বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামকে উড়িয়ে সিলেটের শুভ সূচনা

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স ও সিলেট স্ট্রাইকার্সের ম্যাচ দিয়েই শুরু হয়ে গেল নবম আসর। তবে সিলেটের বিপক্ষে ন্যুনতম চ্যালেঞ্জ জানাতে পারলো না চট্টগ্রাম। দুর্দান্ত বোলিংয়ের পর দাপুটে ব্যাটিংয়ে শুভাগত হোমের দলকে রীতিমত উড়িয়ে দিয়ে শুভ সূচনাই করলো মাশরাফির দল। ম্যাচের শুরু থেকেই দাপুটে বোলিং করেন সিলেট স্ট্রাইকার্সের পেসাররা। তাতে রক্ষণাত্মক ব্যাটিংয়ের খোলসে ঢুকে পড়ে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। সেই সুযোগে টপাটপ উইকেট তুলে নিলেন মোহাম্মদ আমির, রেজাউর রহমান রাজারা। তাদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি চট্টগ্রামের ব্যাটাররা। ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে তারা সংগ্রহ করতে পারে মাত্র ৮৯ রান। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৫ রান আসে মিডল অর্ডার ব্যাটার আফিফ হোসাইনের ব্যাট থেকে। এছাড়া ওপেনার মেহেদী মারুফ ১১ ও তিনে নামা আল-আমিন করেন ১৮ রান। মূলত রাজা-আমিরের বোলিং দাপটে এই তিন জন বাদে দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি আর কেউই। বল হাতে ৪ ওভারে ১৪ রান খরচে ৪ উইকেট তুলে নিয়েছেন তরুণ এই পেসার। সমান ওভারে এক মেডেনসহ মাত্র ৭ রান খরচে ২টি উইকেট ঝুলিতে পুরেছেন আমির। এছাড়া মাশরাফি ও অ্যাকারমান নিয়েছেন ১টি করে উইকেট। জবাব দিতে নেমে দলীয় মাত্র ১২ রানের মাথায় কলিন অ্যাকরম্যান (১) আউট হলেও নাজমুল হোসাইন শান্ত ও জাকির হাসানের ব্যাটে চড়ে সহজেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় চট্টগ্রাম। জাকির ব্যক্তিগত ২৭ রানে আউট হলেও মুশফিককে (৬) নিয়ে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন শান্ত। ৪৫ বল হাতে রেখেই ৮ উইকেটের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে মাশরাফির দল। জাকির ২১ বলে দুটি চার ও এক ছয়ের মারে ওই রান করেন। অন্যদিকে, তিন চার ও এক ছয়ে ৪১ বলে ৪৩ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন শান্ত। তবে ম্যাচ সেরা হন ১৪ রানে ৪ উইকেট তুলে নেয়া পেসার রেজাউর রহমান রাজা।একুশে টেলিভিশন

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

চট্টগ্রামকে উড়িয়ে সিলেটের শুভ সূচনা

প্রকাশিত সময় : ০৮:১৩:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৩

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স ও সিলেট স্ট্রাইকার্সের ম্যাচ দিয়েই শুরু হয়ে গেল নবম আসর। তবে সিলেটের বিপক্ষে ন্যুনতম চ্যালেঞ্জ জানাতে পারলো না চট্টগ্রাম। দুর্দান্ত বোলিংয়ের পর দাপুটে ব্যাটিংয়ে শুভাগত হোমের দলকে রীতিমত উড়িয়ে দিয়ে শুভ সূচনাই করলো মাশরাফির দল। ম্যাচের শুরু থেকেই দাপুটে বোলিং করেন সিলেট স্ট্রাইকার্সের পেসাররা। তাতে রক্ষণাত্মক ব্যাটিংয়ের খোলসে ঢুকে পড়ে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। সেই সুযোগে টপাটপ উইকেট তুলে নিলেন মোহাম্মদ আমির, রেজাউর রহমান রাজারা। তাদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি চট্টগ্রামের ব্যাটাররা। ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে তারা সংগ্রহ করতে পারে মাত্র ৮৯ রান। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৫ রান আসে মিডল অর্ডার ব্যাটার আফিফ হোসাইনের ব্যাট থেকে। এছাড়া ওপেনার মেহেদী মারুফ ১১ ও তিনে নামা আল-আমিন করেন ১৮ রান। মূলত রাজা-আমিরের বোলিং দাপটে এই তিন জন বাদে দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি আর কেউই। বল হাতে ৪ ওভারে ১৪ রান খরচে ৪ উইকেট তুলে নিয়েছেন তরুণ এই পেসার। সমান ওভারে এক মেডেনসহ মাত্র ৭ রান খরচে ২টি উইকেট ঝুলিতে পুরেছেন আমির। এছাড়া মাশরাফি ও অ্যাকারমান নিয়েছেন ১টি করে উইকেট। জবাব দিতে নেমে দলীয় মাত্র ১২ রানের মাথায় কলিন অ্যাকরম্যান (১) আউট হলেও নাজমুল হোসাইন শান্ত ও জাকির হাসানের ব্যাটে চড়ে সহজেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় চট্টগ্রাম। জাকির ব্যক্তিগত ২৭ রানে আউট হলেও মুশফিককে (৬) নিয়ে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন শান্ত। ৪৫ বল হাতে রেখেই ৮ উইকেটের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে মাশরাফির দল। জাকির ২১ বলে দুটি চার ও এক ছয়ের মারে ওই রান করেন। অন্যদিকে, তিন চার ও এক ছয়ে ৪১ বলে ৪৩ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন শান্ত। তবে ম্যাচ সেরা হন ১৪ রানে ৪ উইকেট তুলে নেয়া পেসার রেজাউর রহমান রাজা।একুশে টেলিভিশন