শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিক্ষক হত্যাকাণ্ড: মূল অভিযুক্ত জিতুর বাবাকে ৫ দিনের রিমান্ড

আশুলিয়ায় শিক্ষক উৎপল কুমার সরকারের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার জিতুর বাবা উজ্জ্বল হাজীকে ৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। পুলিশের ১০ দিন রিমান্ড আবেদনের প্রেক্ষিতে ৫ দিন মঞ্জুর করে আদালত।

বুধবার (২৯ জুন) দুপুর ১টার দিকে আশুলিয়া থানার প্রিজনভ্যানে করে উজ্জ্বল হাজীকে আদালতে নেওয়া হয়।

এর আগে তাকে অভিযান চালিয়ে কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এমদাদুল হক বলেন, তথ্য-প্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুষ্টিয়ায় অভিযান চালানো হয়।

উল্লেখ্য, সোমবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে না-ফেরার দেশে চলে যান ছাত্রের মারধরে আহত শিক্ষক উৎপল। পরে রবিবার আশুলিয়া থানায় নিহত শিক্ষকের ভাই অসীম কুমার বাদী হয়ে জিতুসহ অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকে এখনো অভিযুক্ত শিক্ষার্থী পলাতক রয়েছে। এই মামলায় জিতুর বাবা উজ্জ্বলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

এর আগে গত শনিবার (২৫ জুন) হাজী ইউনুছ আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের মাঠে ছাত্রীদের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট চলছিল। এ সময় মাঠে খেলা পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন উৎপল। দুপুর আড়াইটার দিকে স্কুলের ওই বখাটে ছাত্র সবার সামনে ক্রিকেট স্টাম্প হাতে নিয়ে উৎপলের মাথা ও পেটে বেধড়ক আঘাত করতে থাকে। বিষয়টি বোঝার আগেই রক্তাক্ত হন উৎপল। তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় নারী ও শিশু কেন্দ্র হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। পেটে অস্ত্রোপচার করা হয়। ১৬ ব্যাগ রক্ত দেওয়া হয় শরীরে। কিন্তু তাঁকে আর বাঁচানো যায়নি।ভোরের কাগজ

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

শিক্ষক হত্যাকাণ্ড: মূল অভিযুক্ত জিতুর বাবাকে ৫ দিনের রিমান্ড

প্রকাশিত সময় : ০৬:১০:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুন ২০২২

আশুলিয়ায় শিক্ষক উৎপল কুমার সরকারের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার জিতুর বাবা উজ্জ্বল হাজীকে ৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। পুলিশের ১০ দিন রিমান্ড আবেদনের প্রেক্ষিতে ৫ দিন মঞ্জুর করে আদালত।

বুধবার (২৯ জুন) দুপুর ১টার দিকে আশুলিয়া থানার প্রিজনভ্যানে করে উজ্জ্বল হাজীকে আদালতে নেওয়া হয়।

এর আগে তাকে অভিযান চালিয়ে কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এমদাদুল হক বলেন, তথ্য-প্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুষ্টিয়ায় অভিযান চালানো হয়।

উল্লেখ্য, সোমবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে না-ফেরার দেশে চলে যান ছাত্রের মারধরে আহত শিক্ষক উৎপল। পরে রবিবার আশুলিয়া থানায় নিহত শিক্ষকের ভাই অসীম কুমার বাদী হয়ে জিতুসহ অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকে এখনো অভিযুক্ত শিক্ষার্থী পলাতক রয়েছে। এই মামলায় জিতুর বাবা উজ্জ্বলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

এর আগে গত শনিবার (২৫ জুন) হাজী ইউনুছ আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের মাঠে ছাত্রীদের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট চলছিল। এ সময় মাঠে খেলা পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন উৎপল। দুপুর আড়াইটার দিকে স্কুলের ওই বখাটে ছাত্র সবার সামনে ক্রিকেট স্টাম্প হাতে নিয়ে উৎপলের মাথা ও পেটে বেধড়ক আঘাত করতে থাকে। বিষয়টি বোঝার আগেই রক্তাক্ত হন উৎপল। তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় নারী ও শিশু কেন্দ্র হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। পেটে অস্ত্রোপচার করা হয়। ১৬ ব্যাগ রক্ত দেওয়া হয় শরীরে। কিন্তু তাঁকে আর বাঁচানো যায়নি।ভোরের কাগজ