শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লালপুরে ভুট্টাক্ষেতে পড়েছিল এক ব্যক্তির মরদেহ

নাটোরের লালপুরের একটি ভুট্টাক্ষেত থেকে সুমন সরকার (৪২) নামে এক ব্যাক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৩ এপ্রিল) দিনগত রাতে উপজেলার আড়বাব ইউনিয়নের হাসেমপুর গ্রামের জনৈক বাবলু মেম্বারের ভুট্টার ক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত সুমন সরকার ওই গ্রামের সনত চন্দ্রের ছেলে। লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোনোয়ারুজ্জামান জানান, বৃহস্পতিবার সকালে খাওয়া দাওয়া করে বাড়ি থেকে বের হন সুমন সরকার। বিকেলেও তিনি বাড়ি না ফেরায় তার স্বজনরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে স্থানীয় লোকজন সন্ধ্যার দিকে ওই ভুট্টার ক্ষেতে সুমনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করে। ওসি আরও বলেন, নিহত সুমনের শরীরের কোথায়ও কোনো আঘাত বা ফাঁসের চিহ্ন নেই। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তিনি কোনো বিষ জাতীয় দ্রব্য খেয়ে আত্মহতা করেছেন। তবে ময়নাতদন্ত রির্পোট ছাড়া মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে না। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে। এ ব্যাপারে তার বাবা সনত চন্দ্র বাদি হয়ে লালপুর থানায় একটি ইউডি মামলা রুজু করেছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লালপুরে ভুট্টাক্ষেতে পড়েছিল এক ব্যক্তির মরদেহ

প্রকাশিত সময় : ০৪:১৯:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৩

নাটোরের লালপুরের একটি ভুট্টাক্ষেত থেকে সুমন সরকার (৪২) নামে এক ব্যাক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৩ এপ্রিল) দিনগত রাতে উপজেলার আড়বাব ইউনিয়নের হাসেমপুর গ্রামের জনৈক বাবলু মেম্বারের ভুট্টার ক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত সুমন সরকার ওই গ্রামের সনত চন্দ্রের ছেলে। লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোনোয়ারুজ্জামান জানান, বৃহস্পতিবার সকালে খাওয়া দাওয়া করে বাড়ি থেকে বের হন সুমন সরকার। বিকেলেও তিনি বাড়ি না ফেরায় তার স্বজনরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে স্থানীয় লোকজন সন্ধ্যার দিকে ওই ভুট্টার ক্ষেতে সুমনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করে। ওসি আরও বলেন, নিহত সুমনের শরীরের কোথায়ও কোনো আঘাত বা ফাঁসের চিহ্ন নেই। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তিনি কোনো বিষ জাতীয় দ্রব্য খেয়ে আত্মহতা করেছেন। তবে ময়নাতদন্ত রির্পোট ছাড়া মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে না। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে। এ ব্যাপারে তার বাবা সনত চন্দ্র বাদি হয়ে লালপুর থানায় একটি ইউডি মামলা রুজু করেছেন।