মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মিরাজের সেঞ্চুরিতে ভারতকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ

১৯ ওভারেই ৬৯ রানে নেই ৬ উইকেট। বাংলাদেশ তখন খাদের কিনারায়, সেখান থেকে মাহমুদউল্লাহ ও মিরাজ দলকে টেনে তুললেন। ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে তাদের লড়াকু জুটিতে বাংলাদেশ পেলো ৭ উইকেটে ২৭১ রানের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ।

মিরাজ পেয়েছেন ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি। মাহমুদউল্লাহর হাফসেঞ্চুরিটি ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ২৭তম। সপ্তম উইকেটে তারা ১৬৫ বলে গড়েন ১৪৮ রানের জুটি। যে কোনো উইকেটে যেটি কিনা ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের রেকর্ড।

মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট হাতে শুরুটা মোটেই ভালো হয়নি স্বাগতিকদের। ব্যক্তিগত ১১ রানে আউট হন ওপেনার এনামুল হক বিজয়। আরেক ওপেনার লিটন কুমার দাসের ব্যাট থেকে এসেছে কেবল ৭ রান। ৮ রান করে আউট হন সাকিব আল হাসান। শান্তর ব্যাটে আশার আলো দেখতে থাকে বাংলাদেশ শিবির। কিন্তু ব্যক্তিগত ইনিংসটা খুব বেশি বড় করতে পারেননি বাঁহাতি এই ব্যাটার। ৩৫ বলে ২১ রান করে আউট হন তিনি। ১২ রান করতে পেরেছেন উইকেটকিপার ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। আর রানের খাতায় খুলতে পারেননি আফিফ হোসেন ধ্রুব।

মাত্র ৬৯ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর মনে হচ্ছিল একশও করতে পারবে না টাইগাররা। এমন সময় সপ্তম উইকেট জুটিতে বাংলাদেশের ঢাল হয়ে দাঁড়ালেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ। দুজন মিলে গড়েন ১৪৮ রানের জুটি। ৯৬ বলে ৭৭ রান করে সাজঘরের পথ ধরেন রিয়াদ।

এদিকে নাসুম হোসেনকে নিয়ে শেষ পর্যন্ত খেলে যান মিরাজ। নিজের ফিফটিকে রূপ দেন সেঞ্চুরিতে। তিনি অপরাজিত থাকেন ১০০ রানে। মাত্র ৮৩ বলে খেলা তার এই ইনিংসটি আটটি চার ও চারটি ছয়ে সাজানো। এদিকে ১১ বলে ১৮ রানে অপরাজিত থাকেন নাসুম আহমেদ।

প্রথম ওয়ানডের দলে একটি পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ। পেসার হাসান মাহমুদের জায়গায় ফিরিয়েছে বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদকে। তার সঙ্গে স্পিনে আছেন সাকিব আল হাসান ও মেহেদী হাসান মিরাজ। পেস আক্রমণে মুস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গী এবাদত।

আগের ম্যাচ হেরে যাওয়ায় ভারত একাদশেও এসেছে দুই পরিবর্তন। শাহবাজ আহমেদের জায়গায় ফিরেছেন বাঁহাতি অলরাউন্ডার অক্ষর প্যাটেল। চোটের জন্য খেলছেন না সেই ম্যাচে অভিষেক হওয়া কুলদীপ সেন। তার জায়গায় দলে এসেছেন গতিময় পেসার উমরান মালিক।

বাংলাদেশ একাদশ: লিটন দাস (অধিনায়ক), এনামুল হক, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম (উইকেটরক্ষক), আফিফ হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ, মুস্তাফিজুর রহমান, নাসুম আহমেদ, এবাদত হোসেন, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, নাজমুল হোসেন শান্ত।

ভারত একাদশ: রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), লোকেশ রাহুল (উইকেটরক্ষক), শিখর ধাওয়ান, বিরাট কোহলি, শ্রেয়াস আইয়ার, অক্ষর প্যাটেল, ওয়াশিংটন সুন্দর, শার্দুল ঠাকুর, মোহাম্মদ সিরাজ, দীপক চাহার, উমরান মালিক।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

মিরাজের সেঞ্চুরিতে ভারতকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ

প্রকাশিত সময় : ০৫:২৮:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২২

১৯ ওভারেই ৬৯ রানে নেই ৬ উইকেট। বাংলাদেশ তখন খাদের কিনারায়, সেখান থেকে মাহমুদউল্লাহ ও মিরাজ দলকে টেনে তুললেন। ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে তাদের লড়াকু জুটিতে বাংলাদেশ পেলো ৭ উইকেটে ২৭১ রানের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ।

মিরাজ পেয়েছেন ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি। মাহমুদউল্লাহর হাফসেঞ্চুরিটি ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ২৭তম। সপ্তম উইকেটে তারা ১৬৫ বলে গড়েন ১৪৮ রানের জুটি। যে কোনো উইকেটে যেটি কিনা ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের রেকর্ড।

মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট হাতে শুরুটা মোটেই ভালো হয়নি স্বাগতিকদের। ব্যক্তিগত ১১ রানে আউট হন ওপেনার এনামুল হক বিজয়। আরেক ওপেনার লিটন কুমার দাসের ব্যাট থেকে এসেছে কেবল ৭ রান। ৮ রান করে আউট হন সাকিব আল হাসান। শান্তর ব্যাটে আশার আলো দেখতে থাকে বাংলাদেশ শিবির। কিন্তু ব্যক্তিগত ইনিংসটা খুব বেশি বড় করতে পারেননি বাঁহাতি এই ব্যাটার। ৩৫ বলে ২১ রান করে আউট হন তিনি। ১২ রান করতে পেরেছেন উইকেটকিপার ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। আর রানের খাতায় খুলতে পারেননি আফিফ হোসেন ধ্রুব।

মাত্র ৬৯ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর মনে হচ্ছিল একশও করতে পারবে না টাইগাররা। এমন সময় সপ্তম উইকেট জুটিতে বাংলাদেশের ঢাল হয়ে দাঁড়ালেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ। দুজন মিলে গড়েন ১৪৮ রানের জুটি। ৯৬ বলে ৭৭ রান করে সাজঘরের পথ ধরেন রিয়াদ।

এদিকে নাসুম হোসেনকে নিয়ে শেষ পর্যন্ত খেলে যান মিরাজ। নিজের ফিফটিকে রূপ দেন সেঞ্চুরিতে। তিনি অপরাজিত থাকেন ১০০ রানে। মাত্র ৮৩ বলে খেলা তার এই ইনিংসটি আটটি চার ও চারটি ছয়ে সাজানো। এদিকে ১১ বলে ১৮ রানে অপরাজিত থাকেন নাসুম আহমেদ।

প্রথম ওয়ানডের দলে একটি পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ। পেসার হাসান মাহমুদের জায়গায় ফিরিয়েছে বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদকে। তার সঙ্গে স্পিনে আছেন সাকিব আল হাসান ও মেহেদী হাসান মিরাজ। পেস আক্রমণে মুস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গী এবাদত।

আগের ম্যাচ হেরে যাওয়ায় ভারত একাদশেও এসেছে দুই পরিবর্তন। শাহবাজ আহমেদের জায়গায় ফিরেছেন বাঁহাতি অলরাউন্ডার অক্ষর প্যাটেল। চোটের জন্য খেলছেন না সেই ম্যাচে অভিষেক হওয়া কুলদীপ সেন। তার জায়গায় দলে এসেছেন গতিময় পেসার উমরান মালিক।

বাংলাদেশ একাদশ: লিটন দাস (অধিনায়ক), এনামুল হক, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম (উইকেটরক্ষক), আফিফ হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ, মুস্তাফিজুর রহমান, নাসুম আহমেদ, এবাদত হোসেন, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, নাজমুল হোসেন শান্ত।

ভারত একাদশ: রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), লোকেশ রাহুল (উইকেটরক্ষক), শিখর ধাওয়ান, বিরাট কোহলি, শ্রেয়াস আইয়ার, অক্ষর প্যাটেল, ওয়াশিংটন সুন্দর, শার্দুল ঠাকুর, মোহাম্মদ সিরাজ, দীপক চাহার, উমরান মালিক।