বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তামিমের ব্যাটে ঝড়, প্রথম জয় খুলনার

ব্যাট হাতে ভালো ফর্মে ছিলেন না তামিম ইকবাল। জাতীয় লিগেও রানখরায় ছিলেন বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক। চলতি বিপিএলে অবশ্য এক ম্যাচে ৪০ রান করেন। কিন্তু তা ছিলো অনেক ধীরলয়ের ইনিংস। অবশেষে খোলস ছেড়ে বেরিয়েছেন ড্যাসিং ওপেনার। আর বিপিএলে তামিমের ২৪তম ফিফটিতেই এবারের আসরের প্রথম জয় পেয়েছে হ্যাটট্রিক পরাজয় বরণ করা খুলনা টাইগার্স। মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে রংপুর রাইডার্সকে প্রথমে ব্যাটিংয়ে পাঠান খুলনার অধিনায়ক ইয়াসির। আগে ব্যাটিং করে ১২৯ রানেই অলআউট হয়ে যায় দলটি। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ওপেনার তামিমের ঝড়ো ফিফটিতে ভর করে ১০ বল আগেই জয় তুলে নেয় খুলনা। মাত্র একটি উইকেট হারিয়েই। এবারের আসরে এটিই তাদের প্রথম জয়। অন্যদিকে চার ম্যাচের দুটিতে হারলো রংপুর। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকে ধুঁকতে থাকে রংপুর। স্কোরবোর্ডে কোনো রান না তুলতেই ওপেনার রনি তালুকদারের উইকেট হারায় তারা। এরপর দলীয় ২২ রানে মোহাম্মদ নাঈম (১৩) বিদায় নিলে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন উইকেটরক্ষক পারভেজ হোসেন ইমন ও মেহেদী হাসান। ২৪ বলে ২৫ রান করে ইমন বিদায় নেওয়ার পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাই রংপুর। অধিনায়ক শোয়েব মালিকের ব্যাট থেকে আসে মাত্র ৯ রান। এরপর একে একে তার পদাঙ্ক অনুসরণ করেন শামিম হোসেন (৪), মোহাম্মদ নওয়াজ (৫)। ৩৪ বলে ৩৮ রান করে মেহেদীও বিদায় নিলে বিপর্যয়ের মুখে পড়ে দলটি। আর কেউই হাল ধরতে পারেননি। বল হাতে খুলনার ওয়াহাব রিয়াজ ৪ ওভারে মাত্র ১৪ রান খরচে নেন ৪ উইকেট। ৩ ওভারে ১৬ রান খরচে ৩ উইকেট ঝুলিতে পুরেছেন আমাদ বাট। আর নাহিদুল ইসলাম ৩ ওভারে ২৩ রানে নিয়েছেন ২ উইকেট। জবাব দিতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল খুলনাও। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে মেহেদী হাসানের বলে মুনিম শাহরিয়ারের ক্যাচ নিয়েছিলেন মোহাম্মদ নওয়াজ। সফট সিগনালে আউট থাকলেও তৃতীয় আম্পায়ারের কাছে গিয়ে বেঁচে যান মুনিম। শেষ অবধি অবশ্য আউট হন তিন চারে ২১ বলে ২১ রান করেই। ম্যাচে এই একটি উইকেটই হারায় খুলনা টাইগার্স। তামিম ইকবাল শুরুটা ধীরস্থির করলেও হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন ৩৫ বলে। শেষ অবধি অপরাজিত থেকে এই ব্যাটার করেন ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৪৭ বলে ৬০ রান। আরেক প্রান্তে মাহমুদুল হাসান জয় ৪২ বলে ৩৮ রান করে অপরাজিত থাকেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

তামিমের ব্যাটে ঝড়, প্রথম জয় খুলনার

প্রকাশিত সময় : ০৯:০২:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৩

ব্যাট হাতে ভালো ফর্মে ছিলেন না তামিম ইকবাল। জাতীয় লিগেও রানখরায় ছিলেন বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক। চলতি বিপিএলে অবশ্য এক ম্যাচে ৪০ রান করেন। কিন্তু তা ছিলো অনেক ধীরলয়ের ইনিংস। অবশেষে খোলস ছেড়ে বেরিয়েছেন ড্যাসিং ওপেনার। আর বিপিএলে তামিমের ২৪তম ফিফটিতেই এবারের আসরের প্রথম জয় পেয়েছে হ্যাটট্রিক পরাজয় বরণ করা খুলনা টাইগার্স। মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে রংপুর রাইডার্সকে প্রথমে ব্যাটিংয়ে পাঠান খুলনার অধিনায়ক ইয়াসির। আগে ব্যাটিং করে ১২৯ রানেই অলআউট হয়ে যায় দলটি। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ওপেনার তামিমের ঝড়ো ফিফটিতে ভর করে ১০ বল আগেই জয় তুলে নেয় খুলনা। মাত্র একটি উইকেট হারিয়েই। এবারের আসরে এটিই তাদের প্রথম জয়। অন্যদিকে চার ম্যাচের দুটিতে হারলো রংপুর। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকে ধুঁকতে থাকে রংপুর। স্কোরবোর্ডে কোনো রান না তুলতেই ওপেনার রনি তালুকদারের উইকেট হারায় তারা। এরপর দলীয় ২২ রানে মোহাম্মদ নাঈম (১৩) বিদায় নিলে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন উইকেটরক্ষক পারভেজ হোসেন ইমন ও মেহেদী হাসান। ২৪ বলে ২৫ রান করে ইমন বিদায় নেওয়ার পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাই রংপুর। অধিনায়ক শোয়েব মালিকের ব্যাট থেকে আসে মাত্র ৯ রান। এরপর একে একে তার পদাঙ্ক অনুসরণ করেন শামিম হোসেন (৪), মোহাম্মদ নওয়াজ (৫)। ৩৪ বলে ৩৮ রান করে মেহেদীও বিদায় নিলে বিপর্যয়ের মুখে পড়ে দলটি। আর কেউই হাল ধরতে পারেননি। বল হাতে খুলনার ওয়াহাব রিয়াজ ৪ ওভারে মাত্র ১৪ রান খরচে নেন ৪ উইকেট। ৩ ওভারে ১৬ রান খরচে ৩ উইকেট ঝুলিতে পুরেছেন আমাদ বাট। আর নাহিদুল ইসলাম ৩ ওভারে ২৩ রানে নিয়েছেন ২ উইকেট। জবাব দিতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল খুলনাও। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে মেহেদী হাসানের বলে মুনিম শাহরিয়ারের ক্যাচ নিয়েছিলেন মোহাম্মদ নওয়াজ। সফট সিগনালে আউট থাকলেও তৃতীয় আম্পায়ারের কাছে গিয়ে বেঁচে যান মুনিম। শেষ অবধি অবশ্য আউট হন তিন চারে ২১ বলে ২১ রান করেই। ম্যাচে এই একটি উইকেটই হারায় খুলনা টাইগার্স। তামিম ইকবাল শুরুটা ধীরস্থির করলেও হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন ৩৫ বলে। শেষ অবধি অপরাজিত থেকে এই ব্যাটার করেন ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৪৭ বলে ৬০ রান। আরেক প্রান্তে মাহমুদুল হাসান জয় ৪২ বলে ৩৮ রান করে অপরাজিত থাকেন।