শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ব্রেইন স্ট্রোক কী?

ব্রেইন স্ট্রোক হলো একটি স্নায়বিক অবস্থা যেখানে রোগী একটি কেন্দ্রীয় ঘাটতি যেমন শরীরের অর্ধাংশের দুর্বলতার জড়ানো কথা অথবা হঠাৎ চেতনা হারানো, মুখ বেঁকে যাওয়া, কথায় জড়তা, হঠাৎ অসহ্য মাথাব্যথার সঙ্গে বমি হওয়া এবং প্রস্রাব ধরে রাখতে না পারা।

স্ট্রোককে ব্রেন অ্যাটাকও বলা হয়। স্ট্রোক হলে মস্তিষ্কের ক্ষতি, দীর্ঘমেয়াদী অক্ষমতা এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। সাধারণত ৬০ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি। তবে, অল্পবয়সীদেরও স্ট্রোক হতে পারে।

হঠাৎ দেখতে সমস্যা ও মাথাব্যথা
হঠাৎ দেখতে সমস্যা হলে স্ট্রোকের উপসর্গ হতে পারে। যাদের হেমোরেজিক স্ট্রোক হয় তাদের হঠাৎ করে তীব্র মাথাব্যথা হতে পারে। এটি সাধারণত উচ্চ রক্তচাপের কারণে হয়। মস্তিষ্কের রক্তনালী ছিড়ে গেলে হেমোরেজিক স্ট্রোক হয়।

স্ট্রোক প্রতিরোধের উপায়
স্ট্রোক অনেকাংশেই প্রতিরোধযোগ্য। স্ট্রোক প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজন সচেতনতা। যেমন: রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, ডায়াবেটিস (বহমূত্র) নিয়ন্ত্রণ, ধূমপান পরিহার করা, রক্তে চর্বি নিয়ন্ত্রণ, শারীরিক ব্যায়াম নিয়মিত করা, ওজন ঠিক রাখা, প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণ শাকসবজি ও সতেজ ফলমূল খাওয়া।

চিকিৎসা করলে ৩০ শতাংশ সম্পূর্ণরূপে সুস্থ হয় আর ৩০ শতাংশ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে থাকে। সাধারণত চল্লিশোর্ধ্ব মানুষের স্ট্রোক বেশি হয়ে থাকে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ব্রেইন স্ট্রোক কী?

প্রকাশিত সময় : ০৪:৩৫:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৩

ব্রেইন স্ট্রোক হলো একটি স্নায়বিক অবস্থা যেখানে রোগী একটি কেন্দ্রীয় ঘাটতি যেমন শরীরের অর্ধাংশের দুর্বলতার জড়ানো কথা অথবা হঠাৎ চেতনা হারানো, মুখ বেঁকে যাওয়া, কথায় জড়তা, হঠাৎ অসহ্য মাথাব্যথার সঙ্গে বমি হওয়া এবং প্রস্রাব ধরে রাখতে না পারা।

স্ট্রোককে ব্রেন অ্যাটাকও বলা হয়। স্ট্রোক হলে মস্তিষ্কের ক্ষতি, দীর্ঘমেয়াদী অক্ষমতা এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। সাধারণত ৬০ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি। তবে, অল্পবয়সীদেরও স্ট্রোক হতে পারে।

হঠাৎ দেখতে সমস্যা ও মাথাব্যথা
হঠাৎ দেখতে সমস্যা হলে স্ট্রোকের উপসর্গ হতে পারে। যাদের হেমোরেজিক স্ট্রোক হয় তাদের হঠাৎ করে তীব্র মাথাব্যথা হতে পারে। এটি সাধারণত উচ্চ রক্তচাপের কারণে হয়। মস্তিষ্কের রক্তনালী ছিড়ে গেলে হেমোরেজিক স্ট্রোক হয়।

স্ট্রোক প্রতিরোধের উপায়
স্ট্রোক অনেকাংশেই প্রতিরোধযোগ্য। স্ট্রোক প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজন সচেতনতা। যেমন: রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, ডায়াবেটিস (বহমূত্র) নিয়ন্ত্রণ, ধূমপান পরিহার করা, রক্তে চর্বি নিয়ন্ত্রণ, শারীরিক ব্যায়াম নিয়মিত করা, ওজন ঠিক রাখা, প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণ শাকসবজি ও সতেজ ফলমূল খাওয়া।

চিকিৎসা করলে ৩০ শতাংশ সম্পূর্ণরূপে সুস্থ হয় আর ৩০ শতাংশ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে থাকে। সাধারণত চল্লিশোর্ধ্ব মানুষের স্ট্রোক বেশি হয়ে থাকে।