সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বর্ণবিদ্বেষের দায়ে গণ-ইস্তফা স্কটল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডে

বর্ণবিদ্বেষী বলে অভিযোগ উঠেছিল স্কটল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের বিরুদ্ধে। তদন্তকারী সংস্থা জানায় যে, স্কটল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড প্রাতিষ্ঠানিকভাবেই বর্ণবিদ্বেষী। স্কটল্যান্ড সরকারের ক্রীড়া দফতরকে এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

তদন্তকারী সংস্থা বর্ণবিদ্বেষের ৪৪৮টি প্রমাণ হাতে পেয়েছে। আর এ জন্য স্কটল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারা সকলেই একসঙ্গে ইস্তফা দিয়েছেন। এই সমস্ত প্রমাণ স্কটল্যান্ডের খেলাধূলার জন্য সতর্কবার্তা বলেই মনে করা হচ্ছে। এমন তথ্যও উঠে এসেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে কোনও ব্যক্তি বর্ণবিদ্বেষের বিরুদ্ধে মুখ খুললে তার বিরুদ্ধে আরও বেশি করে বর্ণবিদ্বেষী আক্রমণ হয়েছে।

বোর্ডের কর্তারা ইস্তফা দেওয়ায় ২০২৩ সাল পর্যন্ত স্কটল্যান্ড ক্রিকেটের দায়িত্ব নেবে সে দেশের ক্রীড়া দফতর। যদিও নতুন ক্রিকেট বোর্ড তৈরির কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। এই বছরের সেপ্টেম্বরের মধ্যে ক্রিকেট বোর্ড তৈরি করা হবে। সেখানে অন্তত ৪০ শতাংশ পুরুষ এবং ৪০ শতাংশ মহিলা রাখতেই হবে। তাদের মধ্যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্তত ২৫ শতাংশ মানুষকে রাখতে হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ক্রিকেট স্কটল্যান্ডের অন্তর্বর্তিকালীন কর্তা গর্ডন আর্থার বলেন, “যে খেলাকে আমরা ভালবাসি, সেই ক্রিকেটেই বর্ণবৈষম্য দেখা গিয়েছে। এটা হতে দেওয়া কখনই উচিত হয়নি। এতদিন ধরে এই বিষয়টা নিয়ে কেউ কথাই বলেনি। স্কটিশ ক্রিকেট বোর্ডের দ্বারা যে ক্রিকেটাররা বর্ণবিদ্বেষের শিকার হয়েছে তাদের কাছে আমরা ক্ষমাপ্রার্থী। তাদের পরিবারের কাছেও। আশা করি এই তদন্ত তাদের আশ্বস্ত করবে। তাদের অভিযোগ যে শোনা হয়েছে। আমরা দুঃখিত যে এটা আগে করা হয়নি।”

উল্লেখ্য, বুধবার নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে নামবে তারা। এ বারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বেও খেলবে তারা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বর্ণবিদ্বেষের দায়ে গণ-ইস্তফা স্কটল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডে

প্রকাশিত সময় : ০২:৫৪:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ জুলাই ২০২২

বর্ণবিদ্বেষী বলে অভিযোগ উঠেছিল স্কটল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের বিরুদ্ধে। তদন্তকারী সংস্থা জানায় যে, স্কটল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড প্রাতিষ্ঠানিকভাবেই বর্ণবিদ্বেষী। স্কটল্যান্ড সরকারের ক্রীড়া দফতরকে এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

তদন্তকারী সংস্থা বর্ণবিদ্বেষের ৪৪৮টি প্রমাণ হাতে পেয়েছে। আর এ জন্য স্কটল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারা সকলেই একসঙ্গে ইস্তফা দিয়েছেন। এই সমস্ত প্রমাণ স্কটল্যান্ডের খেলাধূলার জন্য সতর্কবার্তা বলেই মনে করা হচ্ছে। এমন তথ্যও উঠে এসেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে কোনও ব্যক্তি বর্ণবিদ্বেষের বিরুদ্ধে মুখ খুললে তার বিরুদ্ধে আরও বেশি করে বর্ণবিদ্বেষী আক্রমণ হয়েছে।

বোর্ডের কর্তারা ইস্তফা দেওয়ায় ২০২৩ সাল পর্যন্ত স্কটল্যান্ড ক্রিকেটের দায়িত্ব নেবে সে দেশের ক্রীড়া দফতর। যদিও নতুন ক্রিকেট বোর্ড তৈরির কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। এই বছরের সেপ্টেম্বরের মধ্যে ক্রিকেট বোর্ড তৈরি করা হবে। সেখানে অন্তত ৪০ শতাংশ পুরুষ এবং ৪০ শতাংশ মহিলা রাখতেই হবে। তাদের মধ্যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্তত ২৫ শতাংশ মানুষকে রাখতে হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ক্রিকেট স্কটল্যান্ডের অন্তর্বর্তিকালীন কর্তা গর্ডন আর্থার বলেন, “যে খেলাকে আমরা ভালবাসি, সেই ক্রিকেটেই বর্ণবৈষম্য দেখা গিয়েছে। এটা হতে দেওয়া কখনই উচিত হয়নি। এতদিন ধরে এই বিষয়টা নিয়ে কেউ কথাই বলেনি। স্কটিশ ক্রিকেট বোর্ডের দ্বারা যে ক্রিকেটাররা বর্ণবিদ্বেষের শিকার হয়েছে তাদের কাছে আমরা ক্ষমাপ্রার্থী। তাদের পরিবারের কাছেও। আশা করি এই তদন্ত তাদের আশ্বস্ত করবে। তাদের অভিযোগ যে শোনা হয়েছে। আমরা দুঃখিত যে এটা আগে করা হয়নি।”

উল্লেখ্য, বুধবার নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে নামবে তারা। এ বারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বেও খেলবে তারা।