মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্পেনকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ষোলোতে জাপান

২০১০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনকে হারিয়ে গ্রুপ ই থেকে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে উঠে গেছে এশিয়ার দেশ জাপান। এবারের আসরে এটি জাপানের দ্বিতীয় অঘটনের ঘটনা। এর আগে ৪ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে তারা পরাজয়ের স্বাদ দিয়েছিল।

তবে শেষ ম্যাচে জার্মানি কোস্টারিকার বিপক্ষে জয় পেলেও টুর্নামেন্ট থেকে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিদায় নিয়েছে। এর আগে ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপেও গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেয় তারা। আর জাপানের কাছে পরাজয় সত্ত্বেও রানার্সআপ হিসেবে শেষ ষোলো নিশ্চিত হয়েছে স্পেনের।

তিন ম্যাচ থেকে ৬ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে জাপান, ৪ পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে স্পেন, তৃতীয় স্থানে জার্মানি আর ৩ পয়েন্ট নিয়ে একেবারে শেষ স্থানে রয়েছে কোস্টারিকা।

জার্মানিকে হারানোর পর অনেকেই মনে করেছিলেন, জাপানের জয় নেহাতই আকস্মিক একটা ঘটনা! বার বার হবে না। কিন্তু কয়েক দিনের তফাতে স্পেনকে হারিয়ে জাপান বুঝিয়ে দিল, জার্মানির বিরুদ্ধে জয় কোনো অংশেই ‘ফ্লুক’ ছিল না। এশীয় দেশগুলি যে ইউরোপের দেশগুলির সঙ্গে চোখে চোখ রেখে লড়াই করার জায়গায় চলে এসেছে, বৃহস্পতিবার ফলেই তা প্রমাণিত।

প্রথমার্ধে স্পেনের পাসিং ফুটবলে কিছুটা গুটিয়ে গেলেও, দ্বিতীয়ার্ধে জাপান দেখিয়ে দিল প্রেসিং ফুটবল কাকে বলে! দ্বিতীয়ার্ধ জুড়ে আক্রমণ করে গেলেন জুনিয়া ইতো, ইউরি নাগাতোমো, হিদেমাসা মোরিতারা। স্পেনকে খেলার জায়গাই দিলেন না তারা। প্রথমার্ধে যে পাসিং ফুটবলে দাপট দেখাচ্ছিল স্পেন, দ্বিতীয়ার্ধে তা উধাও!

প্রথমার্ধের গল্পটা অবশ্য অন্যরকমই ছিল। খলিফা ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই চিরচেনা রূপে স্পেন। বলের দখল নিজেদের কাছে গোলমুখ উন্মোচনের চেষ্টা করে তারা। বিপরীতে জাপানের পরিকল্পনা ছিল ৫ জনকে নিচে রেখে প্রতি-আক্রমণ থেকে সুযোগ তৈরির চেষ্টা করা। সূত্র: যুগান্তর

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

স্পেনকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ষোলোতে জাপান

প্রকাশিত সময় : ০৩:৪১:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর ২০২২

২০১০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনকে হারিয়ে গ্রুপ ই থেকে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে উঠে গেছে এশিয়ার দেশ জাপান। এবারের আসরে এটি জাপানের দ্বিতীয় অঘটনের ঘটনা। এর আগে ৪ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে তারা পরাজয়ের স্বাদ দিয়েছিল।

তবে শেষ ম্যাচে জার্মানি কোস্টারিকার বিপক্ষে জয় পেলেও টুর্নামেন্ট থেকে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিদায় নিয়েছে। এর আগে ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপেও গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেয় তারা। আর জাপানের কাছে পরাজয় সত্ত্বেও রানার্সআপ হিসেবে শেষ ষোলো নিশ্চিত হয়েছে স্পেনের।

তিন ম্যাচ থেকে ৬ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে জাপান, ৪ পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে স্পেন, তৃতীয় স্থানে জার্মানি আর ৩ পয়েন্ট নিয়ে একেবারে শেষ স্থানে রয়েছে কোস্টারিকা।

জার্মানিকে হারানোর পর অনেকেই মনে করেছিলেন, জাপানের জয় নেহাতই আকস্মিক একটা ঘটনা! বার বার হবে না। কিন্তু কয়েক দিনের তফাতে স্পেনকে হারিয়ে জাপান বুঝিয়ে দিল, জার্মানির বিরুদ্ধে জয় কোনো অংশেই ‘ফ্লুক’ ছিল না। এশীয় দেশগুলি যে ইউরোপের দেশগুলির সঙ্গে চোখে চোখ রেখে লড়াই করার জায়গায় চলে এসেছে, বৃহস্পতিবার ফলেই তা প্রমাণিত।

প্রথমার্ধে স্পেনের পাসিং ফুটবলে কিছুটা গুটিয়ে গেলেও, দ্বিতীয়ার্ধে জাপান দেখিয়ে দিল প্রেসিং ফুটবল কাকে বলে! দ্বিতীয়ার্ধ জুড়ে আক্রমণ করে গেলেন জুনিয়া ইতো, ইউরি নাগাতোমো, হিদেমাসা মোরিতারা। স্পেনকে খেলার জায়গাই দিলেন না তারা। প্রথমার্ধে যে পাসিং ফুটবলে দাপট দেখাচ্ছিল স্পেন, দ্বিতীয়ার্ধে তা উধাও!

প্রথমার্ধের গল্পটা অবশ্য অন্যরকমই ছিল। খলিফা ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই চিরচেনা রূপে স্পেন। বলের দখল নিজেদের কাছে গোলমুখ উন্মোচনের চেষ্টা করে তারা। বিপরীতে জাপানের পরিকল্পনা ছিল ৫ জনকে নিচে রেখে প্রতি-আক্রমণ থেকে সুযোগ তৈরির চেষ্টা করা। সূত্র: যুগান্তর