বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ম্লান জিয়া-উসমান ঝড়, সাকিবদের হাসি

লক্ষ্য দুই’শর উপরে। চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের যেমন শুরু দরকার ছিল ঠিক তেমন শুরুই এনে দেন উসমান খান। তিনি ফিরতেই সাগরিকা পাড়ের দলটি খেই হারিয়ে ফেলে। শেষ দিকে জিয়াউর রহমান ঝড় তুললেও ততক্ষণে বড্ড দেরি হয়ে যায়। শেষ হাসি হাসে সাকিব আল হাসানের ফরচুন বরিশাল। শুক্রবার (১৩ জানুয়ারি, ২০২৩) চট্টগ্রাম পর্বের প্রথম ম্যাচে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস হেরে বরিশালকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় চট্টগ্রাম। শুরু থেকে মেরে খেলা বরিশাল থামে ৭ উইকেটে ২০২ রান করে। রান তাড়া করতে নেমে ৪ উইকেটে ১৭৬ রান করে থামে চট্টগ্রাম। ২৬ রানে হারিয়ে টানা দুই ম্যাচে জয় তুলে নিলো হার দিয়ে শুরু করা সাকিবের দল। ২৫ বলে সর্বোচ্চ ৪৭ রান করে অপরাজিত ছিলেন জিয়া। ৪টি ছয় ও ৩টি চারের মার ছিল তার ইনিংসে। শুরুতে উসমান ১৯ বলে ৩৬ রান করেন। তার ঝড়ে পাওয়ার প্লে-তে ১ উইকেটে ৫৯ রান করে সাগরিকা পাড়ের দলটি। তবে ম্যাক্স ও’ডাউদ (২৯ বলে ২৯), উন্মুক্ত চাঁদের (২১ বলে ১৬) ইনিংস চট্টগ্রামকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেয়। দুজনের এমন ধীরগতির ব্যাটিংয়ের ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে পারেননি অন্য ব্যাটসম্যানরা। আফিফ হোসেন ২১ বলে ২৮ রান করেন। বরিশালের হয়ে ১টি করে উইকেট নেন সাকিব, খালেদ আহমেদ, কামরুল ইসলাম ও করিম জানাত। উইকেট না পেলেও ৪ ওভারে মাত্র ২৬ রান দেন চতুরঙ্গ। এর আগে ইনিংসের শেষ দুই বলে চার-ছয় মেরে দলীয় স্কোর দুই’শ পার করার পাশাপাশি নিজে ফিফটি তুলে নেন ইফতিখার। মাত্র ২৫ বলে ফিফটি করেন ইফতিখার। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন ২৬ বলে ৫৭ রানে। ৫টি ছয় ও ৩ চারের মার ছিল তার ইনিংসে। প্রথম ১৩ বলে ১০ রান করা ইফতিখার ঝড়ের শুরু করে ১৮তম ওভারে মৃত্যুঞ্জয়কে ছয় মেরে। আর ১৯তম ওভারে আবু জায়েদ রাহীকে টানা তিন ছয় মেরে এক লাফে বল রানের পার্থক্য ডাবল করে ফেলেন। ওপেনিংয়ে নেমে ঝড়ের আভাস দেন মিরাজ। ১২ বলে ২৪ রান করে ফেরেন তাইজুলের বলে ক্যাচ দিয়ে। সাকিব তিনে এসে মৃত্যুঞ্জয়কে টানা দুই চার মেরে পরের বলেই বোল্ড হন। মিরাজ-সাকিব আউট হয়ে গেলেও পাওয়ার প্লে থেকে আসে ৫৯ রান। আরেক ওপেনার এনামুল হক বিজয় করেন ২১ বলে ৩০ রান। মাঝে ইনিংস টেনে নিয়ে যান জাদরান-মাহমুদউল্লাহ। ৩৩ বলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৩ বলে ৪৮ রান করেন। মাহমুদউল্লাহর ব্যাট থেকে আসে ১৭ বলে ২৫ রান। তাতেই চলতি আসরে সর্বোচ্চ ২০৩ রানের টার্গেট দিতে পারে তারা। রাহি ৪৯ রান দিয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন। সবচেয়ে বেশি ৫৩ রান দেন মৃত্যুঞ্জয়। নেন ১টি উইকেট। একমাত্র বিজয়কান্ত রান ত্রিশের নিচে (২৯)।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ম্লান জিয়া-উসমান ঝড়, সাকিবদের হাসি

প্রকাশিত সময় : ১০:৩০:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৩

লক্ষ্য দুই’শর উপরে। চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের যেমন শুরু দরকার ছিল ঠিক তেমন শুরুই এনে দেন উসমান খান। তিনি ফিরতেই সাগরিকা পাড়ের দলটি খেই হারিয়ে ফেলে। শেষ দিকে জিয়াউর রহমান ঝড় তুললেও ততক্ষণে বড্ড দেরি হয়ে যায়। শেষ হাসি হাসে সাকিব আল হাসানের ফরচুন বরিশাল। শুক্রবার (১৩ জানুয়ারি, ২০২৩) চট্টগ্রাম পর্বের প্রথম ম্যাচে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস হেরে বরিশালকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় চট্টগ্রাম। শুরু থেকে মেরে খেলা বরিশাল থামে ৭ উইকেটে ২০২ রান করে। রান তাড়া করতে নেমে ৪ উইকেটে ১৭৬ রান করে থামে চট্টগ্রাম। ২৬ রানে হারিয়ে টানা দুই ম্যাচে জয় তুলে নিলো হার দিয়ে শুরু করা সাকিবের দল। ২৫ বলে সর্বোচ্চ ৪৭ রান করে অপরাজিত ছিলেন জিয়া। ৪টি ছয় ও ৩টি চারের মার ছিল তার ইনিংসে। শুরুতে উসমান ১৯ বলে ৩৬ রান করেন। তার ঝড়ে পাওয়ার প্লে-তে ১ উইকেটে ৫৯ রান করে সাগরিকা পাড়ের দলটি। তবে ম্যাক্স ও’ডাউদ (২৯ বলে ২৯), উন্মুক্ত চাঁদের (২১ বলে ১৬) ইনিংস চট্টগ্রামকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেয়। দুজনের এমন ধীরগতির ব্যাটিংয়ের ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে পারেননি অন্য ব্যাটসম্যানরা। আফিফ হোসেন ২১ বলে ২৮ রান করেন। বরিশালের হয়ে ১টি করে উইকেট নেন সাকিব, খালেদ আহমেদ, কামরুল ইসলাম ও করিম জানাত। উইকেট না পেলেও ৪ ওভারে মাত্র ২৬ রান দেন চতুরঙ্গ। এর আগে ইনিংসের শেষ দুই বলে চার-ছয় মেরে দলীয় স্কোর দুই’শ পার করার পাশাপাশি নিজে ফিফটি তুলে নেন ইফতিখার। মাত্র ২৫ বলে ফিফটি করেন ইফতিখার। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন ২৬ বলে ৫৭ রানে। ৫টি ছয় ও ৩ চারের মার ছিল তার ইনিংসে। প্রথম ১৩ বলে ১০ রান করা ইফতিখার ঝড়ের শুরু করে ১৮তম ওভারে মৃত্যুঞ্জয়কে ছয় মেরে। আর ১৯তম ওভারে আবু জায়েদ রাহীকে টানা তিন ছয় মেরে এক লাফে বল রানের পার্থক্য ডাবল করে ফেলেন। ওপেনিংয়ে নেমে ঝড়ের আভাস দেন মিরাজ। ১২ বলে ২৪ রান করে ফেরেন তাইজুলের বলে ক্যাচ দিয়ে। সাকিব তিনে এসে মৃত্যুঞ্জয়কে টানা দুই চার মেরে পরের বলেই বোল্ড হন। মিরাজ-সাকিব আউট হয়ে গেলেও পাওয়ার প্লে থেকে আসে ৫৯ রান। আরেক ওপেনার এনামুল হক বিজয় করেন ২১ বলে ৩০ রান। মাঝে ইনিংস টেনে নিয়ে যান জাদরান-মাহমুদউল্লাহ। ৩৩ বলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৩ বলে ৪৮ রান করেন। মাহমুদউল্লাহর ব্যাট থেকে আসে ১৭ বলে ২৫ রান। তাতেই চলতি আসরে সর্বোচ্চ ২০৩ রানের টার্গেট দিতে পারে তারা। রাহি ৪৯ রান দিয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন। সবচেয়ে বেশি ৫৩ রান দেন মৃত্যুঞ্জয়। নেন ১টি উইকেট। একমাত্র বিজয়কান্ত রান ত্রিশের নিচে (২৯)।