বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

টিপু হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা শুটার মুসা গ্রেফতার

আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম টিপু হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতা সুমন শিকদার মুসাকে ওমানে গ্রেফতার করা হয়েছে। মিশন ঠিকঠাক করে গত ১২ মার্চ বাংলাদেশ ত্যাগ করে শুটার মুসা।

শুক্রবার (৩ জুন) বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোল। জোড়া খুনের তদন্তে তার নাম আসার পরই নড়েচড়ে বসেছিলেন গোয়েন্দারা।

ইন্টারপোল বাংলাদেশ শাখার এআইজি (এনসিবি) মহিউল ইসলাম বলেন, মুসাকে ফেরাতে ইন্টারপোলের মাধ্যমে অনেক দিন আগে থেকেই কাজ শুরু করেছি। ওমানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। ওমানে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরের মধ্যে আছেন, এটা জানানো হয়েছে। তবে ফেরত আসার আগে আর কিছু বলতে চাননি তিনি।

জানা যায়, কিলিং অপারেশনের ১২ দিন আগে শাহ্জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে পালান মুসা। এরপর বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে তাকে বিদেশ থেকে ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। মুসা প্রথমে দুবাই গেলেও পরে সেখান থেকে ওমান পালিয়ে যান। এরপর ওমানের সঙ্গে ইন্টারপোলের মাধ্যমে যোগাযোগ শুরু করে বাংলাদেশ। সপ্তাহখানেকের মধ্যে পুলিশের একটি টিম মুসাকে আনতে ওমান যাচ্ছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

টিপু হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা শুটার মুসা গ্রেফতার

প্রকাশিত সময় : ০৯:৫৭:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুন ২০২২

আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম টিপু হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতা সুমন শিকদার মুসাকে ওমানে গ্রেফতার করা হয়েছে। মিশন ঠিকঠাক করে গত ১২ মার্চ বাংলাদেশ ত্যাগ করে শুটার মুসা।

শুক্রবার (৩ জুন) বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোল। জোড়া খুনের তদন্তে তার নাম আসার পরই নড়েচড়ে বসেছিলেন গোয়েন্দারা।

ইন্টারপোল বাংলাদেশ শাখার এআইজি (এনসিবি) মহিউল ইসলাম বলেন, মুসাকে ফেরাতে ইন্টারপোলের মাধ্যমে অনেক দিন আগে থেকেই কাজ শুরু করেছি। ওমানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। ওমানে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরের মধ্যে আছেন, এটা জানানো হয়েছে। তবে ফেরত আসার আগে আর কিছু বলতে চাননি তিনি।

জানা যায়, কিলিং অপারেশনের ১২ দিন আগে শাহ্জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে পালান মুসা। এরপর বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে তাকে বিদেশ থেকে ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। মুসা প্রথমে দুবাই গেলেও পরে সেখান থেকে ওমান পালিয়ে যান। এরপর ওমানের সঙ্গে ইন্টারপোলের মাধ্যমে যোগাযোগ শুরু করে বাংলাদেশ। সপ্তাহখানেকের মধ্যে পুলিশের একটি টিম মুসাকে আনতে ওমান যাচ্ছেন।