রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তিন দশক পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জয় শ্রীলঙ্কার

শ্রীলঙ্কার দেওয়া ২৫৯ রানের লক্ষ্যটা খুব বেশি একটা বড় ছিলোনা অস্ট্রেলিয়ার জন্য। তবুও ম্যাচ গড়ায় শেষ ওভার পর্যন্ত। ম্যাচে আসতে পারতো যেকোন ফলাফল। তবুও স্নায়ুক্ষয়ী এই লড়াইয়ে শেষ হাসিটা হাসলো শ্রীলঙ্কা। আসলো ৪ রানের জয়। ফলে দীর্ঘ ৩০ বছর পর হাতে এক ম্যাচ রেখেই ৩-১ ব্যবধানে সিরিজ জয় নিশ্চিত করল লঙ্কানরা।

জয়ের জন্য শেষ ওভারে অস্ট্রেলিয়ার প্রয়োজন ছিলো ১৯ রান। অধিনায়ক দাসুন শানাকা নিজেই এলেন পরিস্থিতি সামাল দিতে। শুরুর বলে কোনো রান না দিয়ে চাপে ফেলে দেন অজিদের। এরপরের বল ফুল টস দেওয়ায় পয়েন্ট দিয়ে তা সীমানাছাড়া করতে মোটেই ভুল করেননি কুনেমান। চাপটা তাতে ফিরে এলো স্বাগতিকদের ওপরই।

পরের বলেই লেন্থ বদলালেন শানাকা। এতে কোনরুপ ফল আসেনি। তার শর্টার লেন্থে করা তৃতীয় বলে দুই রান নিলেন কুনেমান। পরের বলটাও গেল একই লেন্থে, স্কুপ করে শর্ট ফাইন লেগের ওপর দিয়ে সীমানাছাড়া করলেন বলটা। ফলে পরিস্থিতি নেমে এলো দুই বলে ১০ রানে। পঞ্চম বলটা অফ স্টাম্পের একটু বাইরে ফুলার লেন্থে ফেললেন শানাকা। মিড অফের ওপর দিয়ে সে বলটাও সীমানাছাড়া করে বসলেন কুনেমান।

ম্যাচের সমীকরণ দাঁড়ালো শেষ বলে দরকার ৫ রান। তবে শানাকা শান্তই থাকলেন, শেষ বলটা করলেন স্লোয়ার। কভারের ওপর দিয়ে সীমানাছাড়া করতে গিয়েও পারলেন না কুনেমান, ৩০ গজ বৃত্তের বাইরে চারিথ আসালঙ্কার হাতে পড়লেন ধরা। তাতেই সিরিজে ফেরার পথ বন্ধ হয় অজিদের, শ্রীলঙ্কা মাতে সিরিজ জয়ের উল্লাসে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

তিন দশক পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জয় শ্রীলঙ্কার

প্রকাশিত সময় : ১০:৩৯:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুন ২০২২

শ্রীলঙ্কার দেওয়া ২৫৯ রানের লক্ষ্যটা খুব বেশি একটা বড় ছিলোনা অস্ট্রেলিয়ার জন্য। তবুও ম্যাচ গড়ায় শেষ ওভার পর্যন্ত। ম্যাচে আসতে পারতো যেকোন ফলাফল। তবুও স্নায়ুক্ষয়ী এই লড়াইয়ে শেষ হাসিটা হাসলো শ্রীলঙ্কা। আসলো ৪ রানের জয়। ফলে দীর্ঘ ৩০ বছর পর হাতে এক ম্যাচ রেখেই ৩-১ ব্যবধানে সিরিজ জয় নিশ্চিত করল লঙ্কানরা।

জয়ের জন্য শেষ ওভারে অস্ট্রেলিয়ার প্রয়োজন ছিলো ১৯ রান। অধিনায়ক দাসুন শানাকা নিজেই এলেন পরিস্থিতি সামাল দিতে। শুরুর বলে কোনো রান না দিয়ে চাপে ফেলে দেন অজিদের। এরপরের বল ফুল টস দেওয়ায় পয়েন্ট দিয়ে তা সীমানাছাড়া করতে মোটেই ভুল করেননি কুনেমান। চাপটা তাতে ফিরে এলো স্বাগতিকদের ওপরই।

পরের বলেই লেন্থ বদলালেন শানাকা। এতে কোনরুপ ফল আসেনি। তার শর্টার লেন্থে করা তৃতীয় বলে দুই রান নিলেন কুনেমান। পরের বলটাও গেল একই লেন্থে, স্কুপ করে শর্ট ফাইন লেগের ওপর দিয়ে সীমানাছাড়া করলেন বলটা। ফলে পরিস্থিতি নেমে এলো দুই বলে ১০ রানে। পঞ্চম বলটা অফ স্টাম্পের একটু বাইরে ফুলার লেন্থে ফেললেন শানাকা। মিড অফের ওপর দিয়ে সে বলটাও সীমানাছাড়া করে বসলেন কুনেমান।

ম্যাচের সমীকরণ দাঁড়ালো শেষ বলে দরকার ৫ রান। তবে শানাকা শান্তই থাকলেন, শেষ বলটা করলেন স্লোয়ার। কভারের ওপর দিয়ে সীমানাছাড়া করতে গিয়েও পারলেন না কুনেমান, ৩০ গজ বৃত্তের বাইরে চারিথ আসালঙ্কার হাতে পড়লেন ধরা। তাতেই সিরিজে ফেরার পথ বন্ধ হয় অজিদের, শ্রীলঙ্কা মাতে সিরিজ জয়ের উল্লাসে।