রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঢাকায় পৌঁছেছে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি

৩৬ ঘণ্টার সফরে ঢাকা এসে পৌঁছেছে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি। বুধবার সকাল ১১টা ২০ মিনিটে পাকিস্তান থেকে ট্রফিটি একটি চাটার্ড ফ্লাইটে এসে পৌঁছায়।

ফিফার ৭ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল এই ট্রফির সঙ্গে এসেছেন। এই দলে আছেন ফ্রান্সের হয়ে ১৯৯৮ বিশ্বকাপজয়ী খেলোয়াড় ক্রিশ্চিয়ানো লালি কাকে কারেম্বু। আর বিমান বন্দরে ট্রফি বরণ করে নেন বাফুফে সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিনসহ নির্বাহী কমিটির কর্মকর্তাবৃন্দ।

এবারের ট্রফিটি কোনো রেপ্লিকা নয়, এটি বিশ্বকাপের অরিজিনাল ট্রফি।

আজ বিকালে রাষ্ট্রপতির বাসভবনে নেওয়া হবে ট্রফি। সন্ধ্যার পর প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে ট্রফিটি যাওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে ২০১৩ সালে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি বাংলাদেশে এসেছিল।

৯ জুন আর্মি স্টেডিয়ামে ট্রফিটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। তবে সবাই ট্রফির সঙ্গে ছবি তোলার সুযোগ নাও পেতে পারেন। বিশ্বকাপ ট্রফি বাংলাদেশে আসছে ফিফার কমার্শিয়াল পার্টনার কোকা-কোলার মাধ্যমে। তারাই মূলত এ ব্যবস্থাপনা করেছে। তবে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন কোকা-কোলার সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ঢাকায় পৌঁছেছে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি

প্রকাশিত সময় : ০৪:২৩:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুন ২০২২

৩৬ ঘণ্টার সফরে ঢাকা এসে পৌঁছেছে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি। বুধবার সকাল ১১টা ২০ মিনিটে পাকিস্তান থেকে ট্রফিটি একটি চাটার্ড ফ্লাইটে এসে পৌঁছায়।

ফিফার ৭ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল এই ট্রফির সঙ্গে এসেছেন। এই দলে আছেন ফ্রান্সের হয়ে ১৯৯৮ বিশ্বকাপজয়ী খেলোয়াড় ক্রিশ্চিয়ানো লালি কাকে কারেম্বু। আর বিমান বন্দরে ট্রফি বরণ করে নেন বাফুফে সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিনসহ নির্বাহী কমিটির কর্মকর্তাবৃন্দ।

এবারের ট্রফিটি কোনো রেপ্লিকা নয়, এটি বিশ্বকাপের অরিজিনাল ট্রফি।

আজ বিকালে রাষ্ট্রপতির বাসভবনে নেওয়া হবে ট্রফি। সন্ধ্যার পর প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে ট্রফিটি যাওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে ২০১৩ সালে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি বাংলাদেশে এসেছিল।

৯ জুন আর্মি স্টেডিয়ামে ট্রফিটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। তবে সবাই ট্রফির সঙ্গে ছবি তোলার সুযোগ নাও পেতে পারেন। বিশ্বকাপ ট্রফি বাংলাদেশে আসছে ফিফার কমার্শিয়াল পার্টনার কোকা-কোলার মাধ্যমে। তারাই মূলত এ ব্যবস্থাপনা করেছে। তবে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন কোকা-কোলার সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে।