সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্ত্রীসহ ২ মেয়েকে হত্যা করে স্বামীর আত্মসমর্পণ

যশোরের অভয়নগরে স্ত্রী ও ২ মেয়েকে শ্বাসরোধে হত্যা করে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে জহিরুল ইসলাম বাবু (৩৩) নামে এক যুবক। তিনি যশোর সদর উপজেলার বাসুন্দিয়া জগন্নাথপুর গ্রামের মশিউর রহমানের ছেলে। নিহতরা হলো, জহিরুল ইসলাম বাবুর স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন বিথি (২৮) ও তার দুই মেয়ে সুমাইয়া খাতুন (৯) ও সাফিয়া খাতুন (২)।

বসুন্দিয়া ক্যাম্পের পুলিশ এএসআই সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, জহিরুল ইসলাম বাবুর স্ত্রী ও দুই মেয়ে তার শ্বশুর বাড়ি অভয়নগরের সিদ্দিপাশা গ্রামে ছিলো। শুক্রবার (১৫ জুলাই) দুপুরের পর বাবু তার স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে নিজের বাড়ি বসুন্দিয়ার জগন্নাথপুর গ্রামে রওনা দেয়। পথিমধ্যে অভয়নগরের চেঙ্গুটিয়া চাপাতলা এলাকায় পৌছালে একটি শাল বাগানের মধ্যে নিয়ে গিয়ে তিনজনের গলাই গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে বাড়িতে চলে আসে। পরে বাবু নিজেই বসুন্দিয়া পুলিশ ক্যাম্পে গিয়ে আত্মসমপর্ণ করে। তাকে হেফাজতে নিয়ে অভয়নগর থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। কী কারণে এই হত্যাকান্ড তা তিনি জানাতে পারেন নি। তবে পারিবারিক কলোহের জেরে এই হত্যাকান্ড বলে প্রাথমিক ভাবে জানাগেছে।

এই বিষয়ে যশোরের ডিবি পুলিশের ওসি রুপন কুমার সরকার জানিয়েছেন, বাবু পুলিশ হেফাজতে আছে। তাকে হত্যাকান্ড সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

স্ত্রীসহ ২ মেয়েকে হত্যা করে স্বামীর আত্মসমর্পণ

প্রকাশিত সময় : ১০:৫৭:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ জুলাই ২০২২

যশোরের অভয়নগরে স্ত্রী ও ২ মেয়েকে শ্বাসরোধে হত্যা করে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে জহিরুল ইসলাম বাবু (৩৩) নামে এক যুবক। তিনি যশোর সদর উপজেলার বাসুন্দিয়া জগন্নাথপুর গ্রামের মশিউর রহমানের ছেলে। নিহতরা হলো, জহিরুল ইসলাম বাবুর স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন বিথি (২৮) ও তার দুই মেয়ে সুমাইয়া খাতুন (৯) ও সাফিয়া খাতুন (২)।

বসুন্দিয়া ক্যাম্পের পুলিশ এএসআই সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, জহিরুল ইসলাম বাবুর স্ত্রী ও দুই মেয়ে তার শ্বশুর বাড়ি অভয়নগরের সিদ্দিপাশা গ্রামে ছিলো। শুক্রবার (১৫ জুলাই) দুপুরের পর বাবু তার স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে নিজের বাড়ি বসুন্দিয়ার জগন্নাথপুর গ্রামে রওনা দেয়। পথিমধ্যে অভয়নগরের চেঙ্গুটিয়া চাপাতলা এলাকায় পৌছালে একটি শাল বাগানের মধ্যে নিয়ে গিয়ে তিনজনের গলাই গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে বাড়িতে চলে আসে। পরে বাবু নিজেই বসুন্দিয়া পুলিশ ক্যাম্পে গিয়ে আত্মসমপর্ণ করে। তাকে হেফাজতে নিয়ে অভয়নগর থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। কী কারণে এই হত্যাকান্ড তা তিনি জানাতে পারেন নি। তবে পারিবারিক কলোহের জেরে এই হত্যাকান্ড বলে প্রাথমিক ভাবে জানাগেছে।

এই বিষয়ে যশোরের ডিবি পুলিশের ওসি রুপন কুমার সরকার জানিয়েছেন, বাবু পুলিশ হেফাজতে আছে। তাকে হত্যাকান্ড সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।