শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘১০ ডিসেম্বর নয়াপল্টনেই সমাবেশ করবে বিএনপি’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আগামী ১০ ডিসেম্বর নয়াপল্টনে সমাবেশ করবে বিএনপি। নয়াপল্টনেই পূর্ব ঘোষিত স্থানে আমরা আমাদের সমাবেশ করব। সেই সমাবেশ শান্তিপূর্ণ করার দায়িত্ব সরকারের। অন্যথায় এর সব দায়-দায়িত্ব সরকারকে বহন করতে হবে। বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) খালেদা জিয়ার গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, অপেক্ষা করুন, ঢাকায় যা দেখবেন তা নিজের স্বচক্ষে দেখবেন। আমরা অবশ্যই সমাবেশ স্থলে যাব আর জনগণ কী করবে সেটা জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা সরকার এবং প্রশাসনের প্রতি এমন অগণতান্ত্রিক, গণবিরোধী-সংবিধানবিরোধী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। একই সঙ্গে এই বর্বরোচিত ন্যক্কারজনক ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, আমরা সুস্পষ্টভাবে বলতে চাই, অবিলম্বে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে পুলিশ প্রত্যাহার করতে হবে, গ্রেপ্তারকৃত সব নেতা-কর্মীর নিঃশর্ত মুক্তি, গায়েবি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, গ্রেপ্তারের নামে হয়রানি ও তল্লাশি বন্ধ করতে হবে। ১০ ডিসেম্বর ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত করতে সব প্রতিবন্ধকতা দূর করতে হবে। অন্যথায় সব দায়-দায়িত্ব সরকারকে বহন করতে হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, গতকাল নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পুলিশের এই জঘন্য ন্যক্কারজনক বর্বরোচিত হামলা সরকারের ফ্যাসিবাদী কর্তৃত্ববাদের বহিঃপ্রকাশ মাত্র। এই ঘটনা প্রমাণ করে বর্তমান সরকার গণতন্ত্র বিশ্বাস করে না। তারা বিরোধী দলের শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করার সাংবিধানিক অধিকারও কেড়ে নিয়েছে। যা গণতন্ত্র ও রাজনীতির জন্য অশনিসংকেত। পুলিশের বর্বরোচিত কাপুরুষিত হামলার প্রতিবাদ ও নিন্দা জানানোর ভাষা আমাদের নেই। গতকালের ঘটনা গণতন্ত্রের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেওয়ার শামিল। আওয়ামী লীগ দেশ পরিচালনায় ব্যর্থ হয়ে গণআন্দোলনে পতনে ভয় ভীত হয়ে দেশকে পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত করেছে।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কেন সমাবেশ নয় এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ডিএমপি হঠাৎ স্বপ্রণোদিত হয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশ অনুষ্ঠানের জন্য ২৬টি নজিরবিহীন শর্ত দিয়ে চিঠি দিয়েছে। যা বিএনপির কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বড় সমাবেশ করার জায়গা নেই, সুযোগ নেই। চারদিকে দেয়াল ঘেরা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

‘১০ ডিসেম্বর নয়াপল্টনেই সমাবেশ করবে বিএনপি’

প্রকাশিত সময় : ০৮:০২:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২২

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আগামী ১০ ডিসেম্বর নয়াপল্টনে সমাবেশ করবে বিএনপি। নয়াপল্টনেই পূর্ব ঘোষিত স্থানে আমরা আমাদের সমাবেশ করব। সেই সমাবেশ শান্তিপূর্ণ করার দায়িত্ব সরকারের। অন্যথায় এর সব দায়-দায়িত্ব সরকারকে বহন করতে হবে। বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) খালেদা জিয়ার গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, অপেক্ষা করুন, ঢাকায় যা দেখবেন তা নিজের স্বচক্ষে দেখবেন। আমরা অবশ্যই সমাবেশ স্থলে যাব আর জনগণ কী করবে সেটা জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা সরকার এবং প্রশাসনের প্রতি এমন অগণতান্ত্রিক, গণবিরোধী-সংবিধানবিরোধী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। একই সঙ্গে এই বর্বরোচিত ন্যক্কারজনক ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, আমরা সুস্পষ্টভাবে বলতে চাই, অবিলম্বে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে পুলিশ প্রত্যাহার করতে হবে, গ্রেপ্তারকৃত সব নেতা-কর্মীর নিঃশর্ত মুক্তি, গায়েবি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, গ্রেপ্তারের নামে হয়রানি ও তল্লাশি বন্ধ করতে হবে। ১০ ডিসেম্বর ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত করতে সব প্রতিবন্ধকতা দূর করতে হবে। অন্যথায় সব দায়-দায়িত্ব সরকারকে বহন করতে হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, গতকাল নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পুলিশের এই জঘন্য ন্যক্কারজনক বর্বরোচিত হামলা সরকারের ফ্যাসিবাদী কর্তৃত্ববাদের বহিঃপ্রকাশ মাত্র। এই ঘটনা প্রমাণ করে বর্তমান সরকার গণতন্ত্র বিশ্বাস করে না। তারা বিরোধী দলের শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করার সাংবিধানিক অধিকারও কেড়ে নিয়েছে। যা গণতন্ত্র ও রাজনীতির জন্য অশনিসংকেত। পুলিশের বর্বরোচিত কাপুরুষিত হামলার প্রতিবাদ ও নিন্দা জানানোর ভাষা আমাদের নেই। গতকালের ঘটনা গণতন্ত্রের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেওয়ার শামিল। আওয়ামী লীগ দেশ পরিচালনায় ব্যর্থ হয়ে গণআন্দোলনে পতনে ভয় ভীত হয়ে দেশকে পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত করেছে।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কেন সমাবেশ নয় এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ডিএমপি হঠাৎ স্বপ্রণোদিত হয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশ অনুষ্ঠানের জন্য ২৬টি নজিরবিহীন শর্ত দিয়ে চিঠি দিয়েছে। যা বিএনপির কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বড় সমাবেশ করার জায়গা নেই, সুযোগ নেই। চারদিকে দেয়াল ঘেরা।