শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হচ্ছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা

সরকার পতনের যুগপৎ আন্দোলনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রথম গণমিছিল নিয়ে আজ ঢাকার রাজপথে নামছে বিএনপি ও সমমনা অন্তত ৩০ টি দল। দুপুরের পর দলগুলো আলাদাভাবে পালন করবে এ কর্মসূচি। এর জন্য শুক্রবার সকাল থেকে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হচ্ছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। গণমিছিল কেন্দ্র করে ব্যাপক শোডাউনের প্রস্তুতি নিয়েছে দলগুলো। বিশেষ করে বিএনপি আজকের গণমিছিলে বড় জমায়েত করতে চায়। কর্মসূচি সফলে সমমনা দল ও জোটের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেছে বিএনপি। রাজধানীর কয়েকটি স্পটে এ কর্মসূচি পালন করা হবে। দীর্ঘদিন পর ঘোষণা দিয়ে ঢাকায় মাঠে নামছে জামায়াত। ঢাকার পাশাপাশি রংপুর বিভাগে পালিত হবে এ কর্মসূচি। শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে কর্মসূচি পালনে নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিএনপির হাইকমান্ড থেকে। গণমিছিল কেন্দ্র করে তৃতীয় কোনো পক্ষ যাতে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে না পারে, সে জন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। আজকের গণমিছিল থেকে ঘোষণা করা হবে নতুন কর্মসূচি। তবে আপাতত হরতাল-অবরোধের মতো কঠোর কর্মসূচি আসছে না। মানববন্ধন কিংবা গণ-অনশনের মতো শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি আসতে পারে। নতুন কর্মসূচি চূড়ান্তে সমমনা দলগুলোর মতামত নেওয়া হয়েছে। হিউম্যান চেইন (মানববন্ধন), গণ-অনশন, গণ-অবস্থান, রোডমার্চ, লংমার্চসহ আরও নতুন কর্মসূচির ব্যাপারে তারা পরামর্শ দেন। সমমনা দলগুলোর মতামত নিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে আলোচনা হয়। সেখানেই চূড়ান্ত হয় পরবর্তী কর্মসূচি। ১১ জানুয়ারি ঢাকাসহ সব বিভাগীয় শহরে গণ-অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। গণমিছিলের প্রধান সমন্বয়কারী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন জানান, গণমিছিল সফল করতে বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের দায়িত্ব বণ্টন করে দেওয়া হয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের দুপুর আড়াইটার মধ্যে নিজ স্থানে থেকে সার্বিক সহযোগিতার অনুরোধ জানান তিনি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্দেশনা অনুযায়ী, এ তালিকা করা হয়েছে বলে জানান গণমিছিলের প্রধান সমন্বয়কারী। গণমিছিলের মূল ট্রাকে থাকবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেগম সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর বীর উত্তম, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম, মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত। গণমিছিলে সার্বিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকবেন ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, আমানউল্লাহ আমান, অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, বেনজীর আহমেদ টিটো, তাইফুল ইসলাম টিপু, আমিরুল ইসলাম খান আলিম, নবী উল্লাহ নবী, রফিকুল আলম মজনু, আমিনুল হক, হাবিবুর রশীদ হাবিব, বেলাল আহমেদ, আমিরুজ্জামান খান শিমুল, হায়দার আলী লেলিন, খান রবিউল ইসলাম রবি, অ্যাডভোকেট শামসুজ্জামান সুরুজ, অ্যাডভোকেট নিপুন রায় চৌধুরী, আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী এবং বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সভাপতি-আহ্বায়ক, সাধারণ সম্পাদক-সদস্য সচিব। সূত্র: যুগান্তর

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হচ্ছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা

প্রকাশিত সময় : ০৩:০৮:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২২

সরকার পতনের যুগপৎ আন্দোলনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রথম গণমিছিল নিয়ে আজ ঢাকার রাজপথে নামছে বিএনপি ও সমমনা অন্তত ৩০ টি দল। দুপুরের পর দলগুলো আলাদাভাবে পালন করবে এ কর্মসূচি। এর জন্য শুক্রবার সকাল থেকে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হচ্ছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। গণমিছিল কেন্দ্র করে ব্যাপক শোডাউনের প্রস্তুতি নিয়েছে দলগুলো। বিশেষ করে বিএনপি আজকের গণমিছিলে বড় জমায়েত করতে চায়। কর্মসূচি সফলে সমমনা দল ও জোটের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেছে বিএনপি। রাজধানীর কয়েকটি স্পটে এ কর্মসূচি পালন করা হবে। দীর্ঘদিন পর ঘোষণা দিয়ে ঢাকায় মাঠে নামছে জামায়াত। ঢাকার পাশাপাশি রংপুর বিভাগে পালিত হবে এ কর্মসূচি। শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে কর্মসূচি পালনে নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিএনপির হাইকমান্ড থেকে। গণমিছিল কেন্দ্র করে তৃতীয় কোনো পক্ষ যাতে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে না পারে, সে জন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। আজকের গণমিছিল থেকে ঘোষণা করা হবে নতুন কর্মসূচি। তবে আপাতত হরতাল-অবরোধের মতো কঠোর কর্মসূচি আসছে না। মানববন্ধন কিংবা গণ-অনশনের মতো শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি আসতে পারে। নতুন কর্মসূচি চূড়ান্তে সমমনা দলগুলোর মতামত নেওয়া হয়েছে। হিউম্যান চেইন (মানববন্ধন), গণ-অনশন, গণ-অবস্থান, রোডমার্চ, লংমার্চসহ আরও নতুন কর্মসূচির ব্যাপারে তারা পরামর্শ দেন। সমমনা দলগুলোর মতামত নিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে আলোচনা হয়। সেখানেই চূড়ান্ত হয় পরবর্তী কর্মসূচি। ১১ জানুয়ারি ঢাকাসহ সব বিভাগীয় শহরে গণ-অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। গণমিছিলের প্রধান সমন্বয়কারী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন জানান, গণমিছিল সফল করতে বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের দায়িত্ব বণ্টন করে দেওয়া হয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের দুপুর আড়াইটার মধ্যে নিজ স্থানে থেকে সার্বিক সহযোগিতার অনুরোধ জানান তিনি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্দেশনা অনুযায়ী, এ তালিকা করা হয়েছে বলে জানান গণমিছিলের প্রধান সমন্বয়কারী। গণমিছিলের মূল ট্রাকে থাকবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেগম সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর বীর উত্তম, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম, মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত। গণমিছিলে সার্বিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকবেন ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, আমানউল্লাহ আমান, অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, বেনজীর আহমেদ টিটো, তাইফুল ইসলাম টিপু, আমিরুল ইসলাম খান আলিম, নবী উল্লাহ নবী, রফিকুল আলম মজনু, আমিনুল হক, হাবিবুর রশীদ হাবিব, বেলাল আহমেদ, আমিরুজ্জামান খান শিমুল, হায়দার আলী লেলিন, খান রবিউল ইসলাম রবি, অ্যাডভোকেট শামসুজ্জামান সুরুজ, অ্যাডভোকেট নিপুন রায় চৌধুরী, আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী এবং বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সভাপতি-আহ্বায়ক, সাধারণ সম্পাদক-সদস্য সচিব। সূত্র: যুগান্তর