বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সন্তান দেওয়ার প্রলোভনে গৃহবধূকে ধর্ষণ!

বগুড়ার গাবতলীতে বিয়ের প্রলোভনে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে আদালতে মামলা করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালত-২ এ মামলাটি দায়ের করেন উপজেলার নশিপুর ইউনিয়নের মাঝবাড়ি গ্রামের ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ।

মামলায় আসামি করা হয়েছে একই গ্রামের আব্দুর রহমান সাজুকে। ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি দায়ের করা হয়। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্ত করে আগামী ২৩ অক্টোবর প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামি আব্দুর রহমান সাজু গত ৫ জানুয়ারি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইউনিয়ন পরিষদে সদস্য পদে প্রার্থী হন। সে সুবাদে ভোটের জন্য বাদী গৃহবধূর বাড়িতে উঠাবসা করতো। সে সময় ওই গৃহবধূকে সাজু প্রেমের প্রস্তাবসহ নানা সময়ে উত্যক্ত ও মোবাইলে ফোন দিত। ওই গৃহবধূর সন্তান না হওয়ায় সাজু তাকে বিয়ে করে সন্তান দেবে এমন প্রলোভন দেখায়। এ সময় তাদের মধ্যে সর্ম্পক তৈরি হয়। এক পর্যায়ে বিয়ের প্রলোভনে ওই গৃহবধূকে একাধিকবার ধর্ষণ করে সাজু।

গত ১২ জুলাই সাজু ওই গৃহবধূর বাড়িতে গেলে এলাকাবাসী তাকে আটক করে স্থানীয় চেয়ারম্যান এবং পুলিশকে খরব দেয়। পরে পুলিশ এসে সাজুকে আটক করে। গত ১৩ জুলাই আসামির সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার কথা বলে সাজুকে থানা থেকে ছাড়িয়ে আনা হয়।

পরবর্তীতে বিয়ে না দিয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য নজরুল ইসলামের সহায়তায় গৃহবধূকে তার স্বামীর বাড়িতে পাঠানো হয়। এ বিষয়ে ১৫ জুলাই থানায় মামলা করতে গেলে থানা হতে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সন্তান দেওয়ার প্রলোভনে গৃহবধূকে ধর্ষণ!

প্রকাশিত সময় : ১১:৫১:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ জুলাই ২০২২

বগুড়ার গাবতলীতে বিয়ের প্রলোভনে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে আদালতে মামলা করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালত-২ এ মামলাটি দায়ের করেন উপজেলার নশিপুর ইউনিয়নের মাঝবাড়ি গ্রামের ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ।

মামলায় আসামি করা হয়েছে একই গ্রামের আব্দুর রহমান সাজুকে। ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি দায়ের করা হয়। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্ত করে আগামী ২৩ অক্টোবর প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামি আব্দুর রহমান সাজু গত ৫ জানুয়ারি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইউনিয়ন পরিষদে সদস্য পদে প্রার্থী হন। সে সুবাদে ভোটের জন্য বাদী গৃহবধূর বাড়িতে উঠাবসা করতো। সে সময় ওই গৃহবধূকে সাজু প্রেমের প্রস্তাবসহ নানা সময়ে উত্যক্ত ও মোবাইলে ফোন দিত। ওই গৃহবধূর সন্তান না হওয়ায় সাজু তাকে বিয়ে করে সন্তান দেবে এমন প্রলোভন দেখায়। এ সময় তাদের মধ্যে সর্ম্পক তৈরি হয়। এক পর্যায়ে বিয়ের প্রলোভনে ওই গৃহবধূকে একাধিকবার ধর্ষণ করে সাজু।

গত ১২ জুলাই সাজু ওই গৃহবধূর বাড়িতে গেলে এলাকাবাসী তাকে আটক করে স্থানীয় চেয়ারম্যান এবং পুলিশকে খরব দেয়। পরে পুলিশ এসে সাজুকে আটক করে। গত ১৩ জুলাই আসামির সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার কথা বলে সাজুকে থানা থেকে ছাড়িয়ে আনা হয়।

পরবর্তীতে বিয়ে না দিয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য নজরুল ইসলামের সহায়তায় গৃহবধূকে তার স্বামীর বাড়িতে পাঠানো হয়। এ বিষয়ে ১৫ জুলাই থানায় মামলা করতে গেলে থানা হতে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়।