বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইউরোপিয়ান গোল্ডেন বুটের দৌড়ে কোথায় দাঁড়িয়ে মেসি-নেইমার-এমবাপ্পে

প্রতি মৌসুম শেষে ইউরোপিয়ান ফুটবলের শীর্ষ গোলদাতার হাতে তুলে দেয়া হয় গোল্ডেন বুট। এই পুরস্কার প্রথম দেয়া হয় ১৯৬৭-৬৮ মৌসুমে। প্রথমবার পুরস্কারটি জয় করেন বেনফিকার পর্তুগিজ কিংবদন্তি ইউসেবিও। তবে সবচেয়ে বেশি গোল্ডেন বুট পেয়েছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। তিনি সর্বোচ্চ ৬বার এটি ঘরে তুলেছেন। বিশ্বকাপ শেষে পুনরায় শুরু হয়েছে ক্লাব ফুটবলের লড়াই। ইউরোপিয়ান ফুটবল মাত্র মাঝামাঝি অবস্থায়। এখনও বিশ্বের শীর্ষ পাঁচ লিগের শিরোপা কারা পাবে তা নিশ্চিত নয়। স্বাভাবিকভাবেই ইউরোপ সেরার পুরস্কারটি কার হাতে উঠবে তাও নিশ্চিত নয়। তবে এরই মধ্যে এবারের মৌসুমে ইউরোপিয়ান গোল্ডেন বুট কার হাতে উঠতে যাচ্ছে তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে। ইউরোপিয়ান ফুটবলে প্রতিটি লিগ নিজ নিজ লিগের শীর্ষ গোলদাতাদের পুরস্কৃত করে থাকে। আবার সব লিগ মিলিয়ে গোলের জন্য পাওয়া সর্বোচ্চ পয়েন্টধারী ফুটবলার পান গোল্ডেন বুট। সোনার জুতোর এই লড়াই মূলত সীমাবদ্ধ থাকে শীর্ষ পাঁচ লিগের খেলোয়াড়দের মধ্যেই। গোলপ্রতি পয়েন্টের তারতম্যের জন্য এসব লিগের বাইরে কারো পক্ষে ইউরোপিয়ান গোল্ডেন বুট জয় করা বলতে গেলে অসম্ভব। চলমান মৌসুমের ৮ মাসের ফলাফল পর্যবেক্ষণ করে এই পুরস্কার জয়ের সম্ভাব্য একটি তালিকা প্রকাশ করেছে জনপ্রিয় ফুটবল বিষয়ক ওয়েবসাইট গোলডটকম। যেখানে রাখা হয়েছে ৭৮ জনকে। গোলডটকমের তালিকা অনুসারে গোল্ডেন বুট জয়ের ক্ষেত্রে অনেকটা এগিয়ে ম্যানচেস্টার সিটির নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড। তিনি এখন পর্যন্ত মৌসুমে ২৫ গোল করে ৫০ পয়েন্ট অর্জন করেছেন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন টটেনহ্যামের ইংলিশ অধিনায়ক হ্যারিকেইন। তিনি ১৭ গোল করে ৩৪ পয়েন্ট অর্জন করেছেন। তৃতীয় স্থানে রয়েছেন নাপোলির ভিক্টর ওসিমহেন। তিনি ১৬ গোল করে ৩২ পয়েন্ট অর্জন করেছেন। চতুর্থ স্থানে রয়েছেন বার্সেলোনার পোলিশ অধিনায়ক রবার্ট লেভানদোভস্কি। তিনি ১৪টি গোল করে ২৮ পয়েন্ট অর্জন করেছেন। যিনি বিশ্বকাপের পর ক্লাব ফুটবল মাঠে গড়ানোর আগে ছিলেন দ্বিতীয় স্থানে। পঞ্চম স্থানে রয়েছেন ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ানের দল রেইমসের ফোলারিন বেলুগান। তিনিও ১৪টি গোল করে ২৮ পয়েন্ট অর্জন করেছেন। শীর্ষ দশে পিএসজির এমবাপ্পে থাকলেও নেই নেইমার ও বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার মেসি। নেইমারের অবস্থান ১৫তম স্থানে আর মেসি রয়েছেন ২৫তম স্থানে। করিম বেনজেমা রয়েছেন ২৩তম স্থানে। ইউরোপিয়ান গোল্ডেন বুটের শেষ দুটি শিরোপা জিতেছেন বার্সেলোনার পোলিশ অধিনায়ক লেভানদোভস্কি। যিনি তখন ছিলেন জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ইউরোপিয়ান গোল্ডেন বুটের দৌড়ে কোথায় দাঁড়িয়ে মেসি-নেইমার-এমবাপ্পে

প্রকাশিত সময় : ১০:৩৪:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

প্রতি মৌসুম শেষে ইউরোপিয়ান ফুটবলের শীর্ষ গোলদাতার হাতে তুলে দেয়া হয় গোল্ডেন বুট। এই পুরস্কার প্রথম দেয়া হয় ১৯৬৭-৬৮ মৌসুমে। প্রথমবার পুরস্কারটি জয় করেন বেনফিকার পর্তুগিজ কিংবদন্তি ইউসেবিও। তবে সবচেয়ে বেশি গোল্ডেন বুট পেয়েছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। তিনি সর্বোচ্চ ৬বার এটি ঘরে তুলেছেন। বিশ্বকাপ শেষে পুনরায় শুরু হয়েছে ক্লাব ফুটবলের লড়াই। ইউরোপিয়ান ফুটবল মাত্র মাঝামাঝি অবস্থায়। এখনও বিশ্বের শীর্ষ পাঁচ লিগের শিরোপা কারা পাবে তা নিশ্চিত নয়। স্বাভাবিকভাবেই ইউরোপ সেরার পুরস্কারটি কার হাতে উঠবে তাও নিশ্চিত নয়। তবে এরই মধ্যে এবারের মৌসুমে ইউরোপিয়ান গোল্ডেন বুট কার হাতে উঠতে যাচ্ছে তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে। ইউরোপিয়ান ফুটবলে প্রতিটি লিগ নিজ নিজ লিগের শীর্ষ গোলদাতাদের পুরস্কৃত করে থাকে। আবার সব লিগ মিলিয়ে গোলের জন্য পাওয়া সর্বোচ্চ পয়েন্টধারী ফুটবলার পান গোল্ডেন বুট। সোনার জুতোর এই লড়াই মূলত সীমাবদ্ধ থাকে শীর্ষ পাঁচ লিগের খেলোয়াড়দের মধ্যেই। গোলপ্রতি পয়েন্টের তারতম্যের জন্য এসব লিগের বাইরে কারো পক্ষে ইউরোপিয়ান গোল্ডেন বুট জয় করা বলতে গেলে অসম্ভব। চলমান মৌসুমের ৮ মাসের ফলাফল পর্যবেক্ষণ করে এই পুরস্কার জয়ের সম্ভাব্য একটি তালিকা প্রকাশ করেছে জনপ্রিয় ফুটবল বিষয়ক ওয়েবসাইট গোলডটকম। যেখানে রাখা হয়েছে ৭৮ জনকে। গোলডটকমের তালিকা অনুসারে গোল্ডেন বুট জয়ের ক্ষেত্রে অনেকটা এগিয়ে ম্যানচেস্টার সিটির নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড। তিনি এখন পর্যন্ত মৌসুমে ২৫ গোল করে ৫০ পয়েন্ট অর্জন করেছেন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন টটেনহ্যামের ইংলিশ অধিনায়ক হ্যারিকেইন। তিনি ১৭ গোল করে ৩৪ পয়েন্ট অর্জন করেছেন। তৃতীয় স্থানে রয়েছেন নাপোলির ভিক্টর ওসিমহেন। তিনি ১৬ গোল করে ৩২ পয়েন্ট অর্জন করেছেন। চতুর্থ স্থানে রয়েছেন বার্সেলোনার পোলিশ অধিনায়ক রবার্ট লেভানদোভস্কি। তিনি ১৪টি গোল করে ২৮ পয়েন্ট অর্জন করেছেন। যিনি বিশ্বকাপের পর ক্লাব ফুটবল মাঠে গড়ানোর আগে ছিলেন দ্বিতীয় স্থানে। পঞ্চম স্থানে রয়েছেন ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ানের দল রেইমসের ফোলারিন বেলুগান। তিনিও ১৪টি গোল করে ২৮ পয়েন্ট অর্জন করেছেন। শীর্ষ দশে পিএসজির এমবাপ্পে থাকলেও নেই নেইমার ও বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার মেসি। নেইমারের অবস্থান ১৫তম স্থানে আর মেসি রয়েছেন ২৫তম স্থানে। করিম বেনজেমা রয়েছেন ২৩তম স্থানে। ইউরোপিয়ান গোল্ডেন বুটের শেষ দুটি শিরোপা জিতেছেন বার্সেলোনার পোলিশ অধিনায়ক লেভানদোভস্কি। যিনি তখন ছিলেন জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখে।