্যন্ত তৃতীয় ডোজ বা বুস্টার ডোজ নিয়েছেন এক কোটি ২৮ লাখ ৬৭ হাজার ১৬৭ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা টিকাসংক্রান্ত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার) সারাদেশে প্রথম ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে ১০ হাজার ৮৪৭ জনকে। দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে ৪০ হাজার ৯৫৩ জনকে। এ ছাড়াও এই সময়ে বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়েছে ৬৭ হাজার ৮০২ জনকে। এগুলো দেওয়া হয়েছে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা, সিনোফার্ম, ফাইজার, মডার্না এবং জনসন অ্যান্ড জনসনের টিকা।

গত ১ নভেম্বর থেকে দেশে ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। তাদের মধ্যে এখন পর্যন্ত এক কোটি ৭৩ লাখ ২০ হাজার ৮৭২ শিক্ষার্থীকে প্রথম ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে এক কোটি ৫৮ লাখ ৯৮ হাজার ১৪৮ শিক্ষার্থীকে। অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশে এ পর্যন্ত ২ লাখ ১৮ হাজার ১০৬ জন ভাসমান জনগোষ্ঠী টিকার আওতায় এসেছেন। তাদের জনসন অ্যান্ড জনসনের সিঙ্গেল ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে।করোনা টিকার নিবন্ধন শুরু হয় গত বছরের ২৭ জানুয়ারি। এরপর ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে গণটিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথমে ৪০ ঊর্ধ্ব, পরবর্তীতে ৩৫ বছর থেকে পর্যায়ক্রমে ১৮ বছর বা তদর্র্ধ্ব যে কোনো মানুষকে টিকার আতওতায় আনা হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

দুই ডোজ টিকা পেয়েছেন ১১ কোটি ৬৪ লাখ মানুষ

প্রকাশিত সময় : ১২:৩৭:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মে ২০২২

দেশে করোনা প্রতিরোধে টিকার কমপক্ষে দুটি ডোজ পেয়েছেন এমন লোকের সংখ্যা ১১ কোটি ৬৪ লাখ ৬৬ হাজার ৮৩১ জন মানুষ। প্রথম ডোজ নিয়েছেন ১২ কোটি ৮৫ লাখ ৭৯ হাজার ৪৯৪ জন। এ ছাড়াও এখন পর্যন্ত তৃতীয় ডোজ বা বুস্টার ডোজ নিয়েছেন এক কোটি ২৮ লাখ ৬৭ হাজার ১৬৭ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা টিকাসংক্রান্ত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার) সারাদেশে প্রথম ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে ১০ হাজার ৮৪৭ জনকে। দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে ৪০ হাজার ৯৫৩ জনকে। এ ছাড়াও এই সময়ে বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়েছে ৬৭ হাজার ৮০২ জনকে। এগুলো দেওয়া হয়েছে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা, সিনোফার্ম, ফাইজার, মডার্না এবং জনসন অ্যান্ড জনসনের টিকা।

গত ১ নভেম্বর থেকে দেশে ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। তাদের মধ্যে এখন পর্যন্ত এক কোটি ৭৩ লাখ ২০ হাজার ৮৭২ শিক্ষার্থীকে প্রথম ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে এক কোটি ৫৮ লাখ ৯৮ হাজার ১৪৮ শিক্ষার্থীকে। অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশে এ পর্যন্ত ২ লাখ ১৮ হাজার ১০৬ জন ভাসমান জনগোষ্ঠী টিকার আওতায় এসেছেন। তাদের জনসন অ্যান্ড জনসনের সিঙ্গেল ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে।করোনা টিকার নিবন্ধন শুরু হয় গত বছরের ২৭ জানুয়ারি। এরপর ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে গণটিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথমে ৪০ ঊর্ধ্ব, পরবর্তীতে ৩৫ বছর থেকে পর্যায়ক্রমে ১৮ বছর বা তদর্র্ধ্ব যে কোনো মানুষকে টিকার আতওতায় আনা হয়।