মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাংলা ইশারা ভাষা দিবস আজ

দেশে ‘বাংলা ইশারা ভাষা দিবস-২০২৩’ পালিত হবে আজ মঙ্গলবার। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, ‘বাংলা ইশারা ভাষা প্রচলন, বাক ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী ব্যক্তির জীবনমান উন্নয়ন’। দিবস উপলক্ষে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে র‌্যালি, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। ২০১২ সালের ২৬ জানুয়ারি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ৭ ফেব্রুয়ারিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে বাংলা ইশারা ভাষা দিবস হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। ইশারা ভাষা বা সাংকেতিক ভাষা বা প্রতীকী ভাষা বলতে শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিশেষ করে হাত ও বাহু নড়ানোর মাধ্যমে যোগাযোগ করার পদ্ধতিকে বোঝানো হয়। বিজ্ঞজনেরা বলেন, অল্প করে হলেও দেশে ইশারা ভাষা ব্যবহার শুরু হয়েছে, কিন্তু তার কোনো মানদণ্ড নেই। বেসরকারিভাবে কিছু প্রতিষ্ঠান এক্ষেত্রে কাজ করছে। তাই সরকারের ইনস্টিটিউট যেমন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের দায়িত্ব নিলে একটি মানসম্পন্ন ইশারা ভাষার প্রচলন হবে। আর হাসপাতাল, আদালত ও রেল স্টেশন, বিমানবন্দরে ইশারাভাষী নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বাংলা ইশারা ভাষা দিবস আজ

প্রকাশিত সময় : ১১:১১:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

দেশে ‘বাংলা ইশারা ভাষা দিবস-২০২৩’ পালিত হবে আজ মঙ্গলবার। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, ‘বাংলা ইশারা ভাষা প্রচলন, বাক ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী ব্যক্তির জীবনমান উন্নয়ন’। দিবস উপলক্ষে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে র‌্যালি, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। ২০১২ সালের ২৬ জানুয়ারি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ৭ ফেব্রুয়ারিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে বাংলা ইশারা ভাষা দিবস হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। ইশারা ভাষা বা সাংকেতিক ভাষা বা প্রতীকী ভাষা বলতে শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিশেষ করে হাত ও বাহু নড়ানোর মাধ্যমে যোগাযোগ করার পদ্ধতিকে বোঝানো হয়। বিজ্ঞজনেরা বলেন, অল্প করে হলেও দেশে ইশারা ভাষা ব্যবহার শুরু হয়েছে, কিন্তু তার কোনো মানদণ্ড নেই। বেসরকারিভাবে কিছু প্রতিষ্ঠান এক্ষেত্রে কাজ করছে। তাই সরকারের ইনস্টিটিউট যেমন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের দায়িত্ব নিলে একটি মানসম্পন্ন ইশারা ভাষার প্রচলন হবে। আর হাসপাতাল, আদালত ও রেল স্টেশন, বিমানবন্দরে ইশারাভাষী নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।