শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আবার বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

আবারও বাড়ছে গ্রাহকপর্যায়ে বিদ্যুতের দাম। চলতি সপ্তাহে এ ঘোষণা দেওয়া হতে পারে, যা ১ মার্চ থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে। বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, ৫ শতাংশ দাম বাড়ানোর সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করা হয়েছে। যে কোনো দিন প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। এর মধ্য দিয়ে বর্ধিত বিদ্যুৎ বিলের পাশাপাশি উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির কারণে বাজারে পণ্যমূল্যও বেড়ে যাবে। ফলে আবারও সাধারণ মানুষের খরচের বোঝা বাড়বে।

এবারও বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনকে (বিইআরসি) পাশ কাটিয়ে নির্বাহী আদেশে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন করে দাম বাড়ানো হলে গত ১৪ বছরে এ নিয়ে ১২তমবারের মতো গ্রাহকপর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়বে। বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, নতুন করে দাম নির্ধারণ করা হলে সেটি ১ মার্চ থেকে কার্যকর হবে। অর্থাৎ মার্চ মাসের বর্ধিত বিল এপ্রিল থেকে দিতে হবে গ্রাহকদের।

এবারও বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনকে (বিইআরসি) পাশ কাটিয়ে নির্বাহী আদেশে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন করে দাম বাড়ানো হলে গত ১৪ বছরে এ নিয়ে ১২তমবারের মতো গ্রাহকপর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়বে। বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, নতুন করে দাম নির্ধারণ করা হলে সেটি ১ মার্চ থেকে কার্যকর হবে। অর্থাৎ মার্চ মাসের বর্ধিত বিল এপ্রিল থেকে দিতে হবে গ্রাহকদের।সর্বশেষ ৩০ জানুয়ারি ৫ শতাংশ খুচরা এবং পাইকারিপর্যায়ে ৮ শতাংশ বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছিল। তার ১৮ দিন আগে গত ১২ জানুয়ারি খুচরাপর্যায়ে ৫ শতাংশ বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছিল। নতুন করে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হলে গত দুই মাসের ব্যবধানের খুচরাপর্যায়ে তিন দফা বিদ্যুতের দাম বাড়বে। এ ছাড়া এক দফা বাড়ানো হয়েছে

বিদ্যুৎ বিভাগের এ কর্মকর্তা বলেন, আমাদের শুধুু অবকাঠামো আছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের সব ধরনের উপরকরণ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। কয়লা, গ্যাস, জ্বালানি তেল। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে চরম অস্থিতিশীল জ্বালানির বাজার। বেশি দামে জ্বালানি পণ্য আমদানি করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, আইএমএফের পরামর্শ রয়েছে ভর্তুকি তুলে দেওয়ার। এ কর্মকর্তা শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এ বছর গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা যাবে কিনা তা নিয়ে উদ্বেগ আছে সরকারের মধ্যে। কারণ ডলার সংকটে চাহিদা অনুযায়ী তেল, গ্যাস, কয়লা আমদানি নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।

সর্বশেষ জারিকৃত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আবাসিক গ্রাহকদের মধ্যে শূন্য থেকে ৫০ ইউনিট ব্যবহারকারী লাইফলাইন গ্রাহকদের বিদ্যুতের দাম ইউনিটপ্রতি ৩ টাকা ৯৪ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ১৪ পয়সা, শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট ব্যবহারকারীর বিদ্যুতের দাম ৪ টাকা ৪০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ৬২ পয়সা এবং ৭৬ থেকে ২০০ ইউনিট ব্যবহারকারীদের ৬ টাকা ১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৬ টাকা ৩১ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ২০১ থেকে ৩০০ ইউনিট ব্যবহারকারীদের ৬ টাকা ৩০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৬ টাকা ৬২ পয়সা, ৩০১ থেকে ৪০০ ইউনিটের জন্য ৬ টাকা ৬৬ পয়সা থেকে বেড়ে ৬ টাকা ৯৯ পয়সা, ৪০১ থেকে ৬০০ ইউনিটের জন্য ১০ টাকা ৪৫ পয়সা থেকে বেড়ে ১০ টাকা ৯৬ পয়সা এবং ৬০০ ইউনিটের ওপরে বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী আবাসিক গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিল ১২ টাকা ০৩ পয়সা থেকে বেড়ে ১২ টাকা ৬৩ পয়সা করা হয়েছে। নতুন করে ৫ শতাংশ দাম বাড়ানো হলে বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবহারকারীদের আরও ৫ শতাংশ দাম বাড়বে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আবার বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

প্রকাশিত সময় : ০৮:০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

আবারও বাড়ছে গ্রাহকপর্যায়ে বিদ্যুতের দাম। চলতি সপ্তাহে এ ঘোষণা দেওয়া হতে পারে, যা ১ মার্চ থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে। বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, ৫ শতাংশ দাম বাড়ানোর সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করা হয়েছে। যে কোনো দিন প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। এর মধ্য দিয়ে বর্ধিত বিদ্যুৎ বিলের পাশাপাশি উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির কারণে বাজারে পণ্যমূল্যও বেড়ে যাবে। ফলে আবারও সাধারণ মানুষের খরচের বোঝা বাড়বে।

এবারও বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনকে (বিইআরসি) পাশ কাটিয়ে নির্বাহী আদেশে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন করে দাম বাড়ানো হলে গত ১৪ বছরে এ নিয়ে ১২তমবারের মতো গ্রাহকপর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়বে। বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, নতুন করে দাম নির্ধারণ করা হলে সেটি ১ মার্চ থেকে কার্যকর হবে। অর্থাৎ মার্চ মাসের বর্ধিত বিল এপ্রিল থেকে দিতে হবে গ্রাহকদের।

এবারও বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনকে (বিইআরসি) পাশ কাটিয়ে নির্বাহী আদেশে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন করে দাম বাড়ানো হলে গত ১৪ বছরে এ নিয়ে ১২তমবারের মতো গ্রাহকপর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়বে। বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, নতুন করে দাম নির্ধারণ করা হলে সেটি ১ মার্চ থেকে কার্যকর হবে। অর্থাৎ মার্চ মাসের বর্ধিত বিল এপ্রিল থেকে দিতে হবে গ্রাহকদের।সর্বশেষ ৩০ জানুয়ারি ৫ শতাংশ খুচরা এবং পাইকারিপর্যায়ে ৮ শতাংশ বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছিল। তার ১৮ দিন আগে গত ১২ জানুয়ারি খুচরাপর্যায়ে ৫ শতাংশ বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছিল। নতুন করে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হলে গত দুই মাসের ব্যবধানের খুচরাপর্যায়ে তিন দফা বিদ্যুতের দাম বাড়বে। এ ছাড়া এক দফা বাড়ানো হয়েছে

বিদ্যুৎ বিভাগের এ কর্মকর্তা বলেন, আমাদের শুধুু অবকাঠামো আছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের সব ধরনের উপরকরণ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। কয়লা, গ্যাস, জ্বালানি তেল। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে চরম অস্থিতিশীল জ্বালানির বাজার। বেশি দামে জ্বালানি পণ্য আমদানি করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, আইএমএফের পরামর্শ রয়েছে ভর্তুকি তুলে দেওয়ার। এ কর্মকর্তা শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এ বছর গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা যাবে কিনা তা নিয়ে উদ্বেগ আছে সরকারের মধ্যে। কারণ ডলার সংকটে চাহিদা অনুযায়ী তেল, গ্যাস, কয়লা আমদানি নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।

সর্বশেষ জারিকৃত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আবাসিক গ্রাহকদের মধ্যে শূন্য থেকে ৫০ ইউনিট ব্যবহারকারী লাইফলাইন গ্রাহকদের বিদ্যুতের দাম ইউনিটপ্রতি ৩ টাকা ৯৪ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ১৪ পয়সা, শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট ব্যবহারকারীর বিদ্যুতের দাম ৪ টাকা ৪০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ৬২ পয়সা এবং ৭৬ থেকে ২০০ ইউনিট ব্যবহারকারীদের ৬ টাকা ১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৬ টাকা ৩১ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ২০১ থেকে ৩০০ ইউনিট ব্যবহারকারীদের ৬ টাকা ৩০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৬ টাকা ৬২ পয়সা, ৩০১ থেকে ৪০০ ইউনিটের জন্য ৬ টাকা ৬৬ পয়সা থেকে বেড়ে ৬ টাকা ৯৯ পয়সা, ৪০১ থেকে ৬০০ ইউনিটের জন্য ১০ টাকা ৪৫ পয়সা থেকে বেড়ে ১০ টাকা ৯৬ পয়সা এবং ৬০০ ইউনিটের ওপরে বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী আবাসিক গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিল ১২ টাকা ০৩ পয়সা থেকে বেড়ে ১২ টাকা ৬৩ পয়সা করা হয়েছে। নতুন করে ৫ শতাংশ দাম বাড়ানো হলে বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবহারকারীদের আরও ৫ শতাংশ দাম বাড়বে।