সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নির্মিত ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘর এখন বিরামপুর রেলস্টেশনে

দিনাজপুরের বিরামপুর রেল স্টেশন। দুই নম্বর প্লাটফর্মে দাঁড়ানো একটি রেলের বগি। বগিটির বাহিরে বর্ণিলভাবে আঁকা ভাষা আন্দোলন,মুক্তিযুদ্ধ, আমাদের স্বাধীনতা ও বঙ্গবন্ধুর চিত্র দিয়ে। বগির ভিতরে প্রবেশ করতেই চোখে পড়ে থরে থরে সাজানো বঙ্গবন্ধুর ব্যবহৃত চশমা, দলীয় প্রতীক নৌকা, মুজিব কোট, মুজিব শতবর্ষের লোগো এবং বঙ্গবন্ধুর লেখা বই, মুজিবনগর স্মৃতিস্তম্ভ, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, পাকিস্তানিদের আত্মসমর্পণ, জাতীয় স্মৃতিসৌধ, বঙ্গবন্ধু সমাধি সৌধ প্রভৃতি। দেখা মিললো বঙ্গবন্ধুর জীবন নিয়ে ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘরে। ভ্রাম্যমাণ জাদুঘরটি বিরামপুর রেলস্টেশন থেকে বৃহস্পতিবার ২৩ফেব্রুয়ারী দুপরে আসে এক সপ্তাহ বিরামপুর স্টেশনে থেকে সকাল ৯টা থেকে সন্ধা ৭টা পর্যান্ত স্টেশনে দর্শনার্থীদের জন্য অবস্থান করবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জনা যায়। ইতিহাস জানুন ও দেখুন বাংলাদেশের জন্ম বৃত্তান্ত এবং জাতির পিতার শৈশব-কৈশোর ও কর্মময় জীবনের ধারাবাহিক ১২টি পর্ব নিয়ে রেলওয়ের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কামরায় সাজানো হয়েছে এ জাদুঘর। মুক্তিযুদ্ধ, আমাদের স্বাধীনতা ও বঙ্গবন্ধুকে জানতে জাদুঘরটি অনন্য ভূমিকা রাখছে। ভ্রাম্যমান এ জাদুঘরে গিয়ে দেখা যায়, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বগিটি বেশ সুন্দর পরিপাটি। বগিতে উঠতেই কানে আসে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ। দরজার পাশে বঙ্গবন্ধুর ছবি সম্বলিত মুজিব শতবর্ষের লোগো। এছাড়া বঙ্গবন্ধুর জীবন-আন্দোলন সংগ্রামকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বিভিন্ন ছবির মাধ্যমে। জাদুঘরে স্থান পেয়েছে, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর টুঙ্গিপাড়ার বাবার বাড়ি, জাতিসংঘে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ, বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ছবি। বঙ্গবন্ধুর ব্যবহৃত চশমা, দলীয় প্রতীক নৌকা, মুজিব কোট, মুজিব শতবর্ষের লোগো এবং বঙ্গবন্ধুর লেখা বই, মুজিবনগর স্মৃতিস্তম্ভ, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, পাকিস্তানিদের আত্মসমর্পণ, জাতীয় স্মৃতিসৌধ, বঙ্গবন্ধু সমাধি সৌধ প্রভৃতি বিষয় স্থান পেয়েছে। জাদুঘরের প্রতিটি কনটেন্ট নির্মাণ করা হয়েছে ভিডিও, স্থিরচিত্র এবং রেপ্লিকা ম্যুরালের মাধ্যমে সমন্বয়ে। এছাড়া জাদুঘরটিতে তৈরি করা হয়েছে একটি বুক সেলফ। সেখানে শোভা পাচ্ছে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী, আমার দেখা নয়াচীনসহ তার কর্মময় জীবনের ওপর রচিত অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ বই। রেল জাদুঘরটি দেখতে আসা সোহানুর রহমান বলেন, জাদুঘরটিতে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী, আমার দেখা নয়াচীনসহ তার কর্মময় জীবনের ওপর রচিত অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ বই দেখলাম,আগে কখনো এ ধরনর জাদুঘর বিরামপুরে আসেনি দেখে খুব ভালো লাগলো। বিরামপুর রেলস্টেশনের মাষ্টার মো মোজাম্মেল হক বলেন, মুক্তিযুদ্ধ, আমাদের স্বাধীনতা ও বঙ্গবন্ধুকে জানতে রেলপথ মন্ত্রণালয় এটি নির্মাণ করেছে। বিভিন্ন স্টেশনে ভ্রাম্যমাণ এই রেল জাদুঘর দাঁড়িয়ে এলাকার লোকজন এবং রেল যাত্রিদের বঙ্গবন্ধুর জীবন কাহিনীসহ ভাষা আন্দলন, মুক্তিযুদ্ধ সর্ম্পকে জানতে সুযোগ করে দিচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নির্মিত ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘর এখন বিরামপুর রেলস্টেশনে

প্রকাশিত সময় : ০৮:২১:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

দিনাজপুরের বিরামপুর রেল স্টেশন। দুই নম্বর প্লাটফর্মে দাঁড়ানো একটি রেলের বগি। বগিটির বাহিরে বর্ণিলভাবে আঁকা ভাষা আন্দোলন,মুক্তিযুদ্ধ, আমাদের স্বাধীনতা ও বঙ্গবন্ধুর চিত্র দিয়ে। বগির ভিতরে প্রবেশ করতেই চোখে পড়ে থরে থরে সাজানো বঙ্গবন্ধুর ব্যবহৃত চশমা, দলীয় প্রতীক নৌকা, মুজিব কোট, মুজিব শতবর্ষের লোগো এবং বঙ্গবন্ধুর লেখা বই, মুজিবনগর স্মৃতিস্তম্ভ, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, পাকিস্তানিদের আত্মসমর্পণ, জাতীয় স্মৃতিসৌধ, বঙ্গবন্ধু সমাধি সৌধ প্রভৃতি। দেখা মিললো বঙ্গবন্ধুর জীবন নিয়ে ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘরে। ভ্রাম্যমাণ জাদুঘরটি বিরামপুর রেলস্টেশন থেকে বৃহস্পতিবার ২৩ফেব্রুয়ারী দুপরে আসে এক সপ্তাহ বিরামপুর স্টেশনে থেকে সকাল ৯টা থেকে সন্ধা ৭টা পর্যান্ত স্টেশনে দর্শনার্থীদের জন্য অবস্থান করবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জনা যায়। ইতিহাস জানুন ও দেখুন বাংলাদেশের জন্ম বৃত্তান্ত এবং জাতির পিতার শৈশব-কৈশোর ও কর্মময় জীবনের ধারাবাহিক ১২টি পর্ব নিয়ে রেলওয়ের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কামরায় সাজানো হয়েছে এ জাদুঘর। মুক্তিযুদ্ধ, আমাদের স্বাধীনতা ও বঙ্গবন্ধুকে জানতে জাদুঘরটি অনন্য ভূমিকা রাখছে। ভ্রাম্যমান এ জাদুঘরে গিয়ে দেখা যায়, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বগিটি বেশ সুন্দর পরিপাটি। বগিতে উঠতেই কানে আসে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ। দরজার পাশে বঙ্গবন্ধুর ছবি সম্বলিত মুজিব শতবর্ষের লোগো। এছাড়া বঙ্গবন্ধুর জীবন-আন্দোলন সংগ্রামকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বিভিন্ন ছবির মাধ্যমে। জাদুঘরে স্থান পেয়েছে, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর টুঙ্গিপাড়ার বাবার বাড়ি, জাতিসংঘে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ, বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ছবি। বঙ্গবন্ধুর ব্যবহৃত চশমা, দলীয় প্রতীক নৌকা, মুজিব কোট, মুজিব শতবর্ষের লোগো এবং বঙ্গবন্ধুর লেখা বই, মুজিবনগর স্মৃতিস্তম্ভ, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, পাকিস্তানিদের আত্মসমর্পণ, জাতীয় স্মৃতিসৌধ, বঙ্গবন্ধু সমাধি সৌধ প্রভৃতি বিষয় স্থান পেয়েছে। জাদুঘরের প্রতিটি কনটেন্ট নির্মাণ করা হয়েছে ভিডিও, স্থিরচিত্র এবং রেপ্লিকা ম্যুরালের মাধ্যমে সমন্বয়ে। এছাড়া জাদুঘরটিতে তৈরি করা হয়েছে একটি বুক সেলফ। সেখানে শোভা পাচ্ছে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী, আমার দেখা নয়াচীনসহ তার কর্মময় জীবনের ওপর রচিত অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ বই। রেল জাদুঘরটি দেখতে আসা সোহানুর রহমান বলেন, জাদুঘরটিতে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী, আমার দেখা নয়াচীনসহ তার কর্মময় জীবনের ওপর রচিত অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ বই দেখলাম,আগে কখনো এ ধরনর জাদুঘর বিরামপুরে আসেনি দেখে খুব ভালো লাগলো। বিরামপুর রেলস্টেশনের মাষ্টার মো মোজাম্মেল হক বলেন, মুক্তিযুদ্ধ, আমাদের স্বাধীনতা ও বঙ্গবন্ধুকে জানতে রেলপথ মন্ত্রণালয় এটি নির্মাণ করেছে। বিভিন্ন স্টেশনে ভ্রাম্যমাণ এই রেল জাদুঘর দাঁড়িয়ে এলাকার লোকজন এবং রেল যাত্রিদের বঙ্গবন্ধুর জীবন কাহিনীসহ ভাষা আন্দলন, মুক্তিযুদ্ধ সর্ম্পকে জানতে সুযোগ করে দিচ্ছে।