বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মৌলভীবাজারে কুশিয়ারা নদীর বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় বন্যা প্লাবিত হচ্ছে নতুন এলাকা

সিলেট বিভাগের চারটি জেলার মিলনস্থল মৌলভীবাজার সদর উপজেলার খলিপুর ইউনিয়নের হামরকোনা এলাকায় কুশিয়ারা নদীর একটি বাঁধের অংশ ভেঙে গেছে। এতে প্রবল বেগে পানি হু-হু করে প্রবেশ করছে লোকালয়ে। উপজেলার বিস্তীর্ণ বহু নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। আশঙ্কা রয়েছে পার্শ্ববর্তী হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকাও প্লাবিত হওয়ার। 

বুধবার (২২ জুন) বিকাল ৩টার দিকে বাঁধের ভাঙন দেখা যায়। এতে ঐ এলাকার বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। এদিকে বন্যায় প্লাবিত হয়ে পানিবন্দী বহু পরিবার শেরপুর আজাদ বখত উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, শামসুন্নাহার বিদ্যাপীঠসহ বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে নিরাপদে অবস্থান করছেন। 

ইতোমধ্যে সদর উপজেলার খলিলপুর ইউনিয়নের  ব্রাহ্মণগ্রাম, শেরপুর মুক্তিনগর (নতুনবস্তি), হামরকোণা গ্রামের কুশিয়ারা নদী তীররক্ষা বাঁধের ওপর দিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করেছে। এতে স্থানীয় শেরপুর বাজারসহ ঐ এলাকার ৪টি গ্রামের অন্তত হাজার খানেক পরিবার পানিবন্দি রয়েছেন। বাদ যায়নি মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় ঐ এলাকার বিভিন্ন স্থানে নির্মাণাধীন ঘরবাড়ি। 

প্রসঙ্গত, গত ক’দিনের টানা বর্ষণে ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সিলেট-সুনামগঞ্জ সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বাঁধ ভেঙে বহু গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। দেখা দিয়েছে ভয়ানক বন্যা পরিস্থিতি। দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো মানুষ। এতে অন্যান্য জেলার ন্যায় মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন এলাকার নিম্নাঞ্চলও পানিতে তলিয়ে গেছে। প্লাবিত হয়েছে সড়ক। অনেক জাগায় আবার যান চলাচলও ব্যাহত রয়েছে। এমনকি অনেক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। বন্যার পানি বাড়ায় গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন বহু মানুষ। ফলে নদীর পাড়ের ও নিম্নাঞ্চলের সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষজনের দিন কাটছে আতঙ্কে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

মৌলভীবাজারে কুশিয়ারা নদীর বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় বন্যা প্লাবিত হচ্ছে নতুন এলাকা

প্রকাশিত সময় : ০৩:২১:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুন ২০২২

সিলেট বিভাগের চারটি জেলার মিলনস্থল মৌলভীবাজার সদর উপজেলার খলিপুর ইউনিয়নের হামরকোনা এলাকায় কুশিয়ারা নদীর একটি বাঁধের অংশ ভেঙে গেছে। এতে প্রবল বেগে পানি হু-হু করে প্রবেশ করছে লোকালয়ে। উপজেলার বিস্তীর্ণ বহু নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। আশঙ্কা রয়েছে পার্শ্ববর্তী হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকাও প্লাবিত হওয়ার। 

বুধবার (২২ জুন) বিকাল ৩টার দিকে বাঁধের ভাঙন দেখা যায়। এতে ঐ এলাকার বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। এদিকে বন্যায় প্লাবিত হয়ে পানিবন্দী বহু পরিবার শেরপুর আজাদ বখত উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, শামসুন্নাহার বিদ্যাপীঠসহ বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে নিরাপদে অবস্থান করছেন। 

ইতোমধ্যে সদর উপজেলার খলিলপুর ইউনিয়নের  ব্রাহ্মণগ্রাম, শেরপুর মুক্তিনগর (নতুনবস্তি), হামরকোণা গ্রামের কুশিয়ারা নদী তীররক্ষা বাঁধের ওপর দিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করেছে। এতে স্থানীয় শেরপুর বাজারসহ ঐ এলাকার ৪টি গ্রামের অন্তত হাজার খানেক পরিবার পানিবন্দি রয়েছেন। বাদ যায়নি মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় ঐ এলাকার বিভিন্ন স্থানে নির্মাণাধীন ঘরবাড়ি। 

প্রসঙ্গত, গত ক’দিনের টানা বর্ষণে ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সিলেট-সুনামগঞ্জ সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বাঁধ ভেঙে বহু গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। দেখা দিয়েছে ভয়ানক বন্যা পরিস্থিতি। দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো মানুষ। এতে অন্যান্য জেলার ন্যায় মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন এলাকার নিম্নাঞ্চলও পানিতে তলিয়ে গেছে। প্লাবিত হয়েছে সড়ক। অনেক জাগায় আবার যান চলাচলও ব্যাহত রয়েছে। এমনকি অনেক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। বন্যার পানি বাড়ায় গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন বহু মানুষ। ফলে নদীর পাড়ের ও নিম্নাঞ্চলের সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষজনের দিন কাটছে আতঙ্কে।