শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সকল দায়িত্ব নিলো আত-তাইয়েবা ফাউন্ডেশন

অক্সিজেন নললাগিয়ে রিকশা চালানো সেই মাইনুজ্জামান সেন্টুর পরিবারসহ সকল কিছুর দায়িত্ব নিয়েছে আত-তাইয়েবা ফাউন্ডেশন। আত-তাইয়েবা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতার চেয়ারম্যান শেখ রুবেল রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সেন্টুকে দেখতে এসে এই ঘোষণা দেন। আজ রোববার তিনি ঢাকা থেকে অসুস্থ সেন্টুকে দেখতে আসেন। এসময় তিনি তাকে আর্থিক সহায়তা করেন। চেয়ারম্যান শেখ রুবেল বলেন, আমি বিভিন্ন গণমাধ্যমে রিকশা চালক সেন্টুর খবর দেখেছি। এর পর রাজশাহীতে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তার সাথে কথা বলে ভালো লেগেছে। তার চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছি।সেন্টুর পরিবার তার বাসস্থান ও কর্মের ও দায়িত্ব নিলাম।তিনি সুস্থ হয়ে উঠলে তার নতুন একটি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। এর পর তার বাসস্থান নিশ্চিত করা হবে। উল্লেখ্য, পাঁচ বছর আগে একটি বেসরকারি সংস্থা থেকে ৮০হাজার টাকা ঋণনিয়ে একটি রিকশা কিনে ছিলেন মাইনুজ্জামান। দুই বছরের মাথায় নগরের ঘোষ পাড়ার মোড়ে রিকশাটি চুরি হয়ে যায়। পরে আবার ঋণ করে আরেকটি রিকশা কিনে সেটি চালাতেন। এরই মধ্যে হার্নিয়ার অস্ত্রো পচারের জন্য আর ও ৫০হাজার টাকা ঋণ করতে হয় তাঁর।প্রতি সপ্তাহে দুই জায় গায় ১হাজার ৩৫০টাকা করে কিস্তি দিতে হয়।দিনে তিনটি অক্সিজেন সিলিন্ডার লাগে।ওষুধ ও অক্সিজেন মিলে তার দিনে ৬০০টাকা খরচ হয়। দুই মাস ধরে তিনি বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েন।অক্সিজেন ছাড়া চলতে পারছিলেন না। সর্বশেষ দুই দিননাকে অক্সিজেনের নলনিয়েই রিকশা চালিয়েছেন।গত রোববার হাসপাতালে ভর্তি হন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সকল দায়িত্ব নিলো আত-তাইয়েবা ফাউন্ডেশন

প্রকাশিত সময় : ০৯:৩৭:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ মে ২০২৩

অক্সিজেন নললাগিয়ে রিকশা চালানো সেই মাইনুজ্জামান সেন্টুর পরিবারসহ সকল কিছুর দায়িত্ব নিয়েছে আত-তাইয়েবা ফাউন্ডেশন। আত-তাইয়েবা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতার চেয়ারম্যান শেখ রুবেল রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সেন্টুকে দেখতে এসে এই ঘোষণা দেন। আজ রোববার তিনি ঢাকা থেকে অসুস্থ সেন্টুকে দেখতে আসেন। এসময় তিনি তাকে আর্থিক সহায়তা করেন। চেয়ারম্যান শেখ রুবেল বলেন, আমি বিভিন্ন গণমাধ্যমে রিকশা চালক সেন্টুর খবর দেখেছি। এর পর রাজশাহীতে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তার সাথে কথা বলে ভালো লেগেছে। তার চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছি।সেন্টুর পরিবার তার বাসস্থান ও কর্মের ও দায়িত্ব নিলাম।তিনি সুস্থ হয়ে উঠলে তার নতুন একটি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। এর পর তার বাসস্থান নিশ্চিত করা হবে। উল্লেখ্য, পাঁচ বছর আগে একটি বেসরকারি সংস্থা থেকে ৮০হাজার টাকা ঋণনিয়ে একটি রিকশা কিনে ছিলেন মাইনুজ্জামান। দুই বছরের মাথায় নগরের ঘোষ পাড়ার মোড়ে রিকশাটি চুরি হয়ে যায়। পরে আবার ঋণ করে আরেকটি রিকশা কিনে সেটি চালাতেন। এরই মধ্যে হার্নিয়ার অস্ত্রো পচারের জন্য আর ও ৫০হাজার টাকা ঋণ করতে হয় তাঁর।প্রতি সপ্তাহে দুই জায় গায় ১হাজার ৩৫০টাকা করে কিস্তি দিতে হয়।দিনে তিনটি অক্সিজেন সিলিন্ডার লাগে।ওষুধ ও অক্সিজেন মিলে তার দিনে ৬০০টাকা খরচ হয়। দুই মাস ধরে তিনি বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েন।অক্সিজেন ছাড়া চলতে পারছিলেন না। সর্বশেষ দুই দিননাকে অক্সিজেনের নলনিয়েই রিকশা চালিয়েছেন।গত রোববার হাসপাতালে ভর্তি হন।