বিরতিহীন বনলতা যেন লোকাল ট্রেনে পরিণত হয়েছে। দুপুর একটা ৩০ মিনিটে ঢাকা থেকে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে ছাড়ার কথা থাকলেও সেটি ছাড়ে বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে।
এর পর ক্যান্টমেন্ট স্টেশন, বিমানবন্দর, মৌচাক, জয়দেবপুর থেকে শুরু করে যমুনা সেতুর পূর্বপাশের সবগুলো স্টেশনে ৩-১৫ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে থাকে। এতে যাত্রীরা যেমন দুর্ভোগে পড়েন, তেমনি বিরক্ত হতে থাকেন। বিরতিহীন বনলতার এমন দুর্দশা দেখে যাত্রীদের মধ্যে চরম হতাশা ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
যাত্রীদের অনেকেই রেওয়ের উর্ধতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেন। কিন্তু কোন সুরাহা হয়নি। বরং যে ট্রেন সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার মধ্যে রাজশাহীতে পৌঁছার কথা ছিলো, সেটি রাত নয়টার সময় যমুনা সেতুর পূর্বপাশে অপেক্ষা করছিলো। সাড়ে ৫ ঘন্টায়ও যমুনা সেতু পার হতে পারেনি বিরতিহীন বনলতা।
ওই ট্রেনের যাত্রী বলেন, এতো দেরির কারণে আমাদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। শীতের মধ্যে ট্রেন দাঁড়িয়ে থাকায় অনেকেই শীতে কাবু হয়ে পড়েছেন। বিরতিহীন বনলতায় অতিরিক্ত দামে টিকিট কিনে যদি লোকাল ট্রেনের মতো দশা হয়, তাহলে রেল কর্তৃপক্ষের দায়ভার নেয়া উচিত।’
যাত্রী বলেন, বিরতহীন বনলতাকে পাশ দেয়ার কথা অন্য ট্রেনগুলোর। কিন্তু তার উল্টাটা দেখলাম আজ। বনলতা দাঁড়িয়ে থেকে অন্য ট্রেনকেও পাশ দিয়েছে। রেলওয়ের চরম গাফলতি আর অব্যবস্থাপনার কারণে এমন ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের। অধিকাংশ সময় যাত্রীদের ভোগান্তিতে পড়তে হয় এভাবে।’

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

























