1. news@dailydeshnews.com : Admin2021News :
  2. : deleted-txS0YVEn :
বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৯:২০ পূর্বাহ্ন

বঙ্গোপসাগরে ১৬ জেলেনৌকায় ডাকাতি, ১২ জলদস্যু গ্রেফতার

দৈনিক দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ২৪ পঠিত

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে দীর্ঘ ৪৮ ঘণ্টা রুদ্ধশ্বাস অভিযান পরিচালনা করে সাম্প্রতিককালে বঙ্গোপসাগরে ১৬টি জেলেনৌকায় ডাকাতির ঘটনায় সরাসরি জড়িত ১২ জলদস্যুকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৭।

এ সময় তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র, ডাকাতি করা তিন হাজার ইলিশ মাছ, বিপুল পরিমাণ মাছ ধরার জাল ও ডাকাতিতে ব্যবহৃত নৌকাও জব্দ করা হয়।

শুক্রবার (৯ সেপ্টেম্বর) বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্র ও বাঁশখালীতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. নুরুল আবছার। তিনি বলেছেন, এ বিষয়ে আজ শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪টায় চান্দগাঁও ক্যাম্পে লে. কর্নেল এম এ ইউসুফ সংবাদ সম্মেলন করবেন। এতে ঘটনার বিস্তারিত জানানো হবে।

গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন- বাঁশখালী উপজেলার আনসার মেম্বারের ছেলে আনোয়ার (মূলহোতা), কবির আহমদের ছেলে লিয়াকত (মাঝি), আব্দুল কাদেরের ছেলে মনির, মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে আবুল খায়ের (ইঞ্জিন ড্রাইভার), মৃত আব্বাছের ছেলে নবীর হোসেন, মৃত মুক্তার আহমেদের ছেলে নেজামউদ্দিন, আব্দুল কাদেরের ছেলে হুমায়ুন, হাজী আবুল হাসানের ছেলে সাহেদ, আবু তাহেরের ছেলে সাদ্দাম, মো. ইব্রাহিমের ছেলে আতিক, মো. জহিরের ছেলে এমরান, মৃত ইসলাম মিয়ার ছেলে আমানউল্লাহ।

শনিবার বিকাল ৪টায় চন্দাগাঁও ক্যাম্পে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব-৭ এর অধিনায়ক কর্নেল এম এ ইউসুফ বলেন, বঙ্গোপসাগরে সম্প্রতি একটি জলদস্যু বাহিনী সক্রিয় হয়ে নতুন করে দস্যুতা শুরু করেছে এমন অভিযোগ আসছিল। এরই মধ্যে গত ২৭ আগষ্ট সাগরে ৯টি মাছ ধরার বোটে ডাকাতি হয়। এ বিষয়ে র‍্যাব তদন্ত শুরু করে। এরই মধ্যে আমরা জানতে পারি, জলদস্যু বহনকারী একটি বোট সাগরে বিভিন্ন বোটে ডাকাতি করছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে গভীর সমুদ্রে ও কুতুবদিয়া চ্যানেল হয়ে বাঁশখালীতে গত বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) থেকে শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টা পর্যন্ত দীর্ঘ ৪৮ ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস অভিযান চালিয়ে ডাকাতির ঘটনায় জড়িত ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’

এ সময় তাদের কাছ থেকে ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত ১টি বোট, ৩ হাজার পিস ইলিশ মাছ, মাছ ধরার বড় জাল, ৩টি ওয়ান শুটারগান, ১টি চাইনিজ কুড়াল, ১৬টি দা-ছুরি, ১টি বাইনোকুলার, ৪টি টর্চ লাইট, ২টি চার্জ লাইট, ২টি হ্যান্ড মাইক, ৭০টি মোবাইল, নগদ ৫ হাজার ৭’শ টাকা উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও বলেন, বোট নিয়ে সাগরে গিয়ে বেশি মাছ না পাওয়ায় বোটের মালিক বাঁশখালীর গন্ডামারা ইউপি’র আনছার মাঝি বর্তমান ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার তাদের কোন টাকা-পয়সা দেয় না। মাছ ধরতে না পারলে তাদেরকে ডাকাতি করে মাছ নিয়ে আসতে বাধ্য করে। আনছার মেম্বার মূলত নব্য সৃষ্ট এ জলদস্যু বাহিনীর মূল পরিকল্পনাকারী এবং তার ছেলে আনোয়ার সহযোগী দস্যু হিসাবে কাজ করতো। তার দলের মূল্য উদ্দেশ্য ছিল অল্প পরিশ্রমে অধিক মুনাফা লাভ করা। এর জন্যই নিজের সন্তান আনোয়ারকে ডাকাত সর্দার বানিয়ে বোট ডাকাতি করার জন্য সাগরে পাঠায়। তারা এ পর্যন্ত মোট ১৬টি বোট ডাকাতি করেছে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায়। গ্রেফতার আনোয়ারের বিরুদ্ধে ৩টি মামলা রয়েছে।

র‍্যাব-৭ আরও জানান, এরা বোট ডাকাতির পাশাপাশি জেলেদের জিম্মি করে মুক্তিপন আদায় করতো। এরা তিনটি গ্রুফ একসাথে কাজ করে। এ বাহিনীর একটি গ্রুফ আনচার মেম্বার মূল পরিকল্পনা দেয়। আরেকটি গ্রুফ ডাকাতি করা মাছগুলো আড়তদার চক্রের কাছে বিক্রি করে। একটি প্রভাবশালী চক্র শক্তি প্রয়োগ করে চাঁদা দাবি করে সাগরে জেলেদের হয়রানি করে-অধিকার

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর
© All Rights Reserved © DAILY DESH NEWS.COM 2020-2022
Theme Customized BY Sky Host BD